রাজ্য়ে আরও প্যারা মেডিক্যাল কর্মী নিয়োগ

রাজ্যে আরও পাঁচ হাজার প্যারা মেডিক্যাল কর্মী (Paramedical Staff) নিয়োগ হবে। সোমবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে ডাক্তারদের সঙ্গে বৈঠকের (Meeting) মঞ্চে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকার ও বেসরকারি হাসপাতালের কর্তা ব্যক্তিদের নিয়ে এই বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, বাম আমলে স্বাস্থ্যক্ষেত্র তলানিতে ঠেকেছিল। তৃণমূল সরকারের আমলে ৪০ হাজার বেড বেড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, সিনিয়র রেসিডেন্টদের বেতন বর্তমানে ৭০ হাজার থেকে বেড়ে হবে ৮৫ হাজার। পোস্ট ডক্টরেট সিনিয়র রেসিডেন্টদের বেতন বর্তমানে ৮৫ হাজার থেকে বেড়ে হবে ১ লাখ। ইন্টার্ন, হাউসস্টাফ পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি সবার ১০ হাজার টাকা করে বেতন বাড়ানো হবে। মেদিনীপুরকাণ্ডে জুনিয়র ডাক্তারদের সাসপেনশন প্রত্যাহারের কথাও জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী এদিন সিনিয়র ডাক্তারদের কাছে আবেদন করেন, আপনারা আট ঘণ্টা করে ডিউটি করুন। ডাক্তারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা সুন্দর করে কাজ করুন। কারণ আমাদের সরকার রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে ডাক্তারদের এই পরিষেবাকে সম্মান করে। বছরে একটা করে বৈঠক করতে পারলে আরও বেশি করে আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে পারি। সরকারি হাসপাতালের ডাক্তাররা আট ঘণ্টা ডিউটির পর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ডাক্তার দেখতে পারেন। এক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালের ২০ কিমির বাইরে যেতে পারতেন না ডাক্তাররা। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, এই সীমা ২০ কিমি থেকে বাড়িয়ে ৩০ কিমি করা হবে। এদিন ওই বৈঠকে ব্লক, জেলাস্তরের সরকারি হাসপাতাল থেকেও ডাক্তাররা আসেন। এদিন নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী আমেরিকার অভিবাসী বিতাড়ন প্রসঙ্গ টেনে ডাক্তারদের বলেন, দয়া করে বিদেশে চলে যাবেন না। দেখছেন তো কী হচ্ছে। লোহার শিকল, লোহার বেড়ি। বাংলায় থাকুন। আপনাদের অসুবিধা হলে আমাদের জানাবেন। আমরা সবসময় আপনাদের পরিষেবায় রয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী এদিন ওই মঞ্চেই বলেন, কর্মক্ষেত্রে ভাইদের বলছি বোনদের রক্ষা করুন।

জুনিয়র ডাক্তারদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

সোমবার কলকাতার আলিপুরে ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে চিকিৎসকদের সম্মেলনে এ কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তারদের বেতন ১৫ হাজার টাকা করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর আওতায় পড়ছেন ডিপ্লোমাধারী সিনিয়র রেসিডেন্ট, স্নাতকোত্তর স্তরের (পোস্ট গ্র্যাজুয়েট) সিনিয়র রেসিডেন্ট এবং পোস্ট ডক্টরেট সিনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তারেরা। এ ছাড়া ইন্টার্ন, হাউস স্টাফ, স্নাতকোত্তর স্তরের শিক্ষানবিশ (পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি) চিকিৎসক এবং পোস্ট ডক্টরেট শিক্ষানবিশ ডাক্তারদের বেতন ১০ হাজার টাকা বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সোমবার বলেন, “আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি সর্বস্তরের সিনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তারদের বেতন ১৫ হাজার টাকা করে আমরা বাড়িয়ে দেব।” ডিপ্লোমাধারী সিনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তারেরা বর্তমানে মাসে ৬৫ হাজার টাকা করে বেতন পান। সেটিকে বৃদ্ধি করে ৮০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। স্নাতকোত্তর স্তরের সিনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তারেরা এখন পান মাসে ৭০ হাজার টাকা করে। তা বৃদ্ধি করে ৮৫ হাজার টাকা করার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি পোস্ট ডক্টরেট সিনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তারদের বেতন মাসিক ৭৫ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ১ লক্ষ টাকা করা হবে বলেও জানান তিনি।

জেলায় জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

ফের দুর্যোগের আশঙ্কা রাজ্যজুড়ে (Weather Forecast)। আলিপুর আবহাওয়া অফিস সতর্কবার্তা দিয়েছে, রবিবার কলকাতা সহ দক্ষিণ এবং উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা (Weather Update)। কোনও কোনও জেলায় থাকবে ঝড়ো হাওয়ার দাপট। সোমবারও পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির আশঙ্কা (Rainfall Forecast)। শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাসও দিয়েছে হাওয়া অফিস। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, জোড়া ওয়েদার সিস্টেমের জেরে আবহাওয়ার এই পটবদল। উত্তর-পশ্চিম ভারতের হরিয়ানার উপর রয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। এছাড়া নিম্নচাপ অক্ষরেখা নাগাল্যান্ড থেকে বিস্তৃত ছত্তিশগড় পর্যন্ত। তার উপর আবার উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে পূর্ব দিকে এগোচ্ছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। ফলে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শনিবারও দক্ষিণ বঙ্গের কয়েকটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। কয়েকটি জায়গায় ঝোড়ো হওয়াও বয়েছে। বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হয়েছে কলকাতার কয়েকটি এলাকাতে। কেমন থাকবে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া? হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, রবিবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টি হতে পারে বাংলার জেলাগুলিতে। সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে বইতে পারে ঝড়ো হাওয়া। কলকাতা সহ হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং নদীয়াতে থাকবে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট। রবিবারের মতো সোমবারও বজ্র বিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝের বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। মঙ্গলবার সকালের দিকে আংশিক মেঘলা আকাশ ও পরে আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা। সপ্তাহের বাকি দিনগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়াই থাকবে। কেমন থাকবে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া? রবিবার সকালে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং মালদা, এই চার জেলাতে কুয়াশার সম্ভাবনা। দার্জিলিংয়ের উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত হতে পারে। সম্ভবনা থাকবে সোমবার পর্যন্ত। সিকিমেও রয়েছে তুষারপাতের সম্ভাবনা। দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে বৃষ্টি চলবে সোমবার পর্যন্ত। আমি দু’দিনে তাপমাত্রা কমবে। মঙ্গলবার থেকে ফের বাড়বে তাপমাত্রা, জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া থাকবে এই সব জেলায়

শনিবার কলকাতা (Thunderstorm Kolkata) সহ রাজ্যজুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির (Thunderstorm) পূর্বাভাস। রাজ্যে কমলা-হলুদ সতর্কতা জারি। হাওয়া অফিস বলছে, ভরা ফাল্গুনে অকাল বর্ষণে ভিজবে বাংলা। বিকেলের দিকে দমকা বাতাস বইতে পারে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়াই থাকছে দক্ষিণবঙ্গে। বজ্রবিদ্যু-সহ বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টি চলবে একাধিক জেলায়। ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। তবে মঙ্গলবার থেকে আবহাওয়া শুকনো থাকার ইঙ্গিত। শীতের শেষে অকাল বর্ষণে একাধিক জায়গায় বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জলের নিচে ডুবে গিয়েছে বিঘার পর বিঘা আলু জমি। থাকছে শিলাবৃষ্টির (Hailstorm Forecast) পূর্বাভাস। তাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন চাষীরা। চাষে আরও ক্ষতির আশঙ্কা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বাংলায় আগামী ৪৮ ঘণ্টায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্ভাবনা। শনিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, নদিয়া এবং বাঁকুড়ায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং ঝাড়গ্রামে। সঙ্গে ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। ভিজতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর। মঙ্গলবার সকালের দিকে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। শনিবার উত্তরবঙ্গে দার্জিলিংয়ে এদিন বৃষ্টি ও তুষারপাত সম্ভাবনা থাকছে। জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একটি বা দুটি অংশে হালকা বৃষ্টি হবে। মালদার একটি বা দুটি অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টি হতে পারে। জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা।

সন্তের শুরুতেই অকাল-বর্ষায় ভিজছে বাংলা

বসন্তের শুরুতেই বৃষ্টিপাত (Rain) ও ঝোড়ো হাওয়ার (Thunderstorm) দাপট। কোথেও অকালবৈশাখী, কোথাও অকালবর্ষা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Alipore Weather Update) জানিয়েছে, গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গ থেকে তেলেঙ্গনা পর্যন্ত বিস্তৃত শক্তিশালী অক্ষরেখা এবং জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে রাজ্যে এই বৃষ্টিপাত ও ঝড়ের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আগামী দু’দিন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা (Weather Forecast) রয়েছে। এদিকে বৃহস্পতিবার কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বৃষ্টি এবং জেলায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে বসন্তের শুরুতে শীতের অনুভূতি কিছুটা মিলেছে। শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির নিচে নামতে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। শুক্রবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাস: আজ কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ মেঘলা থাকবে। তবে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ জেলার কয়েকটি জায়গায়। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়িতে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিঙের উঁচু পার্বত্য এলাকায় হালকা তুষারপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। শনিবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাস: শনিবারও কয়েকটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি ও নদিয়া জেলায় ৪০-৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। এছাড়া, দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে ৩০-৪০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে ঝোড়ো বাতাস এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাস: রবিবারও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত হবে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩০-৪০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। উত্তরবঙ্গের সব জেলায় হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদার কিছু অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

জেলায় জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টি

বসন্তে ভরা বর্ষার আমেজ বাংলায়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ঘন কালো মেঘে ঢেকেছে শহরের আকাশ! ঝেড়ে নামল বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি (Thunderstorm Lightning South Bengal)। সারা দিনই কলকাতা (Raining in Kolkata)-সহ দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি এবং বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে জারি হয়েছে কমলা-হলুদ সতর্কতা। সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে বাঁকুড়া-বর্ধমান জেলায়। বিক্ষিপ্ত ভাবে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে উত্তরবঙ্গেও। মাঘের শেষ গরমের আমেজ ছিল শহর কলকাতায়। দিনের বেলায় রীতিমতো ঘাম হচ্ছিল। কিন্তু জোড়া ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় অক্ষরেখার প্রভাবে আচমকাই হাওয়া বদল। বৃহস্পতিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণের সর্বত্র ঝড়বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর। পূর্বাভাস মতো এদিন বেলা ১১ টা থেকে শহরে বজ্রবিদ্যুতের ঝলকানি দিয়ে ঝেপে নামল বৃষ্টি। শুধু কলকাতা নয় বৃষ্টি নামে রাজ্যজুড়ে। বেলা যত বেড়েছে বৃষ্টির দাপট ততই বেড়েছে। বৃষ্টি শুরু হয়েছে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে। সকাল থেকেই পশ্চিম বর্ধমানে মেঘলা আকাশ। সেইসঙ্গে শুরু হয় বৃষ্টিপাত। পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম,ভাতার ,কাটোয়া মঙ্গলকোটের একাংশে হাল্কা শিলাবৃষ্টিও দেখা যায়। আসানসোল, বাঁকুড়া, পুরুলিয়াতে বৃষ্টি হচ্ছে। পুরুলিয়া, হাওড়া, নদিয়ার মতো একাধিক জেলাতেও চলছে বৃষ্টি। আপাতত এই দুর্যোগ থামার লক্ষ্মণ নেই। চলবে রবিবার পর্যন্ত। রবিবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে সোমবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর। বৃষ্টির ফলে বসন্তে প্রাক্কালে এই বৃষ্টি কিছুটা ক্ষতি আমের মুকুলেও। আলু চাষে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হবে বলে মনে করছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা। অপরদিকে, উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং-এর উঁচু পার্বত্য এলাকায় হতে পারে হালকা তুষারপাত। তুষারপাতের সম্ভাবনা থাকবে আগামী রবিবার পর্যন্ত। বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে সোমবার পর্যন্ত। একটানা বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা দার্জিলিঙে। বৃষ্টিপাত চলবে দার্জিলিং ও কালিম্পং এর পার্বত্য এলাকায়। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে শনি ও রবিবার। জলপাইগুড়ি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনাও থাকছে। এ দিকে, হুগলি-বর্ধমান-পশ্চিম মেদিনীপুর সহ একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সঙ্গে পড়ছে শিল।

রাজ্যজুড়ে ঝেঁপে বৃষ্টির পূর্বাভাস

বসন্তের শুরুতেই বর্ষার আবহ। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে রাজ্যজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Forecast)। মঙ্গলবার থেকেই ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েছে, যা চলবে রবিবার পর্যন্ত। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা (Rain Forecast) রয়েছে। শুধু বৃষ্টি নয়, বজ্রপাতেরও আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal Weather) একাধিক জেলায় ইতিমধ্যেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বিশেষ করে পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। এদিকে কলকাতায় (Kolkata Weather) বৃহস্পতি ও শুক্রবার বৃষ্টির দাপট বেশি থাকতে পারে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দিনের বেলায় আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। তবে বিকেল থেকে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হতে পারে। তবে শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গের (North Bengal Weather) পাহাড়ি এলাকাগুলিতেও আবহাওয়া বদলের সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং ও সিকিমে তুষারপাত হতে পারে। এদিকে সুন্দরবন এলাকায় সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা রয়েছে এবং হালকা বৃষ্টিও শুরু হয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কেটে যাওয়া এবং বঙ্গোপসাগরে জলীয় বাষ্প সঞ্চারের ফলে রাজ্যে এই বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে পাঁচ দিন ধরে বৃষ্টি চলবে। এর ফলে শীত প্রায় বিদায় নিয়েছে। রাজ্যের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ইতিমধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অসময়ের বৃষ্টি কৃষকদের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক জায়গায় আলু তোলার কাজ চলছে। বৃষ্টির কারণে চাষের কাজে বাধা পড়তে পারে। পাশাপাশি, কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে, যা ফসলের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। ফলে এই হাওয়া বদল নিয়ে কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

নয়াদিল্লি স্টেশন কাণ্ডে জনস্বার্থ মামলা সুপ্রিম কোর্টে

নয়াদিল্লি স্টেশনে (New Delhi Station) পদপিষ্টের (Delhi Stampede) ঘটনায় জনস্বার্থ মামলা দায়ের সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। মহাকুম্ভে (Maha Kumbh) ভক্তদের নিরাপত্তা নিয়ে দায়ের হওয়া মামলার শুনানি হবে সোমবার। পূণ্য অর্জন করতে প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভ মেলায় গঙ্গায় ডুব দিয়েছেন ৫০ কোটিরও বেশি মানুষ। মৌনি অমাবস্যায় পদপিষ্ট হয়ে কমপক্ষে ৩০ জন মৃত্যু হয় এবং ৬০ জন আহত হয়েছিলেন। শনিবার রাতে মহাকুম্ভে যাওয়ার ট্রেন ধরতে নয়াদিল্লি স্টেশনে জড়ো হয়েছিলেন শয়ে শয়ে যাত্রী। অত্যাধিক ভিড়, ভুল ঘোষণার জেরে হুড়োহুড়িতে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারান ১৮ জন। এই ঘটনায় জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল শীর্ষ আদালতে। মামলাকারীর প্রশ্ন, সমস্ত প্রযুক্তিগত সুবিধা কি শুধু ভিআইপিদের জন্য? ভগবানের নামে কি সাধারণ মানুষকে কি ফেলে রাখা হয়? জানা গিয়েছে, নয়াদিল্লি স্টেশনে পদপিষ্টের শীর্ষ আদালতে মামলাটি দায়ের করেছেন আইনজীবী বিশাল তিওয়ারি। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চে হবে মামলার শুনানি ৷ আদালতে তিনি বলেন, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত বাহিনী, স্বেচ্ছাসেবক, প্রযুক্তি এবং এমনকি কৃত্রিম মেধাও রয়েছে। এত উন্নত প্রযুক্তি থাকা সত্ত্বেও নয়াদিল্লি স্টেশনে এই দুর্ঘটনা ঘটল। এটা খুবই দুঃখের বিষয়। সমস্ত প্রযুক্তি, সমস্ত ব্যবস্থাপনা ভিআইপিদের জন্য। কিন্তু সাধারণ মানুষের কী হবে? তাঁদের ফেলে রাখা হচ্ছে ভগবানের ভরসায়। আদালতে বিশাল তিওয়ারি অনুরোধ করেন, ভবিষ্যতে এই ধরনের দুর্ঘটনা রুখতে যেন গাইডলাইন তৈরি করা হয়। এই দুর্ঘটনা রুখতে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিক সুপ্রিম কোর্ট। সমস্ত রাজ্যের উচিত প্রয়াগরাজে সুবিধা কেন্দ্র স্থাপন করা ৷ যাতে নিরাপত্তা তথ্য সরবরাহ করা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে তাদের নিজেদের রাজ্যের বাসিন্দাদের সহায়তা করা সম্ভব হয়। তীর্থযাত্রীদের সুবিধার্থে একাধিক ভাষায় ঘোষণা করারও কথা বলা হয়েছে ৷ এসএমএস এবং হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য অংশগ্রহণকারীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া উচিত। ভিআইপি চলাচলের উপর নিয়ন্ত্রণও চাওয়া হয়েছে ৷

বসন্তের শুরুতেই বঙ্গে বৃষ্টির ভ্রুকুটি

শীতের (Winter) আমেজ আর নেই বললেই চলে। বাড়ছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (Minimum Temperature) । সেইসঙ্গে আকাশের মুখ ভার। গুমোট পরিবেশ। গত ২৪ ঘণ্টার তুলনায় সোমবার প্রায় ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়ার পূর্বাভাস ( Temperature Forecast) । ভোরের দিকে কুয়াশা (Fog) থাকবে। কলকাতা (Kolkata Weather) এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যথাক্রমে ৩০ ডিগ্রি এবং ২২ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাঘুরি করবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামিকাল অর্থাৎ মঙ্গলবারের মধ্যে ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়বে। বুধবার থেকে মেঘলা আকাশের সম্ভাবনা। ঠাণ্ডার শিরশিরানি সরিয়ে এবার বসন্তের আগমন বার্তা। আর বসন্তের শুরুতেই বঙ্গে বৃষ্টির ভ্রুকুটি। বুধবার থেকে বৃষ্টির পূর্বাভাস উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে। মূলত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। বৃহস্পতিবার বৃষ্টির পরিমাণ ও ব্যাপকতা বাড়বে। বৃষ্টি চলবে শুক্রবার পর্যন্ত। আজ ও আগামিকাল মোটের মোটামুটি আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। বুধবার বৃষ্টি হবে কলকাতা, উত্তর দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর বাঁকুড়া এবং পূর্ব বর্ধমান জেলাতে। বৃহস্পতিবার বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি জেলাতে ৷ কলকাতা ও দুই 24 পরগনাতে ভিজবে শুক্রবারও। দক্ষিণবঙ্গের মত উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি হবে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার দার্জিলিং এবং কালিম্পংঙে হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। দার্জিলিঙের উঁচু পার্বত্য এলাকায় হতে পারে হালকা তুষারপাত। রবিবার কলকাতা এবং তৎপার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷ যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১.১ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ৷ যা স্বাভাবিকের চেয়ে ০.২ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল সর্বোচ্চ ৮৭ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৩৩ শতাংশ।

ফেব্রুয়ারিতেই ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ

আবহাওয়ার (Weather) খামখেয়ালিপনায়, নাভিশ্বাস উঠেছে রাজ্যবাসীর। কোনওসময় গরম (Temperatute), আবার দুদিন পরেই ঠান্ডা। ফলে সকালে রাস্তায় সোয়েটার শাল নিয়ে বের হলেও গলদঘর্ম হতে হচ্ছে মানুষকে। তবে শীত (Cold Wave) এবার পাকাপাকিভাবে বিদায় নিয়েছে বলেই জানাল আবহাওয়া দফতর (Alipur Weather Office)। ফেব্রুয়ারিতেই ক্রমশ তাপমাত্রার পারদ ঊর্ধ্বমুখী। আগামী কয়েক দিনে দুই থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়বে গরম। তবে নতুন সপ্তাহের মাঝামাঝি ফের দুই বঙ্গেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৮ ডিগ্রি। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি। হাওয়া অফিস বলছে, সোম ও মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে পরিষ্কার আকাশ। তাপমাত্রা আরও দুই থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়বে। মঙ্গলবারের পর আংশিক মেঘলা আকাশ। বুধবার থেকে বৃষ্টির (Rain) সম্ভাবনা রয়েছে জেলায় জেলায়। শুক্রবার পর্যন্ত এই রকম আবহাওয়া চলবে। বৃহস্পতিবার বৃষ্টির পরিমাণ ও ব্যাপকতা বাড়তে পারে। বুধবার কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া এবং পূর্ব বর্ধমানে বৃষ্টি হবে। বৃহস্পতিবার বৃষ্টি সম্ভাবনা রযেছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান কলকাতা, হাওড়া, হুগলিতে। কলকাতা এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হবে শুক্রবার। বৃহস্পতি ও শুক্রবার দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। দার্জিলিঙের উঁচু পার্বত্য এলাকায় হালকা তুষারপাত হতে পারে। আগামী ২৪ ঘন্টায় দার্জিলিং ও সংলগ্ন পার্বত্য এলাকায় কুয়াশার আধিক্য চলবে। সোম এবং মঙ্গলবার পরিষ্কার আকাশ। পরে আবার মেঘলা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে দার্জিলিং এবং কালিম্পং দুই পার্বত্য জেলায়। হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই কুয়াশার সম্ভাবনা। ঘন কুয়াশার দাপট থাকতে পারে দার্জিলিংয়ের কিছু অংশে। ২০০ মিটার বা তার নিচে নামতে পারে। তবে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা সম্ভাবনা উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাতে। জলপাইগুড়ি কালিম্পং কোচবিহার আলিপুরদুয়ার উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা তে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা খুব সকালে।