বিপাকে ইউনুস প্রশাসন, বন্ধ মার্কিন সহায়তা

বিরাট বিপাকে মহম্মদ ইউনুস (Md Yunus) প্রশাসন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সবরকম মার্কিন সহায়তা বন্ধ বাংলাদেশে (Bangladesh)। যার ফলে তলিয়ে যেতে পারে বাংলাদেশের টাকার মান। ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ক্ষমতায় এসেইে বাংলাদেশে অনুদান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলেন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত। সব আর্থিক সহায়তা বন্ধ। জারি নির্দেশিকা। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে নির্বাচনী প্রচারেই ট্রাম্প মুখ খুলেছিলেন। এবার আমেরিকা চাপ বাড়াল ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপর। এই ঘটনায় অনেকে মনে করছেন, এর ফলে ইউনুসকে সরানোর বার্তা দেওয়া হল। তা না হলে বাংলাদেশে সহায়তা করা হবে না। একইসঙ্গে শেখ হাসিনার ঢাকায় ফেরার রাস্তা প্রশস্ত হচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশে আমেরিকার অর্থ সাহায্যে চলা সব প্রকল্প বন্ধ হয়ে গেল। খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ক্ষেত্রে এর ফলে বড় সমস্যা তৈরি হতে পারে ঢাকায়। দ্য ইউনাইটেড স্টেট এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএইড) বাংলাদেশে সমস্ত সহায়তা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার অধীনে চুক্তিতে থাকা সব কাজ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শনিবার ২৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকারকে ইউএসএইডের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাতে লেখা হয়েছে, ‘ইমিডিয়েট স্টপ ওয়ার্ক অর্ডার\সাসপেনশন অফ অল অ্যাক্টিভিটিজ’। সেখানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের রেফারেন্স দিয়ে বলা হয়েছে, ‘রিএভালুয়েটিং অ্যান্ড রিঅ্যালাইনিং ইউনাইটেড স্টেটস ফরেন এইড’। সেখানে বাংলাদেশে সব অংশীদারদের বলে দেওয়া হয়েছে সব ধরনের কাজ দ্রুত বন্ধ করতে হবে। এমনিতেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা এখন টালমাটাল। ক্রমশ পড়ছে বাংলাদেশের মুদ্রা টাকার দাম। গত পাঁচ অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই এই হাল। মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার এই প্রেক্ষিতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যাঙ্ক, বিভিন্ন দেশের কাছে আর্থিক সহায়তা চাইছেন। তারই মধ্যে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে বিশ বাঁও জলে বাংলাদেশে। উল্লেখ্য আমেরিকা বিদেশে সব সহায়তা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শুধুমাত্র ইজরায়েল ও মিশরে সামরিক সহায়তা ছাড়া।
৩ জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস!

আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় নাজেহাল বঙ্গবাসী (Weather Update)। শীত যেন ‘এই আছি, এই নেই!’ জাঁকিয়ে শীতের আমেজ পেতে বারবার বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে পশ্চিমীঝঞ্ঝা (Winter Update in Kolkata)। হালকা শীতের দেখা মিললেই তাপমাত্রা বেড়ে যায় ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে মিলল স্বস্তির ইঙ্গিত। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফের শীতের নয়া ইনিংসের সাক্ষী থাকবে রাজ্যবাসী। পাশাপাশি, ৩ জেলায় রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। কেমন থাকবে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া? দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ছিল ঘন কুয়াশার দাপট। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ফের কামব্যাক করতে চলেছে শীত। দিনকয়েক বীরভূম ও পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা বেড়েছিল বেশ কিছুটা। শীতের শিরশিরানিও অনুভূত হয়নি। দক্ষিণবঙ্গেও তাপমাত্রার খুব একটা হেরফের না হলেও রাতের মধ্যেই বদলে যাবে আবহাওয়া। সেই সঙ্গে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলায় থাকবে শীতের দাপট। মোটের উপর আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক। সঙ্গে থাকবে কুয়াশার দাপট। কেমন থাকবে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া? হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহে উত্তরবঙ্গের ৩ জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস। দার্জিলিং, কালিম্পঙ ও জলপাইগুঁড়িতে হালকা বৃষ্টির সম্ভবনা। অন্যান্য জেলাগুলিতে জারি কুয়াশার সতর্কতা। ৩ জেলা ছাড়া বাকি জেলাগুলিতে আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক। রবিবারের মধ্যে এক ধাক্কায় ৩-৪ ডিগ্রি তাপমাত্রার পতন। কলকাতার আবহাওয়ার আপডেট এদিন কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রবিবার থেকে বদলাতে শুরু করবে আবহাওয়া। আগামী ৩ দিনে জাঁকিয়ে শীত পড়ার সম্ভবনা।
কলকাতার রাস্তায় রোবট কুকুর!

কলকাতার (Kolkata) রেড রোডে চলছে উৎসবের প্রস্তুতি। এর মাঝে এবছর ভারতের সেনার এক অভিনব প্রদর্শনী সকলের নজর কেড়েছে। রেড রোডের কুচকাওয়াজে এই প্রথমবার অংশ নিতে চলেছে এক ‘রোবট কুকুর’ (Robotic Dog), যার পোশাকি নাম মাল্টি ইউটিলিটি লেগ্ড ইকুইপমেন্ট বা সংক্ষেপে মিউল (MULE)। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই অত্যাধুনিক যন্ত্র কেবল এক প্রদর্শনী নয়, বরং ভারতীয় প্রতিরক্ষার নতুন শক্তির প্রতীক। আসলে ‘মিউল’ হল একটি রোবটিক কুকুর, যা মূলত সেনাবাহিনীর (Indian Army) বিশেষ কাজে ব্যবহৃত হয়। এর ডিজাইন এমনভাবে করা হয়েছে, যাতে এটিকে রিমোটের মাধ্যমে পরিচালনা করা যায়। তবে প্রয়োজনে নিজে থেকে বেশ কিছু সিদ্ধান্তও নিতে সক্ষম এই রোবট কুকুর। এটি যেমন ছুটতে পারে, তেমনই আবার বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। পাশাপাশি, বোমা নিষ্ক্রিয় করার মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজও করতে পারে এই মিউল। বিগত কয়েক বছর ধরে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। ভারতের সীমান্তে অনুপ্রবেশ রোধ এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে নজরদারি বাড়াতে এই ধরনের রোবটিক ডিভাইস অত্যন্ত কার্যকর। শুধু তাই নয়, যুদ্ধক্ষেত্রে জওয়ানদের নিরাপত্তার জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকাল থেকেই রেড রোড জুড়ে মহড়া চলছে। সেনাবাহিনীর জওয়ানরা যেমন কুচকাওয়াজে অংশ নিয়েছেন, তেমনি চলছে রোবোটিক ট্রেনিংও। মহড়া চলাকালীন বন্ধ রাখা হয়েছে পূর্ব ও পশ্চিম হসপিটাল রোড, কুইন্স লেন, খিদিরপুর রোড এবং রানি রাসমণি রোডের একাংশ। এদিন মিউলের উপস্থিতি কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে পথচারীদের মধ্যে।
ঘন কুয়াশার দাপট কলকাতায়

রাজ্যে শীতের দেখা না মিললেও, ঘন কুয়াশার দাপট অব্যাহত। সকাল থেকেই কুয়াশার ছাদরে মুড়ে থাকছে গোটা এলাকা। বাদ নেই কলকাতাও। গত দুদিন ধরে কলকাতায় ঘন কুয়াশার দাপট অব্যাহত। এর আগেও কুয়াশার চাদরে মুড়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল তিলোত্তমাকে, কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা মিলচ্ছিল কড়া রোদেরও। তবে বিগত দুদিন ধরে ঠিক যেন উল্টো! কুয়াশার দাপট যেন ১০ গুন বেশি শহর কলকাতায়, এমনকি বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেও সেই কুয়াশার দাপট সমান ভাবে অব্যাহত! আর এবার সেই কারণেই ব্যহত হল কলকাতার বিমান পরিষেবা। জানা যাচ্ছে, কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারে নেমে যায়, যার জেরে ব্যাহত হয় বিমান পরিষেবা। ইতিমধ্যেই আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পর পর পশ্চিমী ঝঞ্ঝা অব্যাহত। যার জেরে রাজ্যে এই সপ্তাহে অন্তত দেখা মিলবেনা শীতের। তবে বিগত তিন চারদিন ধরে তাপমাত্রা বেশি থাকলেও, সপ্তাহান্তে অর্থাৎ রবিবার তাপমাত্রা আবার নিম্নমুখী হবে বলে জানা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে এর আগেই রাজ্য জুড়ে ঘন কুয়াশার দাপট জারি করা হয়েছিল? কিন্তু কেন? আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকবে রাজ্যে। যার জেরে আজ সারাদিনই কুয়াশায় মোড়া থাকতে পারে সমস্ত এলাকা। কড়া রোদের দেখা পাওয়া যাবেনা খুব একটা। আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ঘন কুয়াশার দাপট বজায় থাকবে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াতে।
শীত ফিরছে বঙ্গে?

ভোর থেকেই কুয়াশার চাদরে আচ্ছন্ন কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য দিন দেখা যায় কুয়াশার দাপট কমে কিন্তু আজ তার উল্টো, বরং সমান ভাবে বজায় রয়েছে কুয়াশার দাপট। ভোর বেলাতে দৃশ্যমানতাও বেশ কম ছিল। কিন্তু এর ফলে যে শীত অনুভূত বেশি হচ্ছে তা কিন্তু নয়। শীতের দাপট প্রায় নিস্পৃহ বললেই চলে। ইতোমধ্যেই আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পর পর পশ্চিমী ঝঞ্ঝা অব্যাহত। যার জেরে রাজ্যে এই সপ্তাহে অন্তত দেখা মিলবেনা শীতের। এমনকি শুক্রবার থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তাপমাত্রা আরও বাড়বে বলেই জানা যাচ্ছে। যার জেরে স্পষ্ট বঙ্গে আর জাঁকিয়ে শীতের সম্ভাবনা কোন ভাবেই নেই। তবে পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকলেও, উত্তরের জেলাগুলিতে সপ্তাহান্তে রয়েছে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং এবং কালিম্পঙে। আর দক্ষিণবঙ্গের সর্বত্রই বজায় থাকবে শুষ্ক আবহাওয়া। তবে কেন ভারী কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে? আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকবে রাজ্যে। যার জেরে আজ সারাদিনই কুয়াশায় মোড়া থাকতে পারে সমস্ত এলাকা। কড়া রোদের দেখা পাওয়া যাবেনা খুব একটা। আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ঘন কুয়াশার দাপট বজায় থাকবে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াতে। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ২৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে আশা করা যাচ্ছে সপ্তাহান্তে আবারও তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।
ট্যাংরায় হেলে পড়ল বহুতল

বাঘাযতীনের পর ট্যাংরা! ফের হেলে পড়ল বহুতল। বুধবার সকালেই ট্যাংরায় বহুতল হেলে পড়ার ঘটনা সামনে আসে। আর দুপুর হতে না হতেই সেই বহুতল ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিল কলকাতা পুরসভা। পুরসভার নির্দেশে এবার ভেঙে ফেলা হতে চলেছে ট্যাংরার ক্রিস্টোফার রোডের উপর অবস্থিত সবুজ বাড়িটি। ইতিমধ্যেই সেই বহুতল খালি করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। মাকিংয়ে চলছে সতর্কতামূলক প্রচারও। তবে এবার ফ্ল্যাট বাসিন্দারা বহুতল খালি করে দিলেও ফ্ল্যাটের টাকা দাবি করছেন। তবে কীভাবে ১১/২ ক্রিস্টোফার রোডের ওই নির্মীয়মাণ বহুতল বুধবার সকালবেলা হেলে পড়ল তা এখনও জানা যায়নি। তবে ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পরেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে, ক্রিস্টোফার রোডে ওই বহুতলে দীর্ঘদিন ধরে কাজ চলছিল। বাড়ির ভিতরের কাজ বাকি ছিল বলেই খবর। এরই মাঝে বুধবার সকালে স্থানীয়রা দেখেন বহুতলটি একদিকে হেলে পড়েছে পাশে বাড়ির গায়ে। পাশেই রয়েছে আরেকটি বহুতল, স্বাভাবিকভাবেই সেখানকার বাসিন্দারাও ভয়ে। খবর দেওয়া হয় পুরসভায়। কেন এই ঘটনা, কার গাফিলতিতে পুরোপুরি তৈরির আগেই বিপত্তি, সেই প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণের ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভার কোনও শর্তেই মানা হয়নি। পাশের বাড়িগুলির সঙ্গে যে নূন্যতম দূরত্ব রেখে নির্মাণকাজ করতে হয় সেই বিষয়টিও মানা হয়নি। অন্য দিকে, শহরে আরও একটি বাড়ি হেলে পড়ায় প্রশ্ন উঠেছে কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের কাজ নিয়েও। ওই এলাকার মাটি পরীক্ষা না করে কী ভাবে বহুতলটি নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ক্রিস্টোফার রোডের বাসিন্দারা। তবে এই ঘটনায় স্থানীয় কাউন্সিলারের দিকেও আঙুল তুলছে স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, এলাকার প্রায় সমস্ত বহুলতি নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়নি। সবই বেআইনিভাবে তৈরি আর সেই সমস্ত ঘটনা সম্পর্কে জানান কাউন্সিলার বলে দাবি বাসিন্দাদের।
অসুস্থ মোনালি ঠাকুর, ভর্তি হাসপাতালে

অনুষ্ঠানের মাঝে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়লেন মোনালি। মঙ্গলবার দিনহাটা উৎসবে গান গাইতে গাইতে অসুস্থ হয়ে পড়লেন গায়িকা মোনালি ঠাকুর (Monali Thakur)। তাঁর নিশ্বাস নেওয়ার সমস্যা হচ্ছিল। তড়িঘড়ি স্টেজ থেকে নেমে পড়েন। প্রথমে তাকে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে কোচবিহারে রেফার করা হয়। আপাতত তিনি কোচবিহারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহর বাবা প্রাক্তন মন্ত্রী কমল গুহর ৯৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দিনহাটা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। দিনহাটা সংহতি ময়দানে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেই অনুষ্ঠানে গান গাইতে এসেছিলেন গায়িকা। অনুষ্ঠান আচমকাই অসুস্থ বোধ করেন মোনালি। তাকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে মোনালি ঠাকুরের চিকিৎসাধীন গায়িকা। তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন চিকিৎসকরা।
সঞ্জয় রায়ের মৃত্যুদণ্ড চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে রাজ্য

সঞ্জয় রায়ের মৃত্যুদণ্ড চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হবে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এক্স হ্যান্ডলে একথা লিখেছেন। সোমবার আরজি কর হাসপাতালে তরুণী ডাক্তারকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে শিয়ালদহ নিম্ন আদালত। সঞ্জয়ের যাতে ফাঁসি হয় তার জন্য আবেদন জানাবে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানালেন, কেন এটি বেনজির ঘটনা নয়, তা শুনে তিনি স্তম্ভিত। মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ”আমি মনে করি এটা ‘রেয়ারেস্ট অফ রেয়ার কেস’। যার শাস্তি ‘ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট’। কীভাবে এই মন্তব্যে আসা যায় যে এটা রেয়ারেস্ট অফ রেয়ার কেস নয়? গত তিন-চার মাসে আমরা এধরনের ঘটনায় সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া নিশ্চিত করতে পেরেছি। তাহলে এই ঘটনায় কেন ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট দেওয়া হল না? আমি দৃঢ়ভাবে মনে করি এই ঘটনায় ক্যাপিটাল পানিশমেন্টের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করব।”নিম্ন আদালতে শাস্তি ঘোষণার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মালদহে জানিয়েছিলেন, এখনও দোষীর ফাঁসির শাস্তির দাবিতে তিনি অনড়। পরে এক্স হ্যান্ডলে এই ঘটনাকে জঘন্য অপরাধ বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, এর আগে আরজি কর কাণ্ডে ফাঁসি চেয়ে পথে নেমেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিবাদে ফেটে পড়েছিল সমাজ। হাসপাতালের ভিতরে কর্তব্যরত তরুণী ডাক্তারকে ধর্ষণ ও খুন করে কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায় (বহিষ্কৃত)।
সঞ্জয় রায়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

কলকাতা: আরজি কর কাণ্ডে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সঞ্জয় রায়ের। এদিন শিয়ালদহ আদালতে বিচারক অনির্বাণ দাস এই সাজা ঘোষণা করেন। এদিন সাজা ঘোষণার আগে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয় সঞ্জয় রায়কে। তারপরই সাজা ঘোষণা করেন বিচারক। এদিন সিবিআই জানিয়েছে বিরলের মধ্যে বিরলতম অপরাধ এটি। চিকিৎসক ডিউটিতে ছিলেন। শুধু পরিবার এক জন সদস্যকে নয়, এক জন চিকিৎসককে সমাজ হারিয়েছে। কঠিন শাস্তির পক্ষে সওয়াল করা হয়। সঞ্জয়ের আইনজীবীরা দাবি করেন, এটা বিরলের মধ্যে বিরলতম ঘটনা নয়। মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করে সওয়াল করেন তাঁরা। এই সময়ে সঞ্জয় নির্লিপ্ত ভাবে দাঁড়িয়ে ছিল কাঠগড়ায়। এরপর বিচারক সবাইকে এজলাস ফাঁকা করে দেওয়ার কথা জানান। ২টো ৪৫ মিনিটে আবার কোর্ট বসে। তারপরই সাজা ঘোষণা করেন বিচারক অনির্বাণ দাস। সোমবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয় সঞ্জয় রায়কে। গ্রিন করিডর করে সঞ্জয়কে আদালতে আনা হয়েছিল। এদিন সকাল থেকে নিরাপত্তার কড়া চাদরে মোড়া ছিল শিয়ালদহ আদালত (Sealdah Court) চত্বর। আদালতের সামনে রয়েছে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা। ডিসি গৌরব লাল থেকে ইন্সপেক্টর এবং এসআই পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিক এবং কর্মীরা নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। প্রসঙ্গত, গত শনিবার ১৬২ দিনের মাথায় আরজি কর মামলায় সঞ্জয়কে দোষী সাব্যস্ত করেছিল শিয়ালদহ আদালত। সে দিন সঞ্জয় আদালতে নিজেকে নির্দোষ বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন তাকে ফাঁসানো হয়েছে। তারপরই সঞ্জয়ের উদ্দেশে বিচারক অনির্বাণ দাস বলেছিলেন,আমি সমস্ত তথ্য প্রমাণ পরীক্ষা করে দেখেছি আপনিই দোষী। শাস্তি আপনাকে পেতেই হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফর

কলকাতা: বছরের শুরুতেই জেলা সফরে মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ২০ জানুয়ারি সোমবার থেকে জেলা সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সফরকালে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে যোগদানের পাশাপাশি তিনি যেতে পারেন মালদহে খুন হওয়া তৃণমূল কাউন্সিলর দুলাল সরকারের (বাবলা) বাড়িতে। সূত্রের খবর, আগামী ২০ জানুয়ারি জেলা সফরে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মুর্শিদাবাদ, মালদহ এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সফরের প্রথম দিনেই দুপুর ১টা নাগাদ হাজারদুয়ারির পাশে নবাব বাহাদুর ইনস্টিটিউশনের মাঠে মুর্শিদাবাদ জেলার পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এরপরেই মুর্শিদাবাদ থেকে মালদহ যাবেন। মঙ্গলবার ওখান থেকেই পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠান সেরে তিনি যাবেন নিহত তৃণমূল নেতা দুলাল সরকার ওরফে বাবলা সরকারের বাড়িতে। সেখানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলবেন। বুধবার আলিপুরদুয়ার জেলার পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । সেই সঙ্গে মাদারিহাটে পরিষেবা প্রদান এবং বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে তাঁর যোগদান করার কথা রয়েছে। এক কথায় বলা যায়, আগামী সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রীর রয়েছে একগুচ্ছ কর্মসূচি। উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি নিজের খাসতালুক মহানন্দাপল্লিতে দুষ্কৃতীদের ছোড়া একাধিক গুলিতে নিহত হন দুলাল সরকার। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এখনও খুনের কারণ অজানা রয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বাবলা-খুনের তদন্তে ‘সিট’ গঠন করেছে পুলিশ। এই আবহে নিহত তৃণমূল নেতার বাড়ি যেতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।



