জামিন পেলেন অনুব্রত

নয়াদিল্লি: দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট থেকে গরু পাচার মামলায় জামিন পেলেন বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। ১০ লক্ষ টাকার বন্ডে তাঁর জামিন মঞ্জুর হয়েছে। এর আগে সিবিআইয়ের মামলায় জামিন পেয়েছিলেন অনুব্রত। এ বার ইডির মামলাতেও তাঁর জামিন মঞ্জুর হল। ফলে তিহাড় জেল থেকে এ বার তিনি মুক্তি পেতে চলেছেন। পুজোর আগেই বীরভূমে ফিরছেন কেষ্ট। কিছু দিন আগে অনুব্রতের কন্যা সুকন্যা মণ্ডলও জামিন পেয়েছিলেন।

শনিবার থেকে বিভিন্ন হাসপাতালে জরুরি পরিষেবায় যোগ দেবেন আন্দোলনকারীরা

কলকাতা: গত ৯ অগস্ট আরজি করে (RG Kar) মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধারের ঘটনার পর থেকে কর্মবিরতি পালন করছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। গত ন’দিন ধরে সল্টলেকে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে তাঁদের ধর্না চলছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের বৈঠক হয়েছে। বুধবার বৈঠক হয়েছে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের সঙ্গেও। আপাতত তাঁরা কর্মবিরতি আংশিক তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন, জানিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। জুনিয়র ডাক্তাররা সাংবাদিক বৈঠকে জানান, শুক্রবার থেকে কর্মবিরতি আংশিক তুলে নেওয়া হবে। ধর্নামঞ্চ উঠবে শুক্রবার থেকেই। বিকেল ৩টে নাগাদ ধর্নামঞ্চ থেকে সিজিও কমপ্লেক্স পর্যন্ত জুনিয়র ডাক্তারদের একটি মিছিল হবে। তার মাধ্যমেই অবস্থান তুলে নেওয়া হবে। শনিবার থেকে বিভিন্ন হাসপাতালে জরুরি পরিষেবায় যোগ দেবেন আন্দোলনকারীরা। একনজরে কী কী বললেন জুনিয়র ডাক্তাররা? আন্দোলনকারী ডাক্তার অনিকেত মাহাতো বলেন- ৯ অগস্টের ঘটনাকে আমরা প্রাতিষ্ঠানিক খুন বলে মনে করি। সেই জায়গা থেকে বুধবার মুখ্যসচিবের কাছে বৈঠকে আমাদের কিছু দাবিদাওয়া জানিয়েছিলাম। তার পর বৃহস্পতিবার একটি নির্দেশিকা এসেছে। কেন্দ্রীয় হেল্পলাইন নম্বর, প্যানিক বাটন চালু হয়েছে। কিন্তু কলেজে কলেজে যে ভীতির পরিবেশ রয়েছে, সে বিষয়ে রাজ্যের তরফে কোনও সদর্থক ভূমিকা নেই। আমাদের ন্যায়বিচারের লড়াই তাই শেষ হয়নি। সিজিও কমপ্লেক্স পর্যন্ত আমাদের যে মিছিল হবে, তা যেন বিচারের দাবিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। আপামর জনসাধারণকে সেই মিছিলে আমাদের সঙ্গে থাকতে অনুরোধ করছি। রাজ্যে যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, ডাক্তার হিসাবে তা আমরা এড়িয়ে যেতে পারি না। বন্যা কবলিত এলাকাগুলিতে আমরা শুক্রবার থেকে ক্যাম্প করব। জরুরি পরিষেবাতেও যোগ দেব। তবে আমাদের সুরক্ষা যত দিন না নিশ্চিত করা হচ্ছে, তত দিন লড়াই জারি থাকবে।

নতুন রেকর্ড অশ্বিন-জাদেজার

স্পোর্টস ডেস্ক: প্রথম দিনের শেষে ভারতের রান ৬ উইকেটে ৩৩৯। অশ্বিন ও জাদেজার মধ্যে ১৯৫ রানের জুটি হল। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রেকর্ড করলেন ভারতীয় জুটি। কী কী রেকর্ড হল একনজরে দেখে নেওয়া যাক- টেস্টে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সপ্তম উইকেটে সবচেয়ে বেশি রানের জুটি গড়লেন অশ্বিন ও জাদেজা। এর আগে এই রেকর্ড ছিল সচিন তেন্ডুলকর ও জাহির খানের মধ্যে। ১৩৩ রান করেছিলেন তাঁরা। এখনও অপরাজিত রয়েছেন তাঁরা। দ্বিতীয় দিন এই জুটি আরও বড় করার চেষ্টা করবেন ভারতের দুই ব্যাটার। ঘরের মাঠে সপ্তম উইকেটে সবচেয়ে বেশি রানের জুটিতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন অশ্বিন ও জাদেজা। শীর্ষে কপিল দেব ও সৈয়দ কিরমানি। ভারতের মাটিতে ১৪টি ম্যাচে ৬১৭ রান করেছেন তাঁরা। উল্লেখ্য, টেস্টে ষষ্ঠ শতরান করলেন রবিচন্দন অশ্বিন। ১০টি চার ও দু’টি ছক্কা মেরেছেন অশ্বিন। অন্যদিকে, জাদেজা ১১৭ বলে ৮৬ রানে খেলছেন। তিনিও ১০টি চার ও দু’টি ছক্কা মেরেছেন।

বলিউডে ২৫ বছর পার করিনার

ওয়েব ডেস্ক: সম্প্রতি বলিউডে অভিনয় জীবনের ২৫ বছর পূর্ণ করলেন করিনা কাপুর খান (Kareena Kapoor Khan)। সেই প্রসঙ্গেই নিজের উপলব্ধি ভাগ করে নিয়েছেন করিনা। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, আজও ফ্লোরে গিয়ে দাঁড়ালে তাঁর মনের মধ্যে প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা ফিরে আসে। করিনা বলেন, ‘এখনও মনে হয় যেন গতকালই জীবনের প্রথম শট দিলাম। ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর জন্য এখনও আমার মধ্যে সেই একই রকম লোভ কাজ করে। একই রকম স্ফূর্তি এবং প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি।’ করিনার সংযোজন, ‘১০ বছর টিকে গেলে পরের ভাবনা। প্রাসঙ্গিক থাকার জন্য নিজেকেও বদলানোর প্রয়োজন। কিন্তু পুরুষশাসিত এই ইন্ডাস্ট্রিতে সেটা সত্যিই কঠিন।’ ‘প্রতি পাঁচ বছর অন্তর আমি নিজের কাজের বিশ্লেষণ করি। তার পর মনে হয়, এ বার আমার নতুন কিছু করা উচিত।’   View this post on Instagram   A post shared by Kareena Kapoor Khan (@kareenakapoorkhan)

অশ্বিন-জাদেজার প্রশংসায় সৌরভ

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশ প্রথম টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শেষে তাঁদের ইনিংসের প্রশংসা করেলেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বাংলাদেশের পেস আক্রমণেরও প্রশংসা করেন তিনি। প্রথম দিনের খেলা শেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় সৌরভ লেখেন, “অশ্বিন ও জাডেজা দুর্দান্ত ইনিংস খেলল। শুধু বড় রান করার জন্য নয়, ওদের খেলার ধরন খুবই উচ্চমানের।” পাশাপাশি বাংলাদেশের পেসারদের প্রশংসাও করেছেন দাদা। তিনি লেখেন, “বাংলাদেশের এই পেস আক্রমণ খুব ভাল। পাকিস্তানের মাটিতে ওরা যে পাকিস্তানকে হারিয়েছে, এতে অবাক হওয়ার মতো কিছু নেই।” উল্লেখ্য, প্রথম দিনের খেলা শেষে ভারতের স্কোর ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৩৯ রান। ক্রিজে রয়েছেন রবিচন্দন অশ্বিন এবং রবীন্দ্র জাদেজা। Innings of highest order from Ravi Ashwin @ashwinravi99 and then by jadeja @imjadeja .. not just the runs but the quality of batsmanship was of high class ..against a very good bangladesh seam attack .. no wonder they beat pakistan in pakistan — Sourav Ganguly (@SGanguly99) September 19, 2024

স্বাস্থ্যসচিবকে চিঠি মুখ্যসচিবের

কলকাতা: আরজি করের ঘটনার পর থেকে রাজ্যের সরকারি হাসপাতাল (Govt Hospital), মেডিক্যাল কলেজ ও অন্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে চিকিৎসা পরিকাঠামো এবং চিকিৎসক, চিকিৎসাকর্মীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে একগুচ্ছ পদক্ষেপ করল নবান্ন। কী কী নির্দেশিকা একনজরে দেখে নেওয়া যাক- চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বসানো হবে ‘প্যানিক বাটন’। অভ্যন্তরীণ অভিযোগগ্রহণ কমিটি (ইন্টারনাল কমপ্লেন্টস্‌ কমিটি) এবং অন্য কমিটিগুলিকে সম্পূর্ণ রূপে সচল রাখতে হবে। কেন্দ্রীয় ভাবে একটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করতে বলা হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই হেল্পলাইন নম্বর দ্রুত চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী তথা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত পুলিশকর্মী মোতায়েন রাখতে হবে। বিশেষ করে মহিলা পুলিশকর্মীর সংখ্যা যাতে পর্যাপ্ত থাকে, সে দিকে গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। রাতে প্রতিটি হাসপাতালে স্থানীয় থানার পুলিশের টহলদারি দলও রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজে সিকিউরিটি অডিটও করা হবে। এর দায়িত্বে অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস তথা প্রাক্তন ডিজি সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ। প্রতিটি হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তারদের জন্য পৃথক বিশ্রামঘর ও শৌচালয়ের ব্যবস্থা করা হবে। হাসপাতালে পানীয় জলের বন্দোবস্ত যাতে ঠিকঠাক থাকে, সে দিকেও নজর রাখতে হবে। সরকারি হাসপাতালগুলিতে কতগুলি শয্যা ফাঁকা রয়েছে, সেই সংক্রান্ত প্রতি মুহূর্তের তথ্য কেন্দ্রীয় ভাবে রাখার বন্দোবস্ত করতে হবে। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য প্রতিটি হাসপাতালে এই সংক্রান্ত একটি ডিসপ্লে বোর্ড রাখতে হবে। কোনও রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় ভাবে একটি ‘রেফারেল সিস্টেম’ দ্রুত চালু করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ডাক্তার, নার্স ও অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের শূন্যপদ দ্রুত নিয়োগের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। রোগী ও তাঁদের পরিজনদের অভিযোগ জানানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থা করতেও বলা হয়েছে ওই চিঠিতে।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শক্ত ভিতে ভারত

স্পোর্টস ডেস্ক: টেস্টের প্রথম দিনের প্রথম সেশনটা ছিল বাংলাদেশের। একে একে রোহিত-গিল-বিরাট প্যাভিলিয়নে। হাসি চওড়া হচ্ছিল বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্তর। কিন্তু ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজটা শুরু করেছিলেন যশস্বী জসওয়াল এবং ঋষভ পন্থ। আর বাকিটা করে ফেললেন রবিচন্দন অশ্বিন এবং রবীন্দ্র জাদেজা। দু’জনেই ক্রিজে অপরাজিত। একজন শতরান করে দলকে ৩০০ রানের গণ্ডি পার করিয়েছেন। অন্য জন্য যোগ্য সঙ্গত দিয়ে ৮৬ রানে অপরাজিত।প্রথম দিনের শেষে ভারত ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৩৯ রান। অন্যদিকে, ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা ভরসা রেখেছিলেন লোকেশ রাহুলের উপর। বলেছিলেন, “রাহুল কেমন ক্রিকেটার সেটা সবাই জানে। আমরা রাহুলকে সব ম্যাচে খেলাতে চাই। সেটা ওকে বলা হয়েছে। আমরা চাই ওর মধ্যে থেকে সেরাটা বার করে আনতে।” সেই সেরাটা বার করে আনতে পারলেন না। রাহুল আউট হলেন স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজের বিরুদ্ধে। বাকি ব্যাটারদের সমস্যায় ফেলছিলেন পেসারেরা। কিন্তু এক জন স্পিনারের বিরুদ্ধে রাহুলের আউট হওয়া সমর্থকদের খুশি করতে পারছে না।

মন্ত্রিসভা অনুমোদন করল ‘এক দেশ এক ভোট’

নয়া দিল্লি: ‘এক দেশ এক ভোট’ কার্যকরের দিশানির্দেশিকা খুঁজতে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর কোবিন্দের নেতৃত্বে কমিটি গড়েছিল মোদী সরকার। লোকসভা ভোটের আগেই গত ১৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে গিয়ে একসঙ্গে লোকসভা এবং সব ক’টি বিধানসভার নির্বাচন করানোর সুপারিশ করে আট খণ্ডে বিভক্ত ১৮ হাজার পাতার রিপোর্টটি জমা দিয়েছিল কোবিন্দ কমিটি। এদিন সেই রিপোর্টেই সিলমোহল দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে বলেন, বিভিন্ন মঞ্চে আলোচনার পরেই কোবিন্দ কমিটির রিপোর্ট অনুমোদনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাঁর ইঙ্গিত, সংসদের আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে বিলটি পেশ করা হতে পারে। আর মন্ত্রিসভায় এটি পাশ হওয়ার ফলে সংসদের অধিবেশনে এই নীতি কার্যকর করার লক্ষ্যে কেন্দ্র বিল পাশে সক্রিয় হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বাংলার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী?

কলকাতা: ‘ম্যান মেড বন্যা’। বাংলার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে ফের কেন্দ্রকে দুষলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । এদিন দুপুরে পুরশুড়ার একটি সেতুতে দাঁড়িয়ে প্লাবন দেখে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। জানিয়েছেন, কেন্দ্রের অসহযোগিতা এবং উদাসীনতায় বাংলায় প্লাবন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আঙুল তোলেন ডিভিসি-র দিকেও। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘সাড়ে তিন লক্ষ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে ডিভিসি থেকে। আমি নিজে ডিভিসি-র সঙ্গে কথা বলেছি। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। এত জল এর আগে ছাড়া হয়নি।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘যখন ৭০-৮০ শতাংশ জল ভরে যায়, তখন কেন জল ছাড়ে না ডিভিসি? কেন্দ্র ‘ড্রেনেজ’ করে না। নিজেদের রাজ্যগুলোকে বাঁচাচ্ছে। আর সবটা বাংলার উপরে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাংলা আর কত বঞ্চনা সহ্য করবে?’’ মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ‘‘পরিকল্পিত ভাবে বাংলাকে ডুবিয়েছে।’’

আবার বৈঠকে বসার ইচ্ছাপ্রকাশ জুনিয়র ডাক্তারদের

কলকাতা: আবার বৈঠকে বসার ইচ্ছাপ্রকাশ জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors)। সেই কারণে মুখ্যসচিবকে ইমেল করলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। যদিও সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে থাকতে হবে, তেমন কথা ইমেলে জানাননি আন্দোলকারীরা। রাজ্য সরকারের তরফে সদর্থক উত্তর পাওয়ার আশায় তাঁরা। কিন্তু কী কী দাবি এবার? জুনিয়র ডাক্তাররা জানিয়েছেন, এত দিন তাঁরা যে পাঁচ দফা দাবিতে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে ধর্না-অবস্থান করছেন, তার মধ্যে চার এবং পাঁচ নম্বর দাবি এখনও মেটেনি। সেই দাবি নিয়ে বুধবারই মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চান বলে জানিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। বুধবারের ইমেলে যে দাবিগুলোর উপর জোর দেওয়া হয়েছে তা হল রাজ্যের সব মেডিক্যাল কলেজ, হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা। এ ছাড়াও রাজ্যের সব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভয়মুক্ত পরিবেশ গড়া এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ সুনিশ্চিত করা। অর্থাৎ ‘থ্রেট কালচার’ বন্ধ করতে হবে সরকারকে।