অন্তর্বর্তী জামিন অল্লুর

গত ৪ ডিসেম্বর রাতে হায়দরাবাদের সন্ধ্যা প্রেক্ষাগৃহে অল্লু অর্জুন (Allu Arjun) অভিনীত সিনেমা ‘পুষ্পা ২’-এর প্রিমিয়ার ছিল। তেলুগু অভিনেতা সেখানে পৌঁছতেই দর্শক এবং অনুরাগীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। ভিড়ের চাপে ভাঙে প্রেক্ষাগৃহের মূল গেট। পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় এক মহিলার। গুরুতর আহত অবস্থায় এখনও চিকিৎসাধীন ওই মহিলার সন্তান। অভিযোগ, অভিনেতার টিম অথবা ওই প্রেক্ষাগৃহ কর্তৃপক্ষের তরফে পুলিশকে পর্যাপ্ত তথ্য দেওয়া হয়নি। ফলে প্রেক্ষাগৃহে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ আগে থেকে মোতায়েন করা যায়নি। এই ঘটনার কারণে শুক্রবার সকালে গ্রেফতার করা হয় অল্লু অর্জুনকে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে হায়দরাবাদের নিম্ন আদালত অল্লুকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল। গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এফআইআর খারিজের আবেদন নিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিনেতা। তাঁর আবেদন মঞ্জুর হয়েছে। ৫০ হাজার টাকার বন্ডে তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দেয় তেলঙ্গানা হাই কোর্ট। উল্লেখ্য, অল্লু-সহ মোট সাত জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছিল। শুক্রবার অভিনেতার পাশাপাশি আরও দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সন্ধ্যা থিয়েটারের মালিকও। বাকি অভিযুক্তদেরও অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছে হাই কোর্ট।

রাজ্যে শৈতপ্রবাহের সতর্কতা

রাজ্যে ইতিমধ্যেই শীতর আমেজ অনুভূত হচ্ছে। আর এরমধ্যেই মরশুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহের খবর জানাল আবহাওয়া দফতর। অর্থাৎ শৈত্যপ্রবাহ হতে চলেছে রাজ্যে। ১৩ ডিসেম্বর শুক্রবার থেকে ১৫ই ডিসেম্বর রবিবার পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ রাজ্যের পশ্চিমের জেলায়। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত স্বাভাবিকের থেকে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি নিচে থাকবে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গে থাকবে কুয়াশার দাপট। দিনভর মোটের ওপর পরিস্কার থাকবে সারা পশ্চিমবঙ্গে। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আগামী ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে রাজ্যে। অবাধে চলবে উত্তুরে হাওয়া। আপাতত বৃষ্টির কোন সম্ভাবনা নেই। কোন জেলায় কবে শৈতপ্রবাহ হবে? আগামী ২৪ ঘন্টায় শৈত্য প্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের চার জেলায়। পুরুলিয়া পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় শৈত্য প্রবাহ চলতে পারে শুক্রবার। শনি ও রবিবারে শৈত্য প্রবাহের সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে পাঁচ জেলায়। বাঁকুড়া পুরুলিয়া পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম এই পাঁচ জেলায় শৈত্য প্রবাহ চলবে। ১৫ তারিখের মধ্যেই জেলাগুলোর তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত নিচে নেমে যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাতেও তাপমাত্রা স্বাভাবিক বা স্বাভাবিকের নিচে থাকবে। জমিয়ে শীত বা জাঁকিয়ে শীতের পরিস্থিতি দক্ষিণবঙ্গে।

রাজ্যসভায় তৃণমূল প্রার্থীর জয়লাভ শুধুই সময়ের অপেক্ষা!

রাজ্যসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করা হল। আজ সচিবালযয়ে তাঁর মনোনয়নপত্র পরীক্ষা হয়। অর্থাৎ, রাজ্যসভায় তাঁর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ এখন শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। আগামী শুক্রবার ঋতব্রতকে বিজয়ী সার্টিফিকেট দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। শনিবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করে ঘাসফুল শিবির। এদিন সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে একথা জানানো হয় তৃণমূলের তরফ থেকে। এই পোস্টে লেখা হয়, “আসন্ন রাজ্যসভার উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করা হচ্ছে। ওঁকে আমরা আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আশা করব, উনি রাজ্যসভায় তৃণমূলের যোগ্য উত্তরাধিকার বহন করবেন এবং প্রত্যেক ভারতীয়ের অধিকারের কথা বলে যাবেন।” প্রসঙ্গত, আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে গত সেপ্টেম্বর মাসে রাজ্যসভার সদস্যের পদ থেকে ইস্তফা দেন জহর সরকার। একইসঙ্গে তিনি রাজনীতি ছাড়ার কথাও ঘোষণা করে দেন। তিলোত্তমার বিচারের দাবিতে যখন উত্তাল ছিল বাংলা, সেই আবহে জহর সরকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি চিঠি লিখে পদত্যাগের কথা জানান। সেই চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, “গত এক মাস ধৈর্য ধরে আরজি কর হাসপাতালের ঘৃণ্য ঘটনার বিরুদ্ধে সবার প্রতিক্রিয়া দেখেছি আর ভেবেছি, আপনি কেন সেই পুরনো মমতা ব্যানার্জির মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে সরাসরি জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলছেন না। এখন সরকার যে সব শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে, তা এককথায় অতি অল্প এবং অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে।”

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে বাংলায় আরও ৩টি বিশ্ববিদ্যালয়

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে আরও তিনটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পেতে চলেছে বাংলা। আজ বিধানসভার অধিবেশনে দুটি ১)দ্য রামকৃষ্ণ পরমহংস ইউনিভার্সিটি বিল ২০২৪,  ২) ‘দ্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইউনিভার্সিটি বিল ২০২৪’নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন বিজেপির বিধায়ক শান্তনু পরামাণিক, আনন্দময় বর্মন, অম্বিকা রায়, শঙ্কর ঘোষ ও শাসক দলের তরুণ কুমার মাইতি,  রফিকুল ইসলাম মন্ডল, মঞ্জু বসু, মহম্মদ আলী, নির্মল ঘোষ, আইএসএফ এবং বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকি। বিলের উপর জবাবি ভাষণ দেন উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামাঙ্কিত এই প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হবে হুগলি জেলার ধনেখালিতে। কালীপদ সাহা মেমোরিয়াল ট্রাস্ট নামে এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ওই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করবে। এদিকে উত্তর ২৪ পরগণার আগরপাড়ায় রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করছে রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশন। এই সংক্রান্ত  ‘দ্য রামকৃষ্ণ পরমহংস বিশ্ববিদ্যালয় বিল ২০২৪’ নিয়ে  আলোচনায় বিরোধী বিধায়ক শান্তনু পরামাণিক বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে ভালো, তবে এর পরিকাঠামোর বিষয়টি স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে আলোচনা বা প্রদর্শন করলে ভালো হতো। কলেজ , বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ঠিকঠাক চলুক। শাসক দলের বিধায়ক তরুণ মাইতি বিলকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, জাতীয় শিক্ষা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ও মান্যতা দিয়ে এই বিল তৈরি হয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ন্যাক-এর গাইড লাইন  মেনে উচ্চমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের করতে হবে। নানান বিষয়ে এখানে পড়ানো হবে রিসার্চ ওর্য়াক থাকবে এই বিদ্যালয়ে। এখানে যেভাবে অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে, ভিজিটার চ্যান্সেলর থাকবে যা এক কথায় পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার ইতিহাসে ল্যান্ডমার্ক।

বাংলাদেশ ইস্যুতে বিধানসভায় গর্জে উঠলেন মমতা

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন অন্যদিকে কলকাতা সহ বাংলা-বিহার-ওড়িশা দখলের ডাক দিয়েছেন বিএনপি নেতা। বাংলাদেশি নেতাদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সোমবার বিধানসভায় (WB Legislative Assembly) দাঁড়িয়ে মমতা বলেন, যাঁরা বলছেন দখল করবেন, তাঁরা ভাববেন না, আমরা বসে ল্যাবেনচুস খাব। বিএনপি নেতাকে চরম কটাক্ষ করে বলেন, আপনার সেই ক্ষমতা নেই। কয়েকদিন আগেই বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনা কর্মীরা কলকাতা দখলের ডাক দিয়েছিলেন। বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভি কলকাতাসহ বাংলা-বিহার ওড়িশা দখলের ডাক দিয়েছেন। তা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। বাংলাদেশের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে সোমবার ভারত-বাংলাদেশ বিদেশ মন্ত্রক বৈঠকে বসেছিল। এদিন বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে মমতা বলেন, বাংলাদেশে যা চলছে তা আমরা ভালো চোখে দেখছি না। আমরা সমস্ত সম্পদ্রায়ের মানুষ একসঙ্গে কাজ করি। দাঙ্গা কিছু গুন্ডা করে। তিনি আরও বলেন, কিছু সংবাদ মাধ্যমের কাছে আবেদন কোনও একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ফেক ভিডিও চালিয়ে পরিস্থিতি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। এর থেকে বিরত থাকুন। সরকারের কিছু পলিসি আছে।অনেকে আসতে চাইছে,সেখানে বর্ডার সিকিউরিটি আটকাচ্ছে। প্লেনে আসছে। সবাইকে বলি প্ররোচনা সৃষ্টি হতে পারে এমন কোনও মন্তব্য করবো না, যাতে সবাই বিব্রত হয়। মুখ্যমন্ত্রী কড়া ভাষায় বলেন, এবিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের গাইড লাইন মেনে চলি। এমন একটা দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করবে বাংলা দেখিয়ে দেবে। পশ্চিমবঙ্গ বা ভারতের কোনও জায়গা দখলের মুরোদ নেই বাংলাদেশের। যদি কেউ বিচ্ছিন্ন করতে আসে তার জবাব পাবে। বাংলা বিহার নিয়ে নেবে আমরা বসে বসে ল্যাবেনচুস খাব। আমরা সবাই আমরা সবাইকে রক্ষা করবো। সেইসঙ্গে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত অখণ্ড। কেবিনেট যিনি গিয়েছেন,আশা করবো শান্তি ফিরে আসুক।অন্য কারও উস্কানিতে আমরা উস্কানি দিই। গরীব মানুষ রা আটকে যাচ্ছে।আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। বাংলাদেশের রাজনীতির সঙ্গে আমাদের কোনও যোগ নেই।

শীতের আমেজে বিরতি?

কলকাতায় শীতের দেখা নেই! তারমধ্যেই ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, কলকাতায় আজ মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে নিচে। আজ থেকে হাওয়া বদল এর ইঙ্গিত। সোমবার বাড়তে পারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। শীতের আমেজ থেকে আপাতত সাময়িক বিরতি পাবে শহরবাসী। মঙ্গলবার স্থিতাবস্থা বজায় থাকবে। বুধবার অথবা বৃহস্পতিবার থেকে ফের নামবে পারদ। কেমন থাকবে উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রা? পাহাড়ে বৃষ্টির আশঙ্কা। হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা পার্বত্য এলাকায়। রবিবার-সোমবার পর্যন্ত দার্জিলিং ও কালিম্পং পার্বত্য এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা। সোমবার দার্জিলিং কালিম্পং-এর সঙ্গে উত্তরবঙ্গের আরও তিন জেলা উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদাতেও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। কুয়াশার সম্ভাবনা দার্জিলিং কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ার জলপাইগুড়িতে। সকালের দিকে মাঝারি কুয়াশার সতর্কতা। কেমন থাকবে দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়া? দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। দক্ষিণবঙ্গের নয় জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা। মূলত হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা বিক্ষিপ্তভাবে দু-এক জায়গায়। আংশিক মেঘলা আকাশ দক্ষিণ বঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতে রবিবার ও সোমবার। কলকাতার আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৭ ডিগ্রি। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৭ ডিগ্রি।

শীত কবে আসছে?

ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ। ইতিমধ্যেই গুটি গুটি পায়ে আসতে শুরু করেছে শীত। ভোরের দিকে তাপমাত্রা বেশ নীচের দিকেই থাকছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা বাড়ছে। রাতের দিকে আবার শীত অনুভূত করা যাচ্ছে। শুক্রবারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৫ ডিগ্রি। তবে দিনের বেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮ ডিগ্রি। সপ্তাহান্তে শীতের আমেজ বাড়বে বলে জানিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। তবে রবিবার থেকে আবার আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে বলে জানানো হয়েছে। কলকাতায় (Kolkata) শীতের আমেজে সাময়িক বিরতি হতে পারে। সোমবার বাড়তে পারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত দার্জিলিং ও কালিম্পং পার্বত্য এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা। সোমবার দার্জিলিং কালিম্পং-এর সঙ্গে উত্তরবঙ্গের (North Bengal) উপরের দিকের আরও তিন জেলা আলিপুরদুয়ার জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে ও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal)। দক্ষিণবঙ্গের আট জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা। মূলত হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা বিক্ষিপ্তভাবে দু’ এক জায়গায়। আংশিক মেঘলা আকাশ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতে থাকবে রবিবার ও সোমবার। সোমবার বৃষ্টি হতে পারে মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়া জেলায়।

পানীয় জল সমস্যা, মুখ্যমন্ত্রীর ধমকের পর কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি নিয়ে নবান্নে বৈঠক

কেন্দ্রের একাধিক এজেন্সির গড়িমসিতে প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ, ৯ লক্ষ পরিবার জল (Water) পাচ্ছে না। মুখ্যমন্ত্রীর (Cm Mamata Banerjee) কড়া বার্তার পর কেন্দ্রের একাধিক এজেন্সিকে নিয়ে বৈঠকে নবান্ন। রেল, ডিভিসি, ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া, আইও সি এল  সহ কয়েকটি কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে এদিনের বৈঠকে ডাকল নবান্ন (Nabanna)। শুক্রবার সকাল ১১ টা থেকে মুখ্য সচিব এজেন্সি গুলিকে নিয়ে বৈঠক করেন বলে নবান্ন সূত্রে খবর। যে যে জায়গায় পানীয় জল দেওয়ার জন্য সংযোগ আটকে রয়েছে, সেই এলাকাগুলিতে সমস্যা সমাধান করে দ্রুত ছাড়পত্র দেওয়ার অনুরোধ মুখ্য সচিবের। ডিভিসিকেও পর্যাপ্ত জল দেওয়ার নির্দেশ মুখ্য সচিবের। দীর্ঘদিন ধরে সংযোগ সংক্রান্ত সমস্যা ফেলে রাখবেন না। কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে জানিয়ে দিল নবান্ন। উল্লেখ্য,জল জীবন মিশন প্রকল্পের আওতায় রাজ্যে গ্রামীণ প্রায় ১.৭৫ কোটি বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ পৌঁছনোর কথা রয়েছে। এখনও সেটি পৌঁছেছে ৯৩.৫০ লক্ষ পরিবারের কাছে। ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা  বিশবাঁও জলে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কেমন থাকবে আগামী কয়েক দিনের আবহাওয়া?

ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ। ইতিমধ্যেই গুটি গুটি পায়ে আসতে শুরু করেছে শীত। ভোরের দিকে তাপমাত্রা বেশ নীচের দিকেই থাকছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা বাড়ছে। রাতের দিকে আবার শীত অনুভূত করা যাচ্ছে। নিম্নচাপের প্রভাবের কারণে কদিন যাবত শীত দোরগোড়ায় এসে আটকে থাকেও এবার নিম্নচাপ অক্ষরেখা কেটে গেছে, তাই এবার দক্ষিণের জেলাগুলিতে সপ্তাহান্তে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। সকালের দিকে কুয়াশার দাপটও লক্ষ করা যাবে জেলায় জেলায়। উত্তরবঙ্গেও ইতিমধ্যেই স্বাভাবিকের নীচে তাপমাত্রা। দক্ষিণের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা আগামী ৪ থেকে ৫ দিনে কমবে বলেই জানা যাচ্ছে। তবে আকাশ পরিষ্কার থাকবে বলেই জানা যাচ্ছে। নেই বৃষ্টির সম্ভাবনা। ইতিমধ্যেই তা জানানও হয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে। যার জেরে এবার জাঁকিয়ে শীত অনুভূত করতে চলেছেন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও জারি রয়েছে কুয়াশার দাপট। গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ তাপমাত্রা অনেকটাই কমেছে। জানা যাচ্ছে কাল থেকেই শুরু হবে পারদ পতন। যার জেরে বোঝাই যাচ্ছে, এবার ধিরে ধিরে জাঁকিয়ে শীত অনুভূত হতে চলেছে।

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল তেলঙ্গানা

শক্তিশালী ভূমিকম্পে (Earthquake) কেঁপে উঠল দক্ষিণ ভারতের একাধিক রাজ্য। আজ বুধবার কম্পন অনুভূত হয়েছে তেলঙ্গানা, হায়দরাবাদ(Hyderabad) সহ অন্ধ্রপ্রদেশের বেশ কিছু জায়গায়। তেলঙ্গানার মুলুগুতে ভূমিকম্প আঘাত হানার পর পার্শ্ববর্তী রাজ্য মহারাষ্ট্রের নাগপুর, গাদচিরোলি এবং চন্দ্রপুর জেলায় কম্পন অনুভূত হয়। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, চন্দ্রপুরে শহরের কিছু অংশ, বল্লারপুর এবং তেলঙ্গানা সীমান্ত সংলগ্ন তহসিলগুলিতেও মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে। চন্দ্রপুরের কালেক্টর বিনয় গৌড়া বাসিন্দাদের আতঙ্কিত না হওয়ার আবেদন সহ সতর্ক থাকতে বলেছেন। ফের কম্পন অনুভূত হলে বাড়ির বাইরে খোলা জায়গায় চলে আসার নির্দেশ দেন। আইএমডি কর্মকর্তাদের মতে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ২০০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরে হালকা কম্পন অনুভূত হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি অনুযায়ী আজ বুধবার সকাল ৭.২৭ মিনিটে তেলঙ্গানার মুলুগু জেলায় কম্পন হয়েছে। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৩। কম্পনের উৎসস্থল ছিল ১৮.৪৪ ডিগ্রি উত্তর এবং ৮০.২৪ ডিগ্রি পূর্বে। ভূপৃষ্ঠ থেকে গভীরতা ছিল ৪০ কিলোমিটার অন্দরে। তবে কম্পনের কারণে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েচে মুলুগু জেলায়। কম্পনটি ছ’-সাত সেকেন্ড স্থায়ী হয়েছিল। আতঙ্কে মানুষ ঘর বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে। সিসিটিভি ফুটেজে রাস্তার ধারের বিভিন্ন দোকানের ফ্যান ও জানলা কেঁপে ওঠার দৃশ্য দেখা গেছে।