পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে আটকে রয়েছে শীত?

শীতের প্রভাব ফের কমবে বাংলায় (Weather Forecast), এমনটাই জানিয়ে দিল হাওয়া অফিস। আলিপুর (Alipore Weather Update) থেকে জানানো হয়েছে, একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তর-পশ্চিমের ঠান্ডা হাওয়া বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। এর ফলে রাজ্যের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ কিছুটা উপরে রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৩-৪ দিন রাজ্যের তাপমাত্রায় তেমন কোনো পরিবর্তন হবে না। অর্থাৎ, আগামী ৭২ ঘন্টায় কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। মঙ্গলবার ভোরে কলকাতার আকাশ কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল। দিনের বেলাতেও আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। বুধবার মেঘলা আকাশের পাশাপাশি সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার পূর্বাভাস রয়েছে। তবে বুধবার পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বড়দিনে উত্তুরে হাওয়ার অভাবে কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গে শীতের অনুভূতি তুলনামূলক কম থাকবে। তবে শুক্রবার থেকে তাপমাত্রা আবার কমতে শুরু করতে পারে। তবে বর্ষবরণের আগে পারদের বড় পতনের সম্ভাবনা কম। এদিকে দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি এলাকায় বড়দিনে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ঘন কুয়াশার দাপট থাকবে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর এবং মালদা জেলায়। অন্যান্য জেলায় শুষ্ক আবহাওয়া বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব কেটে গেলে রাজ্যে শীতের প্রভাব আবার ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
অল্লুর বিরুদ্ধে ফের অভিযোগ দায়ের!

ফের বিতর্কের মুখে দক্ষিণী সুপারস্টার অল্লু অর্জুন (Allu Arjun)। এবার তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশকে অপমান করার অভিযোগ উঠল। ‘পুষ্পা-২’ (Pushpa-2) সিনেমার একটি দৃশ্য ঘিরে তৈরি হয়েছে এই বিতর্ক। তেলঙ্গনার (Telengana) কংগ্রেস নেতা থেনমার মাল্লান্না (Teenmar Mallanna) এই অভিযোগে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। জানা গিয়েছে, ওই কংগ্রেস নেতা (Congress Leader) মেডিপাল্লি থানায় অভিনেতা, ছবির পরিচালক এবং প্রযোজকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে এক বিতর্কিত দৃশ্য, যেখানে দেখা গিয়েছে অল্লু অর্জুন একটি সুইমিং পুলে প্রস্রাব করছেন এবং তাঁর সামনেই উপস্থিত এক পুলিশ আধিকারিক। এই দৃশ্য সমগ্র পুলিশ বাহিনীকে অপমান করেছে বলে দাবি করেছেন কংগ্রেস নেতা। অভিযোগকারীর আর্জি, এই দৃশ্যের জন্য অল্লুর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তবে বিতর্ক এখানেই শেষ নয়। ‘পুষ্পা-২’-এর প্রিমিয়ারের দিন ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনাতেও নাম জড়িয়েছিল অভিনেতার। উল্লেখ্য, হায়দরাবাদের একটি থিয়েটারে ৪ ডিসেম্বর প্রিমিয়ারের সময় পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় ৩৫ বছরের এক মহিলার। এই ঘটনায় হায়দরাবাদ পুলিশ এফআইআর দায়ের করে। গত ১৩ ডিসেম্বর সকালে অল্লু অর্জুনকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর সঙ্গে আরও ছয় জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। নিম্ন আদালতের নির্দেশে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয় অভিনেতাকে। তবে তেলঙ্গানা হাই কোর্টে আবেদন জানিয়ে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে অন্তর্বর্তী জামিন পান তিনি।
সোনা মজুতের দিক থেকে ভারত কত নম্বরে?

বিশ্বের অর্থনীতিতে সোনার (Gold Reserve) গুরুত্ব চিরকালীন। যুগের পর যুগ ধরে সোনা কেবল অলঙ্কারের জন্য নয়, বরং নিরাপদ বিনিয়োগ (Investment) হিসেবেও পরিচিত। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের (World Gold Council) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোনা মজুতের দিক থেকে শীর্ষস্থানে রয়েছে আমেরিকা (USA)। তালিকার বিভিন্ন দেশের মজুত পরিমাণ এবং তাদের সোনার প্রতি আস্থা অর্থনীতির দিক থেকেও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রথম স্থান দখল করে থাকা আমেরিকার কাছে মজুত রয়েছে ৮১৩৩.২৬ টন সোনা, যা তাদের বৈদেশিক মুদ্রা তহবিলের ৭৪ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা জার্মানির (Germany) কাছে সঞ্চিত রয়েছে ৩৩৫৯.১ টন সোনা। ১৯২০ সালের মুদ্রাস্ফীতি থেকে শিক্ষা নিয়ে জার্মানি আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য সোনা জমানো শুরু করে। বর্তমানে তাদের সোনার বেশিরভাগ অংশ নিউ ইয়র্ক, লন্ডন এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে মজুত আছে। ইতালি (Italy) তৃতীয় স্থানে রয়েছে ২৪৫১.৮ টন সোনা নিয়ে। এই সোনা পরিচালনা করে তাদের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক, ‘ব্যাঙ্কা ডি’ইতালিয়া’। দক্ষিণ ইউরোপের এই দেশটির সোনা আন্তর্জাতিক ব্যাঙ্কে এবং রাজধানী রোমে সুরক্ষিত। ফ্রান্স ২৪৩৬ টন সোনা নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে তারা সোনার ভাণ্ডার শক্তিশালী করে তুলেছে। পঞ্চম স্থানে থাকা চিনের (China) গোল্ড রিজার্ভ ২২৬৪ টন। এশিয়ার মহাশক্তিধর এই দেশটি সোনা সঞ্চয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে। তালিকার সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে ভারত (India), মজুত রয়েছে ৮৫৮.৩ টন সোনা। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ভারত সোনা কেনার ক্ষেত্রে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের মতে, অক্টোবর মাসে বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলি যে পরিমাণ সোনা কিনেছে তার ৪৮ শতাংশই ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের। জাপান (Japan) অষ্টম স্থানে রয়েছে ৮৪৫ টন সোনা নিয়ে। নেদারল্যান্ডসের (Netherlands) মজুত সোনা ৬১২ টন, এবং দশম স্থানে থাকা তুরস্কের (Turkey) কাছে রয়েছে ৫৯৫ টন।
গুরতর অসুস্থ কাম্বলি!

হাসপাতালের বেডে শুয়ে গেয়ে উঠলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার বিনোদ কাম্বলি। জানালেন, তিনি ভালো আছেন। সেঞ্চুরি ও ডবল সেঞ্চুরির কথা মনে আছে। শচীন তেন্ডুলকরের কাছে কৃতজ্ঞ তিনি। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে গাইলেন, ‘উই আর দ্য চ্যাম্পিয়নস’। শনিবার বিনোদ কাম্বলির স্বাস্থ্যের আচমকা অবনতি হয়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে মহারাষ্ট্রের থানে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের একটি দল তাঁর যত্ন নিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা-নিরিক্ষা শেষ হয়েছে। মাথায় রক্ত জমাট বাঁধার কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আপাতত ভালো আছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার।
কুচকাওয়াজে দিল্লির কর্তব্য পথে বাংলার ট্যাবলো

২০২৫ এর সাধারণতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2024) কুচকাওয়াজে দিল্লির কর্তব্য পথে অংশ নিচ্ছে বাংলার ট্যাবলো। সূত্রের খবর, সরকারের লোক প্রসার প্রকল্পকে সামনে রেখে ওই ট্যাবলোর পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে। জঙ্গলমহলের প্রেক্ষাপট ও টেরাকোটা মন্দিরের পশ্চাদপটে ট্যাবলোটিকে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে বলে খবর। রাজ্যের তরফে কুচকাওয়াজে অংশ নেবেন ছৌ এবং বাউল শিল্পীরা। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট নির্বাচক কমিটির ছাড়পত্র পেয়েছে রাজ্যের এই বিষয়ে ভাবনার বলে সূত্রের খবর। গতবার দিল্লিতে সাধারন্তন্ত্র দিবসে রাজ্যের কন্যাশ্রী প্রকল্পের ভাবনার উপর রাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত ট্যাবলো কেন্দ্র বাতিল করে দিয়েছিল। রাজ্যের ঐতিহ্যপূর্ণ লোকশিল্পের পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে লোকশিল্পীদের স্বীকৃতি এবং আর্থিক সহায়তা দিতে রাজ্য সরকার লোক প্রসার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান না পাওয়া গেলেও বেসরকারি সূত্রে খবর রাজ্যের ১ লক্ষ ৮১ হাজার লোকশিল্পী লোকপ্রসার প্রকল্পের আওতাধীন হয়েছেন।
কলকাতায় আসছেন সুনিধি চৌহান

ডিসেম্বরের শহর। ইতিমধ্যেই বঙ্গবাসী ফেস্টিভ মুডে মেতে উঠেছেন। মেলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন কনসার্ট ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তিলোত্তমা জুড়ে। কদিন আগেই তিলোত্তমা মাতিয়ে যান দিলজিৎ দোসাঞ্জ। অন্যদিকে, এক ছুটির দিন রবিবারে ব্রায়ান ঝড়ে কাবু হয় গোটা শহর। আর এবার বর্ষশেষ উন্মাদনাকে আরও দশ গুণ বাড়াতে শহর কলকাতায় আসছেন সুনিধি চৌহান। চলতি সপ্তাহেই বড়দিন। আর তার আগেই শহরে নিজের রক মুড এবং সুরেলা কণ্ঠে গোটা শহরকে ভাসাতে উপস্থিত হচ্ছেন তিনি। ইতিমধ্যেই গায়িকার শো ঘিরে শহরজুড়ে সাজ সাজ রব। নিজের প্রযোজনায় তৈরি ‘ আই অ্যাম হোম ‘ কনসার্ট নিয়ে এবার কলকাতায় শো করতে আসছেন সুনিধি। তবে শো তে রয়েছে আরও চমক! শুধুমাত্র সুনিধি চৌহানই নন, মঞ্চ মাতাতে সেখানে উপস্থিত থাকবেন ‘ আজ কি রাত ‘ গানের ড্যান্সার অভিনেত্রী তামান্নাহ ভাটিয়া। রকিং এই শো হতে চলেছে ক্রিসমাস ইভের দিন, অর্থাৎ ২৪ ডিসেম্বরে। বিশ্ব বাংলা মেলা প্রাঙ্গনে সন্ধ্যা ৭ টা থেকে এই শো শুরু হবে।
প্রয়াত শ্যাম বেনেগাল

ওয়েব ডেস্ক: বহু দিন ধরেই বা বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন পরিচালক শ্যাম বেনেগাল। এ ছাড়া কিডনি সংক্রান্ত সমস্যাও ছিল তাঁর। তবে ২৩ ডিসেম্বর সন্ধে ৬টা বেজে ৩০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন পরিচালক। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। শারীরিক অসুস্থতায় জর্জরিত, তবুও কাজের মধ্যেই ছিলেন শ্যাম বেনেগাল। সপ্তাহে তিন দিন ডায়ালিসিস-এর জন্য হাসপাতালে যেতে হত তাঁকে। কিন্তু ছবির কাজ থামেনি তাতেও। ২০২৩-এ মুক্তি পায় তাঁর শেষ ছবি ‘মুজিব: দ্য মেকিং অফ এ নেশন’। ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে একাধিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তিনি। ১৯৭৬ সালে পদ্মশ্রী ও ১৯৯১ সালে পদ্মভূষণ পেয়েছিলেন শ্যাম বেনেগাল। দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারও পান তিনি।
খেলরত্ন পুরস্কারে মনোনয়নে নাম নেই মনু ভাকেরের

স্বাধীনতা উত্তর সময়ে প্রথম ভারতীয় হিসেবে একই অলিম্পিক্স (Paris Olympics 2024) থেকে জোড়া পদক জিতেছেন মনু ভাকের (Manu Bhaker)। অথচ মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার (Dhyan Chand Khel Ratna Award) প্রাপকদের মনোনয়নের তালিকায় তাঁর নামই নেই! সূত্রের খবর, ক্রীড়াক্ষেত্রে দেশের সর্বোচ্চ সম্মানের জন্য শুটারের নাম বিবেচনাই করেনি ১২ সদস্যের জাতীয় ক্রীড়া কমিটি (National Sports Committee)। এই কমিটির নেতৃত্বে আছেন সুপ্রিম কোর্টের অবসর প্রাপ্ত বিচারপতি ভি রামাসুব্রামাম। জাতীয় ক্রীড়া মন্ত্রকের দাবি, খেলরত্ন পুরস্কারের জন্য আবেদনই করেননি মনু। অথচ তাঁর বাবা রামকৃষ্ণ বলছেন, আবেদন করা হয়েছে কিন্তু কমিটির থেকে কোনও সাড়া পাননি। খেলরত্ন পুরস্কারের মনোনয়নে আছেন ভারতীয় পুরুষ হকি দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং এবং প্যারা-অ্যাথলিট প্রবীণ কুমার। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে অলিম্পিক্সে জোড়া পদকজয়ীর পিতা বললেন, “একটাই অলিম্পিক্সে দুটো পদক পাওয়ার কী মানে যদি পুরস্কারের জন্য ভিক্ষা চাইতে হয়। একজন সরকারি আধিকারিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, বাকি সদস্যেরা চুপ করে আছেন, তাঁদের মতামত দিচ্ছেন না। আমি বুঝতে পারছি না, এটাই কি অ্যাথলিট উৎসাহ জোগানোর উপায়?” রামকৃষ্ণ আরও বলেন, “আমরা পুরস্কারের জন্য আবেদন করেছিলাম কিন্তু কমিটি কিছু জানায়নি। বাবা-মায়েরা কেন যে সন্তানদের খেলাধুলোতে উৎসাহ দিচ্ছেন, তাঁদের উচিত সরকারে আইআরএস আধিকারিক বানানোর দিকে ঠেলে দেওয়া।” এদিকে ক্রীড়া মন্ত্রকের এক সূত্র বলছে, মনোনয়নের চূড়ান্ত তালিকা এখনও তৈরি হয়নি। আর দিন দুয়েকের মধ্যে তা তৈরি হয়ে যাবে এবং জানিয়ে দেওয়া হবে। এও জানানো হয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় মন্ত্রীর সম্মতির পর। আগামী বুধবার কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
ক্লাস ফাইভ ও এইটে পাশ-ফেল ফিরছে

পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে পাশ-ফেল (Pass Fail) ফিরছে। শিক্ষার অধিকার আইনে বড় বদল আনল কেন্দ্রীয় সরকার। তাতে ফেল করা ছাত্রছাত্রীদেরও পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকছে। একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে, ফল বেরনোর দুমাসের মধ্যে ফের পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবে ফেল করা পড়ুয়ারা। তবে দ্বিতীয়বারের পরীক্ষাতে কোনও পড়ুয়া সফল না হলে তাকে পরবর্তী ক্লাসে উন্নীত করা হবে না বলে শিক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে। বলা হয়েছে, কাউকে বহিষ্কার করা যাবে না। এতদিন নিয়ম ছিল এলিমেন্টারি বা বুনিয়াদি শিক্ষায় পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীতে কাউকে ফেল করানো হবে না। এর ফলে এবার ফের পরীক্ষা নেওয়া হবে। তুলে দেওয়া হবে ‘নো ডিটেনশন পলিসি’। ওই গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ছাত্রছাত্রীরা অকৃতকার্য হলে তাদের অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দুমাসের মধ্যে এই পরীক্ষা নেওয়া হবে। এটা কেন্দ্রীয় সরকারের আওতায় থাকা স্কুলগুলির জন্য প্রযোজ্য। কারণ শিক্ষা বিষয়ে সিদ্ধান্ত রাজ্যের এক্তিয়ার। ইতিমধ্যে ১৬টি রাজ্যে ও দিল্লিসহ দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই ব্যবস্থা চালু রয়েছে। ২০১৯ সালে শিক্ষার অধিকার আইনে সংশোধন এনে এই নিয়ম চালু করা হয়। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে রাজ্যে পাশ ফেল ব্যবস্থা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কমিটি করেছিল রাজ্য। বিশেষজ্ঞদের বেশিরভাগই পাশ-ফেল ব্যবস্থা ফেরানোর পক্ষে মত দিয়েছিলেন। কিন্তু, তা কার্যকর হয়নি।
বছরের প্রথম মাস জানুয়ারি কেন?

বিশ্বজুড়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয় জানুয়ারির প্রথম দিনেই। কিন্তু কেন ১ জানুয়ারি বছরের প্রথম দিন হিসেবে পালিত হয়, তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে। সেইসঙ্গে, বছরের প্রথম মাসের নাম কেন জানুয়ারি, তা নিয়েও রয়েছে ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা। ২০২৪ সালের শুরুতে, আসুন জেনে নিই এই ঐতিহাসিক পটভূমি। প্রায় ২,০০০ বছর আগে রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার একটি ক্যালেন্ডার প্রবর্তন করেন, যা আজকের গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের পূর্বসূরী। ১ জানুয়ারি রোমান পেগান উৎসবের দিন হিসেবে পালিত হতো। পরে, এই দিনটিকেই ইংরেজি বছরের প্রথম দিন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তবে এর আগে ২৫ মার্চ বা ২৫ ডিসেম্বরকেও বছরের প্রথম দিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। জানুয়ারি নামটির উৎপত্তি রোমান দেবতা জানুসের নাম থেকে। জানুস ছিলেন দ্বিমুখী দেবতা, যিনি একদিকে অতীত এবং অন্যদিকে ভবিষ্যৎ দেখার ক্ষমতা রাখতেন। ল্যাটিন ভাষায় জানুয়ারিকে ‘ইয়ানুরিয়া’ বলা হতো, যা জানুসের প্রতি উৎসর্গিত। তাই জানুয়ারিকে নতুন শুরুর প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জানুয়ারির প্রতীকী গুরুত্ব অনেক গভীর। ব্রিটেনের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডায়ানা স্পেনসার জানিয়েছেন, জানুসের এক মুখ অতীতের দিকে এবং অন্য মুখ ভবিষ্যতের দিকে নির্দেশ করে। জানুয়ারি মাস তাই অতীত এবং ভবিষ্যতের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। পাশাপাশি, শীতের পরে এই সময় দিন বড় হতে শুরু করে, যা কৃষিজীবীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার সূচনা করে। বর্তমান যে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার আমরা অনুসরণ করি, তা ষোড়শ শতকে পোপ গ্রেগরি ত্রয়োদশ প্রবর্তন করেন। সেই সময় থেকেই ১ জানুয়ারি নতুন বছরের প্রথম দিন হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। আজকের দিনে বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই এই ক্যালেন্ডার অনুসরণ করা হয়। এভাবেই জানুয়ারি এবং ১ জানুয়ারি আমাদের জীবনে একটি বিশেষ স্থানে পৌঁছেছে।




