বীরভূমে ফিরলেন অনুব্রত মণ্ডল

বোলপুর: সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির তিহাড় জেল থেকে জামিনে মুক্তি পান অনুব্রত মণ্ডল। মঙ্গলবার ভোরে বিমানে পৌঁছন কলকাতায়। সেখান থেকে গাড়ি করে বোলপুর পৌঁছন সকাল ৯টা নাগাদ। অনুব্রতকে স্বাগত জানাতে বর্ধমান ও বীরভূমের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কর্মীরা রাস্তার পাশে ভিড় করে স্লোগান দিতে থাকেন। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথপোকথনে অনুব্রত জানিয়েছেন, ‘দিদির জন্য আমি আছি। বরাবরই থাকব’। এদিন গাড়িতে বসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, ‘২ বছর পর বাড়ি ফিরলাম। হাঁটুতে বেদনা, কোমরে বেদনা। শরীর ভালো নেই। দিদি আজ বীরভূমে আসছেন। শরীর সায় দিলে দেখা করব। দিদি ভালো থাকুক। দিদির জন্য আমি আছি, বরাবর থাকব।’
অনুব্রতর জেলমুক্তি

কলকাতা: গরু পাচার মামলায় বীরভূমের নিচুপট্টি এলাকার বাড়ি থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। প্রথমে আসানসোল সংশোধনাগারে তাঁকে রাখা হয়েছিল। পরে তিহাড় জেলে নিয়ে যাওয়া হয় কেষ্টকে। ২০২৩ সালের ২১ মার্চ থেকে তিহাড়েই বন্দি ছিলেন তিনি। সোমবার মুক্তি মিলল। উল্লেখ্য, শুক্রবার তাঁকে জামিন দিয়েছিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। কিন্তু আইনি কাগজপত্র জমা না পড়ায় তাঁর জেলমুক্তি সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি গরু পাচারে ইডির করা মামলায় জামিন পেয়েছেন অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা মণ্ডল। জামিন পাওয়ার পর তিনি দিল্লিতেই ছিলেন। সোমবার রাতে তিহাড় জেলের তিন নম্বর গেট থেকে বেরিয়ে আসেন অনুব্রত। তাঁর পরনে ছিল হলুদ-ছাই রঙা টি-শার্ট। বাবাকে জেল থেকে আনতে গিয়েছিলেন মেয়ে সুকন্যাও।
পাহাড়ে গরম আবহাওয়া

ওয়েব ডেস্ক: সেপ্টেম্বরের শেষে দিকে পাহাড়ে শীতের আমেজ অনুভূত হয়। কিন্তু শরতে পাহাড়বাসীর মধ্যে শুরু হয়েছে ফ্যান, এসি কেনার ধুম। গরমের (Hot Weather) কারণে পর্যটকেরাও দুপুরে হোটেলের বাইরে বেরোচ্ছেনই না। হ্যাঁ, একদমই ঠিক পড়ছেন। হাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩০ বছরের উষ্ণতার রেকর্ড ভেঙেছে পাহাড়ে। শুধু দার্জিলিংই নয়, কালিম্পং, সিকিমেও একই পরিস্থিতি। চাহিদা বাড়ছে ফ্যান এবং বাতানুকূল যন্ত্রের। গত কয়েক দিন ধরে পাহাড়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে। সোমবার তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রির আশপাশে। আবহাওয়া দফতর বলছে, ক্রমশ উষ্ণতা বাড়ছে পাহাড়ে। পাশাপাশি গরমের জন্য পাহাড়ে পর্যটকের সংখ্যাও কমে আসছে। পর্যটন সংস্থাগুলো জানাচ্ছে, এটা পর্যটনের মরসুম নয়। তবু সেপ্টেম্বরে হোটেলগুলিতে ‘বুকিং’ নেহাত কম থাকে না। কিন্তু গরমের কারণে সেই সংখ্যাও তলানিতে পৌঁছেছে।
শুভঙ্কর সরকার নতুন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি

কলকাতা: অধীর চৌধুরিকে সরিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসে (Congress) বদল। বাংলার নয়া প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হলেন শুভঙ্কর সরকার। রাহুল গান্ধীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ তিনি। রাজনৈতিক মহলের অনুমান, তৃণমূলের সঙ্গে রাজ্যে ও কেন্দ্রের সমীকরণ ঠিক রাখতেই এই পদক্ষেপ। গোটা বাংলায় ক্ষয়িষ্ণু কংগ্রেস। সংগঠন একেবারে নড়বড়ে। সেখানে কংগ্রেসের হাল ধরতে প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর। ২০২৬ সালে বিধানসভা ভোট। তার আগে শুভঙ্করের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ এই পদ। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অধীর চৌধুরি কট্টর তৃণমূল বিরোধী। লোকসভা ভোটে কংগ্রেস-তৃণমূল জোট না হওয়ার কারণ হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পরোক্ষ ভাবে অধীর চৌধুরিকেই দায়ী করেছিলেন। এমনকী মল্লিকার্জুন খাড়গের ভালো নজরে ছিলেন না অধীর চৌধুরি। অন্তত কংগ্রেস সূত্রে এমনটাই জানা যায়। তাই ক্ষয়িষ্ণু থেকে ঘুরে দাঁড়াতেই এই বদল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। উল্লেখ্য, শুভঙ্কর সরকার ২০২৪ সালের ৩০ অগাস্ট সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সম্পাদক হিসাবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। এছাড়াও মেঘালয় প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি ও মিজোরাম প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির স্টেট ইন চার্জের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। এবার সেই শুভঙ্কর সরকারকেই বাংলায় প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি নিযুক্ত করা হল।
পশ্চিমবঙ্গবাসীর পাতে পড়বে বাংলাদেশি ইলিশ

ওয়েব ডেস্ক: পুজোয় এ বার পশ্চিমবঙ্গবাসীর পাতে পড়বে বাংলাদেশি ইলিশ (Hilsa Fish)। দুর্গাপুজোর আগে একটু-আধটু নয়, রাজ্যে বাংলাদেশের ইলিশ আসছে তিন হাজার টন! শনিবার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রক একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। পশ্চিমবঙ্গে তিন হাজার টন ইলিশ পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে সেখানে। শনিবার বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, দুর্গাপুজোর আগে তিন হাজার মেট্রিক টন ইলিশ পাঠানো হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ভারতের যে সকল ব্যবসায়ীরা মাছ আমদানির জন্য আগে আবেদন করেছিলেন, তাঁদের আর নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই। তবে নতুন করে যাঁরা আবেদন করতে চান, তাদের আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে হবে। পড়ুন সেই বিজ্ঞপ্তি-
জামিন পেলেন অনুব্রত

নয়াদিল্লি: দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট থেকে গরু পাচার মামলায় জামিন পেলেন বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। ১০ লক্ষ টাকার বন্ডে তাঁর জামিন মঞ্জুর হয়েছে। এর আগে সিবিআইয়ের মামলায় জামিন পেয়েছিলেন অনুব্রত। এ বার ইডির মামলাতেও তাঁর জামিন মঞ্জুর হল। ফলে তিহাড় জেল থেকে এ বার তিনি মুক্তি পেতে চলেছেন। পুজোর আগেই বীরভূমে ফিরছেন কেষ্ট। কিছু দিন আগে অনুব্রতের কন্যা সুকন্যা মণ্ডলও জামিন পেয়েছিলেন।
শনিবার থেকে বিভিন্ন হাসপাতালে জরুরি পরিষেবায় যোগ দেবেন আন্দোলনকারীরা

কলকাতা: গত ৯ অগস্ট আরজি করে (RG Kar) মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের ঘটনার পর থেকে কর্মবিরতি পালন করছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। গত ন’দিন ধরে সল্টলেকে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে তাঁদের ধর্না চলছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হয়েছে। বুধবার বৈঠক হয়েছে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের সঙ্গেও। আপাতত তাঁরা কর্মবিরতি আংশিক তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন, জানিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। জুনিয়র ডাক্তাররা সাংবাদিক বৈঠকে জানান, শুক্রবার থেকে কর্মবিরতি আংশিক তুলে নেওয়া হবে। ধর্নামঞ্চ উঠবে শুক্রবার থেকেই। বিকেল ৩টে নাগাদ ধর্নামঞ্চ থেকে সিজিও কমপ্লেক্স পর্যন্ত জুনিয়র ডাক্তারদের একটি মিছিল হবে। তার মাধ্যমেই অবস্থান তুলে নেওয়া হবে। শনিবার থেকে বিভিন্ন হাসপাতালে জরুরি পরিষেবায় যোগ দেবেন আন্দোলনকারীরা। একনজরে কী কী বললেন জুনিয়র ডাক্তাররা? আন্দোলনকারী ডাক্তার অনিকেত মাহাতো বলেন- ৯ অগস্টের ঘটনাকে আমরা প্রাতিষ্ঠানিক খুন বলে মনে করি। সেই জায়গা থেকে বুধবার মুখ্যসচিবের কাছে বৈঠকে আমাদের কিছু দাবিদাওয়া জানিয়েছিলাম। তার পর বৃহস্পতিবার একটি নির্দেশিকা এসেছে। কেন্দ্রীয় হেল্পলাইন নম্বর, প্যানিক বাটন চালু হয়েছে। কিন্তু কলেজে কলেজে যে ভীতির পরিবেশ রয়েছে, সে বিষয়ে রাজ্যের তরফে কোনও সদর্থক ভূমিকা নেই। আমাদের ন্যায়বিচারের লড়াই তাই শেষ হয়নি। সিজিও কমপ্লেক্স পর্যন্ত আমাদের যে মিছিল হবে, তা যেন বিচারের দাবিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। আপামর জনসাধারণকে সেই মিছিলে আমাদের সঙ্গে থাকতে অনুরোধ করছি। রাজ্যে যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, ডাক্তার হিসাবে তা আমরা এড়িয়ে যেতে পারি না। বন্যা কবলিত এলাকাগুলিতে আমরা শুক্রবার থেকে ক্যাম্প করব। জরুরি পরিষেবাতেও যোগ দেব। তবে আমাদের সুরক্ষা যত দিন না নিশ্চিত করা হচ্ছে, তত দিন লড়াই জারি থাকবে।
স্বাস্থ্যসচিবকে চিঠি মুখ্যসচিবের

কলকাতা: আরজি করের ঘটনার পর থেকে রাজ্যের সরকারি হাসপাতাল (Govt Hospital), মেডিক্যাল কলেজ ও অন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে চিকিৎসা পরিকাঠামো এবং চিকিৎসক, চিকিৎসাকর্মীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে একগুচ্ছ পদক্ষেপ করল নবান্ন। কী কী নির্দেশিকা একনজরে দেখে নেওয়া যাক- চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বসানো হবে ‘প্যানিক বাটন’। অভ্যন্তরীণ অভিযোগগ্রহণ কমিটি (ইন্টারনাল কমপ্লেন্টস্ কমিটি) এবং অন্য কমিটিগুলিকে সম্পূর্ণ রূপে সচল রাখতে হবে। কেন্দ্রীয় ভাবে একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করতে বলা হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই হেল্পলাইন নম্বর দ্রুত চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী তথা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত পুলিশকর্মী মোতায়েন রাখতে হবে। বিশেষ করে মহিলা পুলিশকর্মীর সংখ্যা যাতে পর্যাপ্ত থাকে, সে দিকে গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। রাতে প্রতিটি হাসপাতালে স্থানীয় থানার পুলিশের টহলদারি দলও রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজে সিকিউরিটি অডিটও করা হবে। এর দায়িত্বে অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস তথা প্রাক্তন ডিজি সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ। প্রতিটি হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তারদের জন্য পৃথক বিশ্রামঘর ও শৌচালয়ের ব্যবস্থা করা হবে। হাসপাতালে পানীয় জলের বন্দোবস্ত যাতে ঠিকঠাক থাকে, সে দিকেও নজর রাখতে হবে। সরকারি হাসপাতালগুলিতে কতগুলি শয্যা ফাঁকা রয়েছে, সেই সংক্রান্ত প্রতি মুহূর্তের তথ্য কেন্দ্রীয় ভাবে রাখার বন্দোবস্ত করতে হবে। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য প্রতিটি হাসপাতালে এই সংক্রান্ত একটি ডিসপ্লে বোর্ড রাখতে হবে। কোনও রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় ভাবে একটি ‘রেফারেল সিস্টেম’ দ্রুত চালু করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ডাক্তার, নার্স ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের শূন্যপদ দ্রুত নিয়োগের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। রোগী ও তাঁদের পরিজনদের অভিযোগ জানানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থা করতেও বলা হয়েছে ওই চিঠিতে।
মন্ত্রিসভা অনুমোদন করল ‘এক দেশ এক ভোট’

নয়া দিল্লি: ‘এক দেশ এক ভোট’ কার্যকরের দিশানির্দেশিকা খুঁজতে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর কোবিন্দের নেতৃত্বে কমিটি গড়েছিল মোদী সরকার। লোকসভা ভোটের আগেই গত ১৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে গিয়ে একসঙ্গে লোকসভা এবং সব ক’টি বিধানসভার নির্বাচন করানোর সুপারিশ করে আট খণ্ডে বিভক্ত ১৮ হাজার পাতার রিপোর্টটি জমা দিয়েছিল কোবিন্দ কমিটি। এদিন সেই রিপোর্টেই সিলমোহল দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে বলেন, বিভিন্ন মঞ্চে আলোচনার পরেই কোবিন্দ কমিটির রিপোর্ট অনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাঁর ইঙ্গিত, সংসদের আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে বিলটি পেশ করা হতে পারে। আর মন্ত্রিসভায় এটি পাশ হওয়ার ফলে সংসদের অধিবেশনে এই নীতি কার্যকর করার লক্ষ্যে কেন্দ্র বিল পাশে সক্রিয় হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী?

কলকাতা: ‘ম্যান মেড বন্যা’। বাংলার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে ফের কেন্দ্রকে দুষলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । এদিন দুপুরে পুরশুড়ার একটি সেতুতে দাঁড়িয়ে প্লাবন দেখে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। জানিয়েছেন, কেন্দ্রের অসহযোগিতা এবং উদাসীনতায় বাংলায় প্লাবন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আঙুল তোলেন ডিভিসি-র দিকেও। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘সাড়ে তিন লক্ষ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে ডিভিসি থেকে। আমি নিজে ডিভিসি-র সঙ্গে কথা বলেছি। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। এত জল এর আগে ছাড়া হয়নি।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘যখন ৭০-৮০ শতাংশ জল ভরে যায়, তখন কেন জল ছাড়ে না ডিভিসি? কেন্দ্র ‘ড্রেনেজ’ করে না। নিজেদের রাজ্যগুলোকে বাঁচাচ্ছে। আর সবটা বাংলার উপরে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলা আর কত বঞ্চনা সহ্য করবে?’’ মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ‘‘পরিকল্পিত ভাবে বাংলাকে ডুবিয়েছে।’’




