হলং বনবাংলোর নয়া নকশা জমা পড়ল নবান্নে

কয়েক মাস আগেই অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়ে যায় আলিপুরদুয়ারের ঐতিহ্যবাহী হলং বনবাংলো। বন দফতরের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় দ্রুত সেই বনবাংলো তৈরি করে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই বন দফতরের পক্ষ থেকে আলিপুরদুয়ারের হলং বনবাংলো নতুন নকশা জমা করা হল নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে। বন দফতর সূত্রে জানানও হয়েছে, হলং বনবাংলো নতুন চারটি নকশা জমা করা হয়েছে নবান্নে। তার মধ্যে যেই নকশায় অনুমোদন দেবেন মুখ্যমন্ত্রী, সেই নকশা অনুযায়ী গড়া হবে নতুন হলং বনবাংলো। উল্লেখ্য, বাম জামানায় তৈরি করা হয়েছিল আলিপুরদুয়ারের ঐতিহ্যবাহী হলং বনবাংলো। বনের অন্দরে নির্মিত যে কোনও সরকারি অফিস বা বাংলোর নির্মাণের দায়িত্বে থাকত পর্যটন দফতরের হাতে। কিন্তু হলং বনবাংলো যখন পুড়ে ছাই হয়ে যায় তখন প্রথমে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রথম দায়িত্ব নেওয়া হয় নতুন ভাবে হলং বনবাংলো নির্মানের কাজের। তারপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানও হয় বনের কোর এলাকায় যে কোনও নির্মাণের দায়িত্ব থাকবে বন দফতরের হাতেই। আর তারপরই নতুন বনবাংলো তৈরির নকশা বন দফতরের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে।
বিধানসভা নির্বাচনে একক লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত কেজরিওয়ালের

দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে একক লড়াই করবে আম আদমি পার্টি (আপ)। আপ (AAP) সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল রবিবার বলেন, দিল্লিতে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দল এককভাবে লড়াই করবে। আগামী বছরের শুরুতেই দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন। দিন যত এগিয়ে আসছে রাজধানীতে একের পর এক নেতার দলবদলের ঘটনা ঘটছে। তারই মধ্যে রবিবার কেজরিওয়াল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন। গত লোকসভায় কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেছিল আপ। কিন্তু, দিল্লিতে সব কটি আসনেই হার হয়েছে তাদের। সেই প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে ৭০ আসনের ভাগ্য নির্ধারণ হবে। ইতিমধ্যে আপ প্রথম প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। যার মধ্যে ছয়জন নেতা যাঁরা বিজেপি এবং কংগ্রেস থেকে আপে যোগ দেন। কেজরিওয়ালের এই ঘোষণা ইন্ডিয়া জোটের কাছে ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে সম্প্রতি মহারাষ্ট্র নির্বাচনে ইন্ডিয়া জোট বড় ধাক্কা খেয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন হতে পারে।
হলুদ ট্যাক্সিতে কলকাতা ভ্রমণ দিলজিতের

শনিবার ছিল দিলজিতের প্রথম কলকাতায় অনুষ্ঠান। দেশের একাধিক জায়গায় শো করেছেন। দিল্লি, হায়দ্রাবাদ, পুনে, গুজরাতের পর এ বার তিনি হাজির হয়েছেন কলকাতায়। আজ শনিবার ৩০ নভেম্বর, কলকাতায় শো করবেন দিলজিৎ। কনসার্টের আগের দিন অর্থাৎ শুক্রবার কলকাতায় পা রেখেছেন দিলজিৎ দোসাঞ্ঝ (Diljit Dosanjh)। শহরে পা রেখে হলুদ ট্যাক্সি চেপে ঘুরে দেখলেন কলকাতার আইকনিক স্থান। ঘুরতে ঘুরতে শুনলেন ‘আমি শুনেছি সেদিন তুমি…’। শহরে এসে দিলজিতের সকাল শুরু হল হাওড়ার মল্লিকঘাটের ফুলের বাজার দিয়ে। সেখানে ঘুরে দেখেন তিনি। সেখানে গিয়ে তিনি কথা বলেন ফুল বিক্রেতাদের সঙ্গে। তাকে দেখা গিয়েছে নিজেই ফুল বিক্রেতার হাতে তুলে দিলেন গোলাপ। এরপর পায়ে হেঁটে ঘুরে দেখলেন হাওড়া ব্রিজ। তাঁকে বেশ কিছুক্ষণ বসে থাকতে দেখা যায় জগন্নাথ ঘাটে। হলুদ ট্যাক্সি চেপে দক্ষিণেশ্বরে যান তিনি। তাঁর মন ভালো কলা রিল মিলিয়ে দিয়েছে দুপ্রজন্মের সঙ্গীতকে। তাঁর শেয়ার করা ভিডিওয় শোনা গিয়েছে মৌসুমী ভৌমিকের গান, ‘বলো নেবে তো আমায়…’। দিলজিতের ভিডিও এই বাংলা গান মন কেড়েছে বাঙালি দর্শকদের। তাঁর ভিডিও ভক্তরা ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। কলকাতায় প্রথমবার পা রেখেই দিলজিৎ জিতে নিলেন দর্শকদের মন। View this post on Instagram A post shared by DILJIT DOSANJH (@diljitdosanjh)
বাংলায় আবহাওয়ার আপডেট

শীতের কালকাতায় আচমকা বৃষ্টির দাপট। দক্ষিণ ভারতে হানা দিয়েছে ‘ফেনজল’। যার প্রকোপে ভাসছে তামিলনাড়ু। শনিবার কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তি অঞ্চলে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। যার জেরে ঠকঠকিয়ে কাঁপছে শহর। যদিও শনিবারের তুলনায় রবিবার খানিক আবহাওয়া বাড়বে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, রবিবারও বৃষ্টি হতে পারে। কোন কোন জেলায় বৃষ্টির সম্ভবনা? হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আজ পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ বাদে বাকি জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভবনা। রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগণা, দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কেমন থাকবে আবহাওয়া? আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আজ থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ও উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। আগামী পাঁচদিন দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রার খুব একটা বেশি হেরফের হবে না। রাতের দিকেও তাপমাত্রার পারদ খুব একটা নামবে না।
এবার ‘সেবাশ্রয়’ কর্মসূচির ঘোষণা অভিষেকের

শনিবার আমতলার সমন্বয় অডিটোরিয়ামে চিকিৎসকদের সঙ্গে ‘সমন্বয়’ বৈঠক ডাকলেন অভিষেক। ‘স্বাস্থ্য শিবিরে চিকিৎসকদের অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে। সেখানেই উপস্থিত হয়েছেন হাজারের বেশি চিকিৎসক। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মডার্ন মেডিসিন, আয়ুর্বেদ বিভাগ, সহ বিভিন্ন বিভাগের হাজার চিকিৎসকের সভায় যোগদান করেছেন। এই সভা থেকে নিজের সংসদীয় এলাকায় ‘সেবা শ্রয়’ (Abhishek Announce Sebasray New Campaign) কর্মসূচীর ঘোষণা করলেন অভিষেক। আগামী ২ জানুয়ারি থেকে ৭৫ দিনের চিকিৎসা পরিষেবা অর্থাৎ ‘সেবাশ্রয়’-র সূচনা করেন তিনি। এদিনের বৈঠক থেকে অভিষেক বলেন, কলকাতায় ৫ হাজার চিকিৎসককে নিয়ে কনভেনশন করব’। পাশাপাশি ডাক্তারদের জন্য ‘এক ডাকে অভিষেক’ প্রকল্পের ঘোষণা করে ফোন নম্বর দেন অভিষেক। নতুন বছর থেকে ডায়মন্ড হারবারের সাত বিধানসভায় চিকিৎসা শিবির চলবে। এক একটি বিধানসভায় ১০ ধরে চলবে ক্যাম্প। ডায়মন্ডহারবার, ফলতা, মেটিয়াবুরুজ সহ বেশ কয়েকটি বিধানসভায় ক্যাম্প হবে। প্রতিটা বিধানসভায় ৪০টা করে ক্যাম্প করা হবে। তিনদিন সুপার স্পেশালিটি বিভাগের চিকিৎসকেরা থাকতে পারেন। তিনি আরও জানান ৭০ দিনে ৭টি বিধানসভায় ক্যাম্প হবে। ৭৫ দিন ধরে চলবে এই কর্মসূচিটি। প্রতি শিবিরে অন্তত দু’জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক থাকছেন। সঙ্কটজনক রোগীদের জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে ১২টি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হবে। এই ক্যাম্পে রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করা হবে। হিমোগ্লোবিন-সহ রক্তের নানাবিধ পরীক্ষা-সহ ডেঙ্গি পরীক্ষা বিনামূল্যে করা হবে। ক্যাম্পে থাকবে ডায়গনিস্টিক টেস্টও।
আইসিসির চেয়ারম্যান হিসেবে যাত্রা শুরু জয় শাহের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের (ICC) মঞ্চে কর্তৃত্ব শুরু ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) পুত্র জয় শাহের (Jay Shah)। ঘোষণা আগেই হয়েছিল। প্রাক্তন বিসিসিআই (BCCI) সেক্রেটারি জয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নিলেন রবিবার। প্রাক্তন আইসিসি চেয়ারম্যান গ্রেগ বার্কলে সরে দাঁড়ানোর পরে গত ২৮ অগাস্ট জয় শাহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। শাহ এই পদে এন. শ্রীনিবাসন এবং শশাঙ্ক মনোহরের পরে তৃতীয় ভারতীয়। সার্বিকভাবে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ মঞ্চের শীর্ষ পদে পঞ্চম ভারতীয়। জগমোহন ডালমিয়া এবং শরদ পাওয়ার আইসিসির সভাপতি ছিলেন। শাহ আইসিসি চেয়ারম্যান হিসেবে তার প্রথম ভাষণে জানিয়েছেন, ২০২৮ সালের অলিম্পিকে ক্রিকেটের ঐতিহাসিক অন্তর্ভুক্তি নতুন অনুরাগীদের আকৃষ্ট করার জন্য আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম দেবে। আইসিসির নেতৃত্বে ভারতীয়দের সম্পূর্ণ তালিকা- জগমোহন ডালমিয়া ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত আইসিসি সভাপতি ছিলেন। শরদ পাওয়ার ২০১০ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত আইসিসি সভাপতি ছিলেন। এন. শ্রীনিবাসন ২০১৪ সালের ২৬ জুলাই থেকে ২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর পর্যন্ত আইসিসি চেয়ারম্যান ছিলেন। শশাঙ্ক মনোহর ২০১৫ সালের ২২ নভেম্বর থেকে ২০২০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত আইসিসি চেয়ারম্যান ছিলেন। জয় শাহ ১ ডিসেম্বর থেকে আইসিসির চেয়ারম্যান হিসেবে যাত্রা শুরু করলেন।
বন্দে ভারতের থেকেও দ্রুতগতিতে ছুটবে ট্রেন

অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে সেজে উঠছে ভারতীয় রেল। পুরনো আমলের ধ্যান ধারণা ছেড়ে অত্যাধুনিক সাজে এসেছিল বন্দে ভারত। হাই স্পিড ট্রেনে এই বন্দে ভারত। এবার ট্রেনের আরও গতি বাড়ানো হবে বলে লোকসভায় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রী রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, বন্দে ভারতের গতি হতে পারে সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। এবার তার থেকেও দ্রুতগতিতে ছুটবে ট্রেন। ইতিমধ্যেই তার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে শুরু হয়েছে সেই ট্রেন সেট তৈরির কাজ। ২৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে ছুটবে সেই ট্রেন। অর্থাৎ বন্দে ভারতের প্রায় দ্বিগুণ বেগে ট্রেন ছুটবে। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগে বন্দে ভারত তৈরি করে সাফল্য পেয়েছে রেল। এবার আরও উচ্চগতির ট্রেন তৈরি হচ্ছে বলে লোকসভায় এক লিখিত বিবৃতিতে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এই সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন রেখেছিলেন বিজেপি সাংসদ সুধীর গুপ্তা ও অনন্ত নায়ক। তার জবাবে মন্ত্রী জানান, প্রতিটি গাড়ি তৈরির খরচ পড়ছে ২৮ কোটি টাকা। উচ্চগতির ট্রেনে অনেক জটিল প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হয়। বিশেষ করে এয়ারটাইট কার বডি, অ্যারোডাইনামিকের বিষয় রয়েছে। ট্রেনের ওজন, গরম হয়ে যাচ্ছে কিনা, হাওয়া চলাচল, বাতানুকূল যন্ত্র ঠিকভাবে কাজ হচ্ছে কিনা তা দেখতে হয়। লোকসভায় রেলের উন্নয়ন নিয়ে একগুচ্ছ বিবৃতি দিয়ে মন্ত্রী এদিন -আমেদাবাদ হাই স্পিড রেল নিয়েও আপডেট জানিয়েছেন। কেন্দ্রের এই প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা করছে জাপান। দ্রুততার সঙ্গে কাজ এগোচ্ছে। এই প্রজেক্টের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০৮ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। মোট ১২টি স্টেশনে থামবে এই ট্রেন।
রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ, কেমন থাকবে আবহাওয়া?

রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ। একটু একটু করে পারদ পতন শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে বইছে উত্তরের হাওয়া। এই আবহে বৃষ্টির পূর্বাভাস। আলিপুর আবহাওয়ার দফতর বলছে, বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড় উত্তর-পশ্চিম অভিমুখে তামিলনাড়ুর উপকূলে আছড়ে পড়বে। এই ঘূর্ণিঝড় বঙ্গে শীতসুখে কিছুটা বাধা হবে। এর প্রভাবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বাড়তে পারে তাপমাত্রা। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় পারদ পতন হয়েছে। সকাল কুয়াশার চাদরে ঢাকা। উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রার নীচের দিকে। দক্ষিণ–পূর্ব উপকূলে বিরাট এলাকায় মেঘ জমেছে। উত্তর–পশ্চিম ভারত থেকে প্রবেশ করা ঠান্ডা হাওয়া পথে ‘প্রাচীর’ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। জার জেরে কলকাতা থেকে দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলার তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি অনুকূল হলে ধীরে ধীরে ঠান্ডা পড়বে নতুন করে, জানাচ্ছেন আবহবিদরা। হাওয়া অফিসে জানাচ্ছে, শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত উপকূলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা। দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমে জেলাগুলির তাপমাত্রা সব থেকে কম। তবে সপ্তাহ শেষে বৃষ্টির প্রভাবে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ঠাণ্ডা আরও জাঁকিয়ে পড়বে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় ডিসেম্বরের শুরু থেকেও শীতের আমেজ বজায় থাকবে।
জেব্রার সামনে নাচ বনি-কৌশানির

বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে বহুরূপী’র। ছবিতে ‘ঝিমলি’র চরিত্রে দর্শকদের মন কড়েছেন কৌশানি মুখোপাধ্যায়। ছবির সাফল্যের পর বনিকে সঙ্গে নিয়ে লম্বা ছুটিতে গেলেন কৌশানি। পূর্ব আফ্রিকার দেশ তানজানিয়া-তে বেড়াতে গিয়েছেন বনি (Bonny Sengupta)-কৌশানি। সেরেঙ্গেটি ন্যাশনাল পার্ক থেকে বনির সঙ্গেই ভিডিও পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। সেখানে ‘ভুলভুলাইয়া’র গানে কোমর দোলাতে দেখা গেল অভিনেতা-অভিনেত্রীকে। বনির হাত ধরে দেশ ছেড়েছেন কৌশানি। এই মুহূর্তে পূর্ব আফ্রিকার দেশ তানজানিয়া-তে বেড়াতে গিয়েছেন বনি-কৌশানি। সেখানে দুজনে হাতে হাত রেখে ছুটি উপভোগ করছেন। সেরেঙ্গেটি ন্যাশনাল পার্কের ভিডিও পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। প্রতিটা মুহূর্ত অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন তাঁরা। ভিডিও-তে দেখা যাচ্ছে, বনি-কৌশানির পিছন দিয়ে হেঁটে যেতে দেখা যাচ্ছে জেব্রার দলকে। আবার কখনও তানজানিয়ার জাঞ্জিবার-এর আদিবাসীদের সঙ্গে নেচেও রিল বানিয়েছেন। তাঁদের দেখা গেল জেব্রা এবং জিরাফদের মাঝে ‘ভুল ভুলাইয়া’র গানে নাচতে। জাঞ্জিবার-এর সমুদ্রউপকূল থেকে নানান ছবি ও ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন কৌশানি। View this post on Instagram A post shared by Koushani (@myself_koushani)
বিরাটকে টপকালেন ঋষভ, কীভাবে জানেন?

বর্তমান সময়কে ভারতীয় ক্রিকেটের স্বর্ণযুগ বললেও খুব একটা ভুল হবেনা। কারণ, ভারতীয় ক্রিকেট দল এখন সমস্ত ফরম্যাটেই দাপটের সঙ্গে খেলছে। একইসঙ্গে, ভারতীয় ক্রিকেটের অনেক তারকা এখন বিশ্বসেরার তকমা পাচ্ছেন। বিরাট কোহলি হলেন ভারতের সর্বকালের সেরা ক্রিকেটারদের মধ্যে অন্যতম। এতদিন অবধি তিনি ছিলেন ভারতের সবথেকে দামি ক্রিকেটার। আইপিএল এবং জাতীয় দলের বেতন মিলিয়ে তিনি আর সব ভারতীয় ক্রিকেটারদের থেকে বেশি বেতন পেতেন। তবে আইপিএল-এর মেগা নিলামের পর তাঁর থেকে এই মুকুট ছিনিয়ে নিয়েছেন ভারতের তরুণ তুর্কি ঋষভ পন্থ। আসন্ন মরশুমে তিনি বিরাট কোহলির থেকেও বেশি বেতন পাবেন। যদিও পন্থের এই নতুন নজিরের নেপথ্যে রয়েছে আইপিএল-এর মেগা নিলাম। কীভাবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক। আসলে আরসিবি দল আসন্ন আইপিএল মরশুমের জন্য বিরাট কোহলিকে ধরে রেখেছিল রিটেনশনের মাধ্যমে। সেই জন্য দল বিরাট’কে ২১ কোটি টাকা দিয়েছে। এদিকে জাতীয় দলের একজন ‘এ প্লাস’ খেলোয়াড় হওয়ার কারণে তিনি বোর্ডের তরফ থেকে বার্ষিক ৭ কোটি টাকা বেতন পেয়ে থাকেন। সেই কারণে কোহলির মোট বার্ষিক বেতন দাঁড়ায় ২৮ কোটি টাকা। এদিকে এবার ঋষভ পন্থকে ২৭ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। একইসঙ্গে তিনি ভারতীয় দলের একজন ‘এ’ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়। সেই বাবদ বিসিসিআই তাঁকে বার্ষিক ৫ কোটি টাকা বেতন দেয়। সর্বমোট তিনি বছরে ৩২ কোটি টাকা পাবেন। অর্থাৎ, যেখানে বিরাটের বার্ষিক বেতন ২৮ কোটি টাকা, সেখানে ঋষভ তাঁর থেকে ৪ কোটি টাকা বেশি বেতন পাচ্ছেন। তাই একথা বলাই যায় যে, বর্তমানে বিরাট নয়, ভারতের সবথেকে দামি খেলোয়াড় হলেন ঋষভ পন্থ।




