আরজি কর কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয় রায়

কলকাতা: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হলেন সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়। শনিবার শিয়ালদহ আদালতের বিচারক অনির্বাণ দাস ওই রায় ঘোষণা করেন (RG Kar Case Verdict)। আরজি কর-কাণ্ডে একমাত্র অভিযুক্ত হিসাবে সঞ্জয়ের নাম করেছিল সিবিআই। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪ (ধর্ষণ), ৬৬ (ধর্ষণের পর মৃত্যু) এবং ১০৩ (১) (খুন) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে সঞ্জয়কে। আগামী সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় রায় ঘোষণা করবে আদালত, জানালেন বিচারক অনির্বাণ দাস। রায় শুনে চোখে জল নির্যাতিতার বাবার।  তিনি বিচারকের উদ্দেশে বলেন, ‘‘আপনার উপর যে আস্থা ছিল, তার পূর্ণ মর্যাদা দিয়েছেন।’’  বিচারক দাস প্রত্যুত্তরে বলেন, ‘‘সোমবার আসুন।’’ বিচারক দাস সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় ঘোষের উদ্দেশে বলেন, ‘‘সিবিআই এবং সাক্ষীদের বয়ানের ভিত্তিতে যা মনে হয়েছে তাতে দোষী সাব্যস্ত করব আপনাকে। আপনার সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদণ্ড।’’ সেটা শুনে সঞ্জয় বলেন, ‘‘আমি কিছু করিনি। আমার গলায় রুদ্রাক্ষের মালা। আমার কথাটা এক বার শুনুন।’’ বিচারক রায় ঘোষণা করে বলে দেন, ‘‘সোমবার আপনার কথা শুনব।’’

আর কিছুক্ষণ পরেই আরজি কর কাণ্ডের রায়দান

সেই ২০২৪-এর ৯ অগাস্ট আর আজ ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি। মাঝখানে কেটে গিয়েছে পাঁচ মাস নয় দিন। শিয়ালদহ আদালতে (Sealdah Court) আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (RG Kar Medical College and Hospital) সেই নারকীয় কাণ্ডের আজ রায় ঘোষণা। এই শহর কিংবা এই রাজ্য শুধু নয়, গোটা দেশের নজর সেদিকেই। রায় ঘোষণা করবেন বিচারক অনির্বাণ দাস (Judge Anirban Das)। এই পাঁচ মাসে কতকিছু ঘটে গিয়েছে। শুরুতে কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police) তদন্তে নামে এবং দ্রুত ধর্ষণ-খুন কাণ্ডের একমাত্র অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে (Sanjay Ray) গ্রেফতার করে। এরপর তদন্তভার চলে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের (CBI) হাতে। তাদের জালে জড়ান আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল। তবে ধর্ষণ-খুনের মামলায় তাঁরা জড়াননি, জড়িয়েছিলেন তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে। তবে আপাতত দুজনেই জামিনে মুক্ত। এদিকে এই ঘটনার জেরে অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখেছিল মহানগরী। স্বতস্ফূর্ত প্রতিবাদের ঢল নামে রাজপথে, শহরতলির অলিগলিতে। আন্দোলনে নামেন সরকারি হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাঁদের কর্মবিরতি ঘোষণা, ধর্মতলায় আমরণ অনশনে বসা এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একাধিক আলোচনার পর কর্মবিরতি প্রত্যাহার, এই সবই ঘটে গিয়েছে এই পাঁচ মাসে। অন্যদিকে চলেছে সিবিআইয়ের তদন্ত। আরজি কর মামলায় মোট ৫০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে নিম্ন আদালত। সাক্ষ্য দিয়েছেন নিহত চিকিৎসকের পিতা, সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিক, কলকাতা পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিক, ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ এবং নিহতের কয়েকজন সহপাঠী। আজ সেই সমস্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ, পারিপার্শ্বিক প্রমাণে নজর রেখেই রায় দেবেন বিচারক। ১৮ জানুয়ারি এক বিশেষ দিন হতে চলেছে।

মেদিনীপুর হাসপাতালে সুপার সহ ১২ জন ডাক্তার সাসপেন্ড

মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রসূতি মৃত্যু কাণ্ডে আরএমও সহ ১২ জন সিনিয়র ও জুনিয়র ডাক্তার সাসপেন্ড। তাঁদের বিরুদ্ধে সিআইডি তদন্ত হবে। নবান্নে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ডিউটি থাকা সত্ত্বেও ডিউটি পালন করেননি যাঁরা, ট্রেনিদের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন যারা, রেজিস্টারে নাম পাওয়া গিয়েছে, তাঁদের মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। আমি ডাক্তারদের প্রতি সহানুভূতিশীল। মানবিক। অন্যায় হলে মানুষের দিকটা দেখাও আমাদের কর্তব্য। দুটো তদন্ত রিপোর্ট যখন আমার কাছে জমা পড়েছে। সব মিলিয়ে সিআইডি দেখবে। যেসব ডাক্তারদের সাসপেন্ড করা হয়েছে তাঁরা হলেন, ডা. সৌমেন দাস (আরএমও), দিলীপ পাল, হিমাদ্রি নায়েক, মহম্মদ আলাউদ্দিন, জয়ন্তকুমার রাউত, পল্লবী বন্দ্যোপাধ্যায়, মৌমিতা মণ্ডল, ভাগ্যশ্রী, সুশান্ত মণ্ডল, পূজা সাহা, মণীশ কুমার, জাগৃতি ঘোষ। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সব অপারেশন থিয়েটারের বাইরে সিসি ক্যামেরা লাগাতে বলব। কেউ না করলে তাঁকে অন্য জায়গা দেখে নিতে বলব। সিনিয়র ডাক্তারদের কাছে আমার অনুরোধ, আট ঘণ্টার যে ডিউটি অ্যালট করা আছে, অনেক সময় শুধু সই করে চলে আসেন। সরকারি চাকরি করব আবার একইসঙ্গে প্রাইভেটেও করব এমনটা হতে পারে না।

কেমন আছেন সইফ আলি খান?

গতকাল অর্থাৎ বুধবার মধ্যরাতে নিজের বাড়িতেই ছুরিকাহত সইফ আলি খান। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে। সেখানেই চলছে তাঁর অস্ত্রোপচার । জানা যাচ্ছে, গতকাল অর্থাৎ বুধবার অভিনেতা সইফ আলি খান নিজের বান্দ্রা ওয়েস্টের ফ্ল্যাটে ছিলেন। এগারো তলায় তাঁর ফ্ল্যাট। আর সেখানেই ঢুকে পড়ে এক ব্যক্তি। হঠাৎ করে সেই ব্যক্তি ঢুকে পড়ায় সাইফ আলি খানের বাড়ির পরিচারিকার সঙ্গে বেধে যায় বাকবিতন্ডা। ঝামেলার আওয়াজ শুনেই ছুটে আসেন সইফ আলি খান। ঝামেলা আটকানোর চেষ্টা করেন অভিনেতা। তখনই সেই অপরিচিত ব্যক্তি সাইফ আলি খানকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারেন। যার জেরে আহত হন তিনি। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে। সেখানেই হয় তাঁর অস্ত্রোপচার। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মুম্বই পুলিশ। সেই ব্যক্তির খোঁজ চলছে যার দ্বারা অভিনেতা আহত হন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আপাতত স্থিতিশীল সইফ।

নৌসেনা কতটা শক্তিশালী হল? কী বললেন মোদি

১৫ জানুয়ারি, সেনাবাহিনী দিবসে (Army Day) ভারতীয় নৌসেনায় সংযুক্ত হচ্ছে অত্যাধুনিক ও প্রবল ক্ষমতাশালী রণতরী, সাবমেরিন। বুধবার সেনাবাহিনী দিবসে মুম্বইয়ে নৌসেনার তিনটি যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। আইএনএস সুরাট, আইএনএস নীলগিরি এবং আইএনএস ভাগশির ওরফে ‘হান্টার কিলার’ সাবমেরিনকে জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করলেন মোদি। প্রবল ক্ষমতাশালী রণতরী, সাবমেরিন যুদ্ধজাহাজগুলি (warship) নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হলে, ভারতের সামুদ্রিক শক্তি বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এগুলিই পরবর্তীকালে দেশের সুরক্ষায় হয়ে উঠতে পারে গেম-চেঞ্জার। নৌবাহিনীর ক্ষমতাকে আরও বাড়াতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে একটি অত্যাধুনিক সাবমেরিন (submarine)। চিন – পাকিস্তানের উপর চাপ বাড়তে পারে। জলপথে চিন যে ভাবে শক্তি বাড়াচ্ছে তাতে নৌসেনার শক্তিবৃদ্ধির প্রয়োজন ছিল। এই স্করপিন যুদ্ধজাহাজগুলি অন্তর্ভুক্ত হলে, ভারতের সামুদ্রিক শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারত মহাসাগরে চিনের বাড়বাড়ন্ত রুখতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে এই নতুন সংযোজন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, ১৫ জানুয়ারি একটি ‘স্পেশাল ডে’। এদিনই নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে, 7400 টন আইএনএস সুরাত (INS Surat), 6670 টন আইএনএস নীলগিরি (INS Nilgiri), 1600 টন আইএনএস ভাগশির (INS Vagsheer)। মোদি বলেন, দুটি যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিন ,তিনটিই দেশকে প্রতিরক্ষার বিষয়ে অগ্রনী হওয়ার পথে অনেকটাই এগিয়ে দেবে। আত্মনির্ভর করে তুলবে ভারতকে। সেনার সামগ্রিক শক্তিবৃদ্ধিতে দারুণ কাজ করবে এই রণতরীগুলি, মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আইএনএস সুরাট উন্নতমানের গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার। এটি বিশ্বের বৃহত্তম মিশাইল ডেস্ট্রয়ারগুলির মধ্যে একটি। অটোমেশন এবং অর্ডন্যান্সের ক্ষেত্রেও অনেক বেশি উন্নত এই মডেল, যার সিংহভাগই নির্মাণ হয়েছে ভারতে। আইএনএস নীলগিরি ১৭এ স্টিলথ ফ্রিগেট প্রকল্পের প্রথম জাহাজ। শিবালিক-ক্লাসের ফ্রিগেটের তুলনায় এর প্রযুক্তি অত্যাধুনিক । রণতরীগুলির ডিজাইন তৈরি হয় দিল্লিতে নৌসেনার ওয়ারশিপ ডিজাইন ব্যুরো থেকে।

শীতের দেখা নেই মকর সংক্রান্তিতেও

মকর সংক্রান্তিতেও দেখা নেই শীতের। কনকনে ঠান্ডার আমেজের নামগন্ধ নেই বাংলায়। ফিকে হয়েছে শীত। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আসন্ন পাঁচদিন আবহাওয়ার বিশেষ বদল ঘটবে না। গত সপ্তাহে হাড়হিম করা ঠান্ডার আমেজ ছিল শহরে। যদিও দক্ষিণবঙ্গের মানুষ শীতের আমেজ উপভোগ করছেন এখনও কিছুটা। এই আবহেই দুই জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে আসন্ন ৫দিন তাপমাত্রার কোনও হেরফের হবে না। কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস  হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে দার্জিলিং, কালিম্পঙ ও আশেপাশের অঞ্চলে হালকা বৃষ্টির সম্ভবনা। কেমন থাকবে দুই বঙ্গের আবহাওয়া?  হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত কলকাতাসহ দুই বঙ্গের জেলায় জেলায় শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। কলকাতায় আবহাওয়ার পূর্বাভাস  সোমবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫. ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০. ৫ ডিগ্রি বেশি। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ ৮৯ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৫৩ শতাংশ।

মেদিনীপুর মেডিক্যালে স্যালাইন কাণ্ডে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ

কলকাতা: মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে গত শুক্রবার এক প্রসূতির মৃত্যুর পরেই তাঁকে দেওয়া রিঙ্গার্স ল্যাকটেট (আরএল) স্যালাইনের গুণমান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এর পরেই স্বাস্থ্য দফতর কড়া নির্দেশিকা জারি করে। তার পরই মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ঠিক কী ঘটেছিল, কার গাফিলতিতে এক প্রসূতির মৃত্যু হল, আদৌ আরএল স্যালাইনের ব্যবহারই এর জন্য দায়ী কি না ইত্যাদি খতিয়ে দেখতে ১৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বাস্থ্য দফতর। তারা মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে গিয়ে বেশ কিছু ওযুধ এবং স্যালাইনের নমুনা সংগ্রহ করে। কথা বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও। পাশাপাশি, মেদিনীপুর মেডিক্যালের অধ্যক্ষ মৌসুমী নন্দী এবং স্ত্রীরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধানকে এসএসকেএম হাসপাতালে ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করে তদন্ত কমিটি। স্বাস্থ্য দফতরের তদন্ত কমিটির প্রাথমিক রিপোর্টের কথা উল্লেখ করে সোমবার মুখ্যসচিব বলেন, ‘‘আমরা কোনও রকম গাফিলতি বরদাস্ত করব না। পরিষ্কার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে বিস্তারিত তদন্তের কথা বলেছি। সেই তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই পরবর্তী পদক্ষেপ।’’ তিনি জানান, বিস্তারিত রিপোর্টে যাঁরাই দোষী প্রমাণিত হবেন, তাঁদের বিরুদ্ধেই কড়া পদক্ষেপ করা হবে। ছাড় পাবেন না কেউই। শুধু তা-ই নয়, স্বাস্থ্য দফতরের তদন্ত কমিটির পাশাপাশি স্যালাইন-কাণ্ড নিয়ে তদন্ত করবে সিআইডিও।

জয়ললিতার বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তি ফিরে পেতে আত্মীয়দের আবেদন খারিজ

তামিলনাড়ুর (Tamilnadu) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জে জয়ললিতার (Jayalalithaa) বাজেয়াপ্ত হওয়া আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন বিপুল সম্পত্তি ফিরে পেতে তাঁর আত্মীয়রা আবেদন করেছিলেন। সেই দাবি খারিজ কর্নাটক হাইকোর্টে (Karnataka High Court)। আবেদনে বলা হয়, নিম্ন আদালত জয়ললিতাকে দোষী সাব্যস্ত করে। কিন্তু হাইকোর্ট তাঁকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয়। সেই রায়ের বিরুদ্ধে তামিলনাড়ু সরকারের আবেদন সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন থাকাকালীনই তাঁর মৃত্যু। তাই এক্ষেত্রে জয়ললিতাকে আসামি হিসাবে ধরা যাবে না। সেই কারণে তাঁর সম্পত্তি ফেরত দেওয়া উচিত। দ্বিতীয়ত, যে সময়কালের জন্য তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়, তার আগের সম্পত্তি ফেরত দেওয়া উচিত। বিচার চলাকালীন জয়ললিতার মৃত্যুর কথা জানানো হয় সুপ্রিম কোর্টকে। তার পরেও মৃতের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার সরকারি সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। পাল্টা সওয়াল সরকার পক্ষের। তাতে বিচারপতি ভি শ্রীশানন্দ জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্ট জয়ললিতার সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ প্রসঙ্গে সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। দ্বিতীয়ত, নিম্ন আদালত মৃতের আত্মীয়দের দাবি ‘মেরিট’-এর ভিত্তিতে খারিজ করেছিল। তাই মৃতের আইনি উত্তরাধিকারের দাবি গ্রহণযোগ্য নয়। আদালতের উপদেশ, আপনারা বরং জয়ললিতার নামে কোনও ফাউন্ডেশন স্থাপন করুন। সমাজে বিপুলসংখ্যক গরিব রয়েছেন। ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে তাদের জন্য খরচ করুন। তাঁদের আনন্দে রাখার চেষ্টা করুন। তার ফলে আপনারাও যেমন মানসিক সন্তুষ্টি পাবেন, তেমনি মৃতের আত্মাও শান্তি পাবেন। মনে রাখতে হবে, যা মেলে তা ঈশ্বরের দান। তাতেই সন্তুষ্ট থাকা উচিত। ঋণাত্মক অনেক কিছুই ঘটতে পারে। কিন্তু তার প্রতি মনোযোগ দিলে হবে না।

ঠান্ডায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

কনকনে ঠান্ডায় জুবুথুবু মানুষ (Winter Update)। তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে ১৩-এর ঘরে। শনিবার বছরের শীতলওম দিন। হাওয়া অফিস পূর্বাভাস দিয়েছে আপাতত বহাল থাকবে জাঁকিয়ে শীতের আমেজ। তাপমাত্রার খুব একটা হেরফের হবে না। তবে একাধিক জেলায় রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস (Rain Forecast Today)। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে শনি ও রবিবার তাপমাত্রার কোনও পরিবর্তন হবে না। সোমবার থেকে চড়বে পারদ। তাপমাত্রা বাড়বে তিন ডিগ্রি। হাড়হিম ঠান্ডায় বৃষ্টির সম্ভাবনা উত্তরবঙ্গে জেলায় জেলায়। ১৩ই জানুয়ারি দার্জিলিং, কালিম্পঙ এবং উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। দার্জিলিং এদিন তুষারপাতও হতে পারে। কেমন থাকবে দুই বঙ্গের আবহাওয়া? হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত দুই বঙ্গের জেলায় জেলায় শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকার সম্ভাবনা। কলকাতার আবহাওয়ার পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২২.৩ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে ২.৪ ডিগ্রি কম। এদিন শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৩ ডিগ্রির আশেপাশে। শহরে বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ৯২ শতাংশ সর্বনিম্ন ৫৫ শতাংশ।

সাসপেন্ড আরাবুল ও শান্তনু

কলকাতা: আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam) ও শান্তনু সেনকে (Santanu Sen) দল থেকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার জানিয়েছেন, বৈঠকে আলোচনার প্রেক্ষিতে আরাবুল এবং শান্তনুর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছে দল। জানা গিয়েছে, দলবিরোধী কাজের অভিযোগে ভাঙড়ের আরাবুল ইসলাম এবং চিকিৎসক নেতা শান্তনু সেনকে সাসপেনশনের পথে হেঁটেছে শাসকদল। এর আগেও আরাবুলকে দল সাসপেন্ড করেছিল ৬ বছরের জন্য। পরে তা প্রত্যাহার করে দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। গত পঞ্চায়েত ভোটে আরাবুল জয়ী হয়ে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যও হন। তবে সম্প্রতি গত ১ জানুয়ারি তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাদিবসে দলীয় পত্তাকা উত্তোলন করতে গিয়ে দলের আর এক গোষ্ঠীর সঙ্গে গন্ডগোলে জড়ান আরাবুল। একদা শিক্ষিকাকে জলের পাত্র ছুড়ে মারার অভিযোগে অভিযুক্ত আরাবুলের গাড়িতে সে দিন পাথর ছোড়েন তৃণমূলেরই কর্মীরা। ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভাঙড়ের তৃণমূল পর্যবেক্ষক তথা ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা আরাবুলকেই দায়ী করেন। তিনি জানান, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এ নিয়ে অভিযোগ জানাবেন। তার পরেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানা গেল। অন্যদিকে, দলের রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ তথা প্রাক্তন মুখপাত্র ডাঃ শান্তনু সেনকে নিয়েও দলের অস্বস্তি ক্রমশ বাড়ছিল। আর জি কর কাণ্ডের সময়ে তাঁর ভূমিকাকে ভালো চোখে দেখেনি তৃণমূল।