আজ কালীপুজো, আবহাওয়া কীরকম থাকবে?

কলকাতা: দানা নিয়ে চিন্চার ভাঁজ ছিল বঙ্গবাসীর। এমনকী কালীপুজোয় কি দানা এফেক্ট থাকবে সেই নিয়েও আলোচনা হয়েছে বিস্তর। কিন্তু স্বস্তির খবর, বাংলায় সেভাবে কোনও আফটার এফেক্ট ফেলতে পারেনি ঘূর্ণিঝড় দানা। তাহলে কেমন থাকবে কালীপুজোর আবহাওয়া? হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, কালীপুজো ও দীপাবলির সময় হালকা হিমেল হাওয়া বইবার সম্ভবনা। বেশ মনোরম পরিবেশে কালীপুজো ও দীপাবলি উদযাপনের সম্ভবনা রয়েছে। জেলায় জেলায় আংশিক মেঘলা আকাশ থাকতে পারে। কোথাও কোথাও বৃষ্টির সম্ভবনা। ক্রমশ শুষ্ক হতে পারে আবহাওয়া। মরসুমের প্রথম শুষ্ক হিমেল পরশ থাকতে পারে। তবে শীত পড়তে পারে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ নাগাদ।

অযোধ্যাকে আলোয় সাজিয়ে তোলা হচ্ছে

ওয়েব ডেস্ক: দীপাবলিতে বারাণসী এবং অযোধ্যাকে আলোয় সাজিয়ে তোলা হয় প্রতি বছরই। এই দীপোৎসবকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নতুন নতুন রেকর্ডের উদ্যোগও নেওয়া হয়। এ বার এই দীপোৎসবের কেন্দ্রবিন্দু অযোধ্যার রাম মন্দির। কারণ, এ বছর জানুয়ারিতে উদ্বোধন করা হয় রামমন্দিরের। সেই দিক থেকে এ বছরই প্রথম দীপাবলি। প্রশাসন সূত্রে খবর, এ বার সরযূ নদীর তীরে ২৮ লক্ষ প্রদীপ জ্বালানো হবে। আর এই দীপোৎসবের মধ্যে দিয়েই নতুন রেকর্ডের প্রস্তুতিও তুঙ্গে অযোধ্যায়। এই দীপোৎসবের জন্য বিশেষ প্রকৃতিবান্ধব দীপ আনানো হয়েছে। রাম মন্দির সেজে উঠবে সেই প্রকৃতিবান্ধব দীপে। যাতে মন্দিরের কোনও রকম ক্ষতি না হয়, সে কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন এক প্রশাসনিক আধিকারিক।

কালীপুজোয় কেমন থাকবে আবহাওয়া?

কলকাতা: ‘দানা’র প্রবাবে বাংলায় এখন নিম্নচাপের মেঘ কাটলেও, মাঝে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে। বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে কয়েকটি জেলায়। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার প্রধানত আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে। মাঝে মাঝে সম্পূর্ণ মেঘলা আকাশ এবং বজ্র বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। তবে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। রবিবার অর্থাৎ গতকাল থেকে শুষ্ক আবহাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে গোটা দক্ষিণবঙ্গে। পাশাপাশি কালীপুজো এবং দীপাবলির সময় শুষ্ক এবং হিমেল হাওয়া বইতে পারে। অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে কালীপুজো এবং দীপাবলি উদযাপনের পূর্বাভাস রয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে।  

নবান্নে কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী? পড়ুন

কলকাতা: রাজ্যে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র প্রভাবে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে দুর্যোগ-পরবর্তী পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কোনও শৈথিল্য রাখতে চাইছে না নবান্ন। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক থেকে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের কাছে সংশ্লিষ্ট জেলার পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বসেই প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন তিনি। বিশেষ ভাবে নজর দিতে বলেন উপকূলবর্তী দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার পরিস্থিতির উপরে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দুর্যোগে বহু চাষের জমি নষ্ট হয়েছে।” এই সূত্রেই তিনি কৃষকদের ক্ষতি কতটা, তা যাচাই করতে সমীক্ষা করানোর নির্দেশ দেন। বিভিন্ন ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নেওয়া মানুষজন যাতে এখনই নিজেদের বাড়ি না ফেরেন, তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি জমা জল থেকে মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাবের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মশারি বিলির পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, “যেখানে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ রয়েছে, সেখানে মশারি দিতে হবে।” আবহাওয়া পরিস্থিতির সম্পূর্ণ উন্নতি না-হওয়া পর্যন্ত ত্রাণ শিবিরগুলি চলবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিভিন্ন রোগের হানা রুখতে মেডিক্যাল ক্যাম্প চালানোর নির্দেশ দেন তিনি। পর্যাপ্ত ত্রাণের বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কতদিন বৃষ্টি চলবে কলকাতা আর দক্ষিণবঙ্গে?

কলকাতা: আজ অর্থাৎ শনিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমবে, জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বৃষ্টি কমলেও এখনই অবশ্য বর্ষণে বিরাম নেই। আগামী ছ’দিন কমবেশি বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গে। আলিপুরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার থেকে পরবর্তী ছ’দিন দক্ষিণবঙ্গের সব ক’টি জেলাতেই কমবেশি বৃষ্টি হতে পারে। বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা অথবা মাঝারি বৃষ্টিতে ভিজতে পারে দক্ষিণবঙ্গ। এখনও পর্যন্ত যা পূর্বাভাস, তাতে কালীপুজোতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে কোথাও কোথাও। উত্তরবঙ্গের কোথাও আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। অন্যদিকে, হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার দক্ষিণবঙ্গের তিন জেলায় শুধু আবহাওয়া সংক্রান্ত সতর্কতা জারি করা থাকছে। সেগুলি হল ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর। বিক্ষিপ্ত ভাবে এই সব জেলায় শনিবারও ভারী বৃষ্টি হতে পারে। তবে বাকি আর কোনও জেলাতেই শনিবার আবহাওয়া সংক্রান্ত কোনও সতর্কতা নেই।

‘প্রবল’ আকারেই ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র ‘ল্যান্ডফল’

কলকাতা: ‘প্রবল’ আকারেই ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র ‘ল্যান্ডফল’ হল। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ১২ মিনিটে ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ওড়িশার ভিতরকণিকা থেকে ধামারার মধ্যবর্তী স্থানে স্থলভাগ অতিক্রম করে ঘূর্ণিঝড়ের সামনের অংশ। এই সময় ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার ছিল। সর্বোচ্চ গতি ছিল ১২০ কিলোমিটার। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত এই ‘ল্যান্ডফল’ প্রক্রিয়া চলেছে। প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে তিন থেকে চার ঘণ্টা লাগবে বলে জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল, ‘দানা’র প্রভাবে কলকাতায় হাওয়ার সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার। কিন্তু ওড়িশায় ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর কলকাতায় রাত পর্যন্ত তেমন কোনও প্রভাব দেখা যায়নি। মাঝেমাঝে বিক্ষিপ্ত ভাবে ঝিরঝিরে বৃষ্টি হয়েছে শহরে। কিন্তু সকাল থেকে বৃষ্টির পরিমান বেড়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলে অবশ্য রাত থেকে ঝড়বৃষ্টি চলছে।‌

৫ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে ‘পুষ্পা ২’

ওয়েব ডেস্ক: চলতি বছরে স্বাধীনতা দিবসে ‘পুষ্পা ২’-এর মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভিএফএক্সের কাজ শেষ না হওয়ায় নির্মাতারা ছবির মুক্তি পিছিয়ে ডিসেম্বরে চূড়ান্ত করেন। কথা ছিল ৬ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে এই ছবি। কিন্তু ফের তারিখ পরিবর্তন। পূর্ব নির্ধারিত তারিখের একদিন আগে প্রেক্ষাগৃহে আসতে চলেছে পুষ্পা রূপী অল্লু। অভিনেতার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট দিয়ে জানানো হয় ছবিমুক্তির নতুন তারিখ ৫ ডিসেম্বর। উল্লেখ্য, গতবারের বিপুল সাফল্যের পর এ বার একেবারে নিখুঁত ভাবে দর্শকের সামনে আনতে চাইছেন পুষ্পাকে। মাঝে অবশ্য দুটি পোস্টার ও একটি গান মুক্তি পেয়েছে। ছবির পোস্টারে অল্লুর রূপসজ্জা নিয়ে চর্চা হয়েছে বিস্তর।

চোখ থাকবে না দানার

ওয়েব ডেস্ক: সমুদ্রের উপর থেকে ঘূর্ণিঝড় ঘুরতে ঘুরতে যখন স্থলভাগের দিকে এগোয়, তখন তার কেন্দ্রে একটি আপাত শান্ত অঞ্চল তৈরি হয়। সেখানে হাওয়ার বেগ তুলনামূলক কম থাকে। ‘ল্যান্ডফলের’ সময় ঝড়ের ওই কেন্দ্র যখন স্থলভাগে প্রবেশ করে, তখন ঘূর্ণিঝড়ের দাপট হয় সবচেয়ে বেশি। আবহবিদদের মতে, অনেক ক্ষেত্রেই ‘চোখ’ তৈরি হয় না ঘূর্ণিঝড়ের। এটি তার অবস্থান, গতিপথের উপর নির্ভর করে। ‘দানা’র ক্ষেত্রেও ‘চোখ’ থাকছে না। অন্যদিকে, স্থলভাগে ঢুকে পড়েছে ঘুর্ণঝড় ‘দানা’। ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। চলবে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত। রাত সাড়ে ১১টার বুলেটিন অনুযায়ী, পারাদীপ থেকে আর মাত্র ৫০ কিমি দূরে রয়েছে ‘দানা’। ওড়িশার ধামারা থেকে ৪০ কিমি দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্ব এবং পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ থেকে ১৭০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে রয়েছে ঘূর্ণিঝড়। ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’র ‘ল্যান্ডফল’ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ওড়িশার উপকূলে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে। সমুদ্রে ঘূর্ণিঝড়ের গতি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ছ’ঘন্টায় ঘূর্ণিঝড় ১৫ কিলোমিটার বেগে স্থলভাগের দিকে এগিয়েছে।  

ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করল ইউনুস সরকার

ঢাকা: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের ছাত্রশাখা ছাত্রলীগকে ‘নিষিদ্ধ’ ঘোষণা করল মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এ কথা জানানো হয়েছে। লিখিত বিবৃতিতে একই কথা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর দফতরের সিনিয়র সচিব মহম্মদ আবদুল মোমেনও। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহ্যবাহী ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ইউনুস সরকারে জানিয়েছে, ‘সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯’ অনুযায়ী এই পদক্ষেপ। ওই আইনের তফসিল-২–এ ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ’ নামের ছাত্রসংগঠনকে নিষিদ্ধ তালিভুক্ত করার কথাও বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা–পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে, বিশেষ করে বিগত ‘১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনে’ (হাসিনার প্রধানমন্ত্রিত্বের সময়) আওয়ামী লীগের শাখা সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হত্যা, নির্যাতন, গণরুমকেন্দ্রিক নিপীড়ন, ছাত্রাবাসে সিট বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন-সহ নানা জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। এমনকী গত ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পরও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক, ধ্বংসাত্মক ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী জড়িত সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলে দাবি অন্তর্বর্তী সরকারের।

ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’-র শেষ আপডেট জেনে নিন

কলকাতা: ‘দানা’ কখন ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে? এটাই এখন সবার প্রশ্ন। এ বিষয়ে মৌসম ভবনের দেওয়া শেষ তথ্য অনুযায়ী, নিম্নচাপটি সাগরদ্বীপ থেকে ৭৭০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। বুধবার দুপুরের মধ্যেই নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে তার নাম হবে ‘দানা’। কতদূরে কীভাবে জানা যাচ্ছে? নিম্নচাপের অবস্থান, গতিপ্রকৃতির উপর সর্বদা নজর রেখেছেন আবহবিদেরা। বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে উপগ্রহচিত্র। সেই সব ছবি থেকেই নিম্নচাপের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য নিয়ে আগাম সতর্ক করছে হাওয়া অফিস। হাওয়া অফিস সূত্রে আর কী জানা যাচ্ছ? হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে ঘণ্টায় ৬ কিলোমিটার বেগে নিম্নচাপ এগিয়ে আসছে। ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে ৬৭০ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশের খেপুপাড়া থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে নিম্নচাপটি। এখনও অবধি নিম্নচাপটির গতিপ্রকৃতি দেখে আবহবিদদের অনুমান, বৃহস্পতিবার সকালে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর ‘দানা’ প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। তার পর সেটি অগ্রসর হয়ে বৃহস্পতিবার রাত এবং শুক্রবার সকালের মধ্যে ওড়িশার পুরী এবং পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপের মধ্যবর্তী কোনও অংশ দিয়ে স্থলভাগে ঢুকতে পারে। ‘ল্যান্ডফলের’ সময় এটির সর্বাধিক গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টা ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার।