রাজীব কুমারের পরবর্তী উত্তরসূরি কে? বৈঠক সোমবার

পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারকে (Chief Election Commissioner Rajeev Kumar) । আগামী মঙ্গলবার তাঁর শেষ দিন। তার পদে পরবর্তী উত্তরসূরি কে হবেন, সেই বিষয় কেন্দ্র এখনও কিছু স্পষ্ট করেনি। চলতি বছরে বিধানসভা নির্বাচন (Assemble Election) রয়েছে বিহারে (Bihar)। ২০২৬ সালে বাংলা, তামিলনাড়ু (Tamilnadu) ও অসমে (Assam) ভোট রয়েছে। খুব স্বাভাবিকভাবে নয়া নির্বাচন কমিশনারের (Election Commission) হাতেই এই পরবর্তী ভোট পরিচালনার দায়িত্ব থাকবে। সূত্রের খবর, পরবর্তী নির্বাচন কমিশনার কে হবেন, তা নিয়ে আগামী সোমবারই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা। প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়াল, লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। ২০২২ সালের মে মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে বসেন রাজীব কুমার।  গত বছর লোকসভা নির্বাচন থেকে শুরু করে জম্মু-কাশ্মীরে এক দশকে প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনের তত্ত্বাবধানে ছিলেন তিনি। এছাড়া কর্নাটক, তেলঙ্গানা, মধ্য প্রদেশ, রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচনের ব্যবস্থাপনাও তিনি করেছিলেন। গত সপ্তাহেই দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হয়। সেই নির্বাচন দিয়েই নিজের দায়িত্ব শেষ করলেন।  বলা যেতে পারে, দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের আপের একরাশ অভিযোগ নিয়ে রাজীব কুমারের পদ থেকে অব্যাহতি পেলেন। প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারি মাসেই দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার সময়ই বলেছিলেন যে অবসর গ্রহণের পর ৪-৫ মাস হিমালয়ে কাটাবেন। রাজীব কুমারের বক্তব্য ছিল, “আমি আগামী চার-পাঁচ মাসের জন্য নিজেকে ডিটক্সিফাই করব। হিমালয়ে যাব, মিডিয়ার  থেকে দূরে থাকতে চাই। আমার একটু একাকীত্ব দরকার। রাজীব কুমার বিহার-ঝাড়খণ্ড ক্যাডারের একজন ১৯৮৪-ব্যাচের আইএএস অফিসার। রাজীব কুমারের পদের মেয়াদ একাধিক অভিযোগের মাধ্যমেই শেষ হল। দিল্লি নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে একাধিক  অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে আপ ও কংগ্রেস।

পাঁচ বছরে আমেরিকা ভারতের দ্বিগুণ বাণিজ্য

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সঙ্গে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) বন্ধুত্বের কথা সবাই জানেন। এমন হয়েছিল যে প্রোটোকল ভেঙে মোদি ট্রাম্পের জন্য ভোটও চেয়েছিলেন। এবার তা আরও গাঢ় হতে চলেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য দ্বিগুণ হতে চলেছে। যা ৫০০ বিলিয়ন ডলার হবে। আমেরিকায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে শুক্রবার এমনই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে আমেরিকার ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ছিল ১২৯ বিলিয়ন ডলারের। পুরনো বন্ধু রাশিয়া থেকে সরে গিয়ে তবে কি ভারত আমেরিকার দিকে আরও বেশি ঝুঁকতে চলেছে? রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরও পশ্চিমী বিশ্বের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে রাশিয়া থেকে তেল কিনেছে ভারত। এবার আরও বেশি প্রাকৃতিক তেল ও গ্যাস কেনা হবে আমেরিকা থেকে। মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প বলেন,  বিশ্বের সব থেকে পুরনো গণতন্ত্র আমেরিকা। বিশ্বের সব থেকে বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারত। আমি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করছি, যা একবিংশ শতাব্দীতে প্রত্যেক ক্ষেত্রে আমাদের অংশীদারিত্ব আমাদের অর্থনৈতিক চুক্তিগুলিকে আরও শক্তিশালী করবে। ভারতে সামরিক ক্ষেত্রে বিক্রি বাড়াবে। এফ ৩৫ বিমান দেওয়া হবে ভারতকে। কট্টর ইসলামিক সন্ত্রাসের হুমকির প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ। আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, ভারতের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো হবে। ভারতের সঙ্গে আগের চেয়ে আরও ভালো কাজ হবে। ভারত আমেরিকার পণ্যে শুল্ক কমিয়েছে। ৩০, ৪০, ৭০ পর্যন্ত শুল্ক চাপায় ভারত। যেমন ৭০ শতাংশ শুল্ক চাপানো হয় আমেরিকার গাড়িতে। যার ফলে গাড়ি বিক্রি অসম্ভব হচ্ছে। এটা দুই দেশের পদক্ষেপের উপর নির্ভরশীল। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও আমি শক্তি ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি করেছি। তেল ও গ্যাসের জোগান দেওয়া হবে ভারতকে। ভারত ও আমেরিকা একসঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় কাজ করবে। ভারত, ইজরায়েল, আমেরিকা,  বন্দর রেলওয়ে ও সমুদ্রের তলা দিয়ে কেবলের মাধ্যমে সংযুক্ত হবে। এদিন ট্রাম্পের কথায় জো বাইডেনের প্রশাসনের চেয়ে তাঁর আমলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো হবে। এমন কথাও শোনা গিয়েছে।

ডিএ বাড়ল বাজেটে

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। গ্রামীণ উন্নয়ন, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান থেকে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি। এরকম একগুচ্ছ বিষয় উঠে এল রাজ্য বাজেটে (West Bengal Budget 2025)। ছাড়া, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আবাস থেকে পথশ্রী— সব ক্ষেত্রেই বরাদ্দ বাড়ানো হল এ বারের বাজেটে। সকাল থেকে বাজেটের দিকে নজর রেখেছিল মহিলা ও রাজ্য সরকারি কর্মীরা। জনমোহিনী প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর আওতায় টাকা বাড়ানো হবে বলে জল্পনা ছিল। ৪ শতাংশ হারে সরকারি কর্মীদের ডিএ বাড়লেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Laxmir Bhandar) টাকা বাড়ছে না। এই বাজেটে সরকারি কর্মচারিরা সন্তুষ্ট হলেও বাংলার ‘লক্ষ্মীরা’ কি সন্তুষ্ট হলেন? সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ২০২১ রাজ্যে তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসে প্রতিশ্রুতি মতো বাংলায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী। এখন প্রায় ২ কোটিরও বেশি মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পান। তফশিলি জাতি এবং উপজাতিভুক্ত মহিলারা ১২০০ টাকা এবং জেনারেল শ্রেণিভুক্ত মহিলারা ১০০০ টাকা করে পান প্রতি মাসে। পঞ্চায়েত থেকে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল বিপুল সাফল্য পেয়েছে। এই সাফল্যের চাবিকাঠি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প (Laxmir Bhandar) জনমোহিনী প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এর আওতায় টাকা বাড়ানো হবে বলে জল্পনা ছিল। এদিন রাজ্য বিধানসভায় বাজেট পেশ হল, তাতে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পে টাকা বাড়ানো হল না। রাজ্য সরকারী কর্মীদের ডিএ থেকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আবাস থেকে পথশ্রী— সব ক্ষেত্রেই বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পের জন্য বাজেটে কোনও বরাদ্দ বাড়েনি। বাংলার মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে যে টাকা পেতেন সেই টাকাই পাবেন। একই থাকছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা। সরকারি কর্মচারিরা সন্তুষ্ট হলেও বাংলার ‘লক্ষ্মীরা’ কি সন্তুষ্ট হলেন?

উধাও শীত, বাড়বে তাপমাত্রা?

শীত (Winter) উধাও, এবার বাড়বে তাপমাত্রা (Temperature Rise)। আবহাওয়ার (Weather) খামখেলিপনার মাশুল গুণতে হচ্ছে বঙ্গবাসীকে (Sourth Bengal)। ভোরে হালকা ঠান্ডা, রাতে হালকা হিমেল পরশ থাকলেও এই ঠান্ডা উপভোগ্য নয়। চলতি মরশুমে বারবার পশ্চিমী ঝঞ্ঝায় (Western storm) রাজস্থানে ঘূর্ণাবর্ত (Cyclone in Rajasthan) তৈরি হয়েছে। সেইসঙ্গে উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশে রয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকেছে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। পাশাপাশি জেড স্ট্রিম উইন্ড রয়েছে উত্তর ভারতে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহ থেকেই শীতের বিদায় বেলা শুরু হবে। অর্থাৎ ২০২৫-এ এবারের মতো বিদায় নেবে শীত। আজ, মঙ্গলবার থেকে আগামী পরশু বৃহস্পতিবারের মধ্যে তাপমাত্রা ২থেকে ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। সকালে কুয়াশা থাকলেও বেলায় পরিষ্কার আকাশ। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা সকালের দিকে থাকবে। কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি থাকবে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায়। বাকি জেলাগুলিতে খুব সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকতে পারে। আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। অন্যদিকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দার্জিলিং, কালিম্পং জেলার পার্বত্য জেলায় বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। দার্জিলিংয়ের উঁচু পার্বত্য এলাকায় হালকা তুষারপাতের সামান্য সম্ভাবনা। উত্তরবঙ্গের থাকবে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুর জেলায় কুয়াশার আধিক্য দেখা যাবে। আগামী আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রার হেরফের হবে না, বৃষ্টিরও কোনও সম্ভাবনা নেই। আজ দিনের আকাশ ভোরে কুয়াশাচ্ছন্ন, বেলায় পরিষ্কার। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি এবং ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে ঘোরাঘুরি করবে।

বিদায় নিতে চলেছে শীত?

শীতের খামখেয়ালিপনা জারি রয়েছে রাজ্যজুড়ে। কখনও ঠাণ্ডা তো কখনও আবার প্রচণ্ড গরম। সকালবেলাতে আবার ঘন কুয়াশার দাপট। যদিও সেই কুয়াশার চাদর সড়ে যেতে দেখা যাচ্ছে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে। কড়া রোদের জেরে গা পড়ানো গরমের দাপটও অব্যাহত। আর এবার আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বাড়তে চলেছে তাপমাত্রা। যার জেরে স্পষ্ট ইঙ্গিত রাজ্যে শুরু হয়ে গেছে শীত বিদায় পর্বের প্রস্তুতি। এমনটাই জানাল আবহাওয়া দফতর। বসন্তের আগমন যে শুধু সময়ের অপেক্ষ তাও কিন্তু স্পষ্ট। কারণ ইতিমধ্যেই ইতিউতি শোনা যাচ্ছে কোকিলের ডাক। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, এই মাসের মাঝামাঝি রাজ্য থেকে পুরোপুরি ভাবে বিদায় নিতে চলেছে শীত। বৃহস্পতিবার থেকেই ২ থেকে ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়তে চলেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে দক্ষিণবঙ্গ থেকে শীত বিদায় নিলেও, উত্তরবঙ্গ থেকে এখনই কিন্তু বিদায় নেবেনা শীত। আগামী ২৪ ঘন্টায় দার্জিলিং ও কালিম্পঙের পার্বত্য এলাকায় রয়েছে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাসও। শীত বিদায় নিতে চললেও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় এখনও বজায় থাকবে কুয়াশার দাপট। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকবে বলে জানা যাচ্ছে। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় কম। রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আপাতত কলকাতায় নেই বৃষ্টির সম্ভাবনা। থাকবে শুষ্ক আবহাওয়া।

আজ শুরু মাধ্যমিক

আজ, সোমবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik Examination)। তার আগে রবিবার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি (Preparation)। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা বা সরকারি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা। তার আগে এদিন ছাত্রছাত্রীরা বইয়ের শেষ পাতা ঝালিয়ে নিতে ব্যস্ত। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলির সিসিটিভি, বসার ব্যবস্থা সহ সব কিছু সুষ্ঠুভাবে যাতে তা হয় তা খতিয়ে দেখতে এদিন তুঙ্গে ছিল আয়োজকদের ব্যস্ততাও। এবার পুরুলিয়া (Purulia) জেলায় মোট ৪৩ হাজার ১৬৪ জন পরীক্ষার্থী। তার মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ১৬০ জন। ছাত্রীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৪ জন। জেলায় মোট পরীক্ষাকেন্দ্র ১০৮টি। তার মধ্যে ঝালদা (Jhalda) মহকুমাতেই মোট মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯১৫০। মোট পরীক্ষা কেন্দ্র ২০টি। ঝালদা ১ নম্বর ব্লক এলাকায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬০২। সেখানে মোট পরীক্ষাকেন্দ্র ৫টি। জেলায় মাধ্যমিক পরীক্ষার আহ্বায়ক ডঃ সোমনাথ কুইরি জানিয়েছেন, জেলাজুড়ে নির্বিঘ্নে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সজাগ ও সতর্ক পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ কমিটি। ঝালদা সত্যভামা বিদ্যাপীঠ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অশোক মাহাতো জানান, পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শীতের কামব্যাক হবে?

কলকাতার আবহাওয়ায় (Kolkata Weather Update) ফের শীতের ছোঁয়া (Winter Update in Kolkata)। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির ঘরে নামলেও শনিবার তা আরও কমে পৌঁছেছে ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ফলে সকালের দিকে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। তবে দিনের বেলায় রোদের তেজ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের অনুভূতি কমে যাচ্ছে। তাপমাত্রার এই ওঠাপড়ায় সকাল-বিকেল গায়ে চাদর বা গরম পোশাক থাকলেও বেলা বাড়তেই তা খুলে রাখতে হচ্ছে শহরবাসীকে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টায় গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় পারদ আরও ২-৩ ডিগ্রি কমতে পারে। তবে ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ফের ২-৪ ডিগ্রি বাড়তে পারে। অর্থাৎ, কিছুদিনের জন্য শীতের আমেজ বজায় থাকলেও দ্রুতই তা কমে যাবে। একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও পারদ ২-৩ ডিগ্রি কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দক্ষিণবঙ্গে এখনই বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই, ফলে আবহাওয়া শুষ্কই থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কলকাতা-সহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে মেঘমুক্ত আকাশ এবং ঠান্ডা বাতাসের দাপট থাকবে। সকালে কিছু জায়গায় কুয়াশা দেখা যেতে পারে, তবে সারাদিন পরিষ্কার আকাশই থাকবে। রাতের দিকে আবার ঠান্ডার অনুভূতি খানিকটা বাড়তে পারে। উত্তরবঙ্গেও একই রকম আবহাওয়া থাকবে। হাওয়া অফিসের মতে, ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। পাহাড়ি এলাকায় তাপমাত্রা আরও কিছুটা নিচে নামতে পারে, তবে শীতল আবহাওয়ার সঙ্গে পরিষ্কার আকাশ থাকবে। ফলে দার্জিলিং, কালিম্পং-এর মতো পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে এখনো শীতের আমেজ পাওয়া যাবে। এদিন কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ১.৩ ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৩ শতাংশ এবং ন্যূনতম ৩১ শতাংশ। ফলে সকাল ও রাতের দিকে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হলেও বেলা বাড়লে উষ্ণতার ছোঁয়া লাগবে। তবে শীতের এই কামব্যাক কতদিন স্থায়ী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

ভোটে হারের পর কী বললেন কেজরিওয়াল?

দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে (Delhi Assembly Election Result 2025) বিপুল মার্জিনে জয় পেতে চলেছে বিজেপি (BJP)। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ৪৮টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। অনেকগুলি আসনে ইতিমধ্যে জয় ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। রাজধানী থেকে আপ (AAP) সরকারের বিদায়। শনিবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠকে এই রায় মেনে নেওয়ার কথা জানালেন আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। তিনি তাঁর আমলে যেসব কাজ হয়েছে দিল্লিতে তার একটি বিবরণ তুলে ধরেন। কেজরিওয়াল এদিন জানান, ১০ বছরে আমরা অনেক কাজ করেছি। দিল্লির পরিকাঠামোর ভোলবদলের চেষ্টা করেছি। আমরা শুধু দায়িত্বশীল বিরোধী হিসেবে থাকব তা নয়, জনতার সুখ দুঃখে কাজে আসব। রাজনীতিতে ক্ষমতার জন্য আসিনি। সেবা, মানুষের সুখ দুঃখের মাধ্যম হিসেবে রাজনীতি, সেটা করতে থাকব। এদিন সাংবাদিক বৈঠক করেন দিল্লির বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী অতিশীও। তিনি কালকাজি আসনে জয় পেয়েছেন। সেজন্য ওই বিধানসভার ভোটারদের ধন্যবাদ দেন। অতিশী বলেন, জনাদেশ মেনে নিচ্ছি। তবে লড়াই জারি থাকবে। উল্লেখ্য, ২৭ বছর পর দিল্লিতে ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি। বিপুল মার্জিনে এই জয়।

শীতের দেখা কবে মিলবে?

ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা রয়েছে বজায়। চিরকাল সরস্বতী পুজোয় দেখা মেলে শীতের, কিন্তু এবার সেটিও উধাও। একপ্রকার উষ্ণই কেটেছে সরস্বতী পুজো। যদিও সকাল হতে না হতেই দেখা মিলছে ঘন কুয়াশার দাপট। তবে তার জেরে শীতের দেখা নেই। উল্লেখ্য, আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বঙ্গে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পুরোপুরি ভাবে বিদায় নেবে শীত। তার আগে শীতের লুকোচুরি খেলা বজায় থাকবে। কোনদিন বাড়বে তাপমাত্রা, আবার কোনদিন হবে নিম্নমুখী। আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় উর্দ্ধমুখী হবে তাপমাত্রা। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২.৮ ডিগ্রি কম। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আজ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ সহ উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বজায় থাকবে শুষ্ক আবহাওয়া। তবে সপ্তাহান্তে ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

BGBS | মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে বিশেষ কমিটি

মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে ‘সিনার্জি’ কমিটি হচ্ছে। ১৫ দিন অন্তর ওই কমিটি বৈঠকে বসবে। বুধবার নিউটাউনে বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মলে সাংবাদিকদের এমনই জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মনে করা হচ্ছে বিনিয়োগের ক্ষেত্র শিল্পবান্ধব পরিবেশকে আরও গতিশীল করতে এই উদ্যোগ। যেসব বিনিয়োগ বিজিবিএসে আসছে তার যাতে দ্রুত রুপায়ণ হয় সেই জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদিন বিজিবিএসে মুকেশ আম্বানি জানিয়েছেন, রাজ্যে ৫০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চলেছেন তিনি। বৃহস্পতিবারও চলবে এই বাণিজ্য সম্মেলন। তাতে ৪০টি দেশের ২০০ জন প্রতিনিধি অংশ নিয়েছে।