সিডনিতে বাদ রোহিত?

সিডনি টেস্টের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে রীতিমতো বোমা ফাটিয়েছেন হেড কোচ গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir)। ইঙ্গিত দিয়েছেন, অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে (Rohit Sharma) সিরিজের শেষ টেস্টে বসানো হতে পারে। সরাসরি কিছু বলেননি, তবে যা বলেছেন তা-ই চোখ কপালে তোলার জন্য যথেষ্ট। সাংবাদিক বৈঠকে রোহিত আসেননি, তা নিয়ে জল্পনা ওঠে। এ নিয়ে গম্ভীর বলেন, “রোহিত ঠিকই আছে, ওর এখানে আসতেই হবে এমন কোনও প্রথা নেই। হেড কোচ এসেছে সেটাই যথেষ্ট। কাল পিচ দেখে প্রথম একাদশের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।” হেড কোচকে ফের প্রশ্ন করা হয়, রোহিত কি সেই দলে থাকছেন? তাতে তিনি বলেন, “আগে যা বললাম সেটাই উত্তর।” সাধারণত, দল যাই হোক, অধিনায়কের নির্বাচন নিয়ে কোনও সংশয় থাকে না। কিন্তু চূড়ান্ত খারাপ ফর্মে থাকা রোহিতকে নিয়ে সে কথা বলা যাচ্ছে না। অন্তত গম্ভীরের কথা অনুযায়ী। রোহিতকে বসানো হলে জসপ্রীত বুমরার (Jasprit Bumrah) নেতৃত্ব দেওয়ার কথা যিনি পার্থ টেস্টে অধিনায়ক ছিলেন এবং ভারত সেই ম্যাচ জিতেছিল। কিন্তু অধিনায়কত্ব নিয়ে নতুন জল্পনা উঠেছে। শোনা যাচ্ছে, সিডনিতে নেতৃত্বে ফিরতে পারেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। দেশের সর্বকালের সফলতম টেস্ট অধিনায়ককে এবারের বর্ডার-গাভাসকর ট্রফিতে যথেষ্ট ‘প্রো-অ্যাক্টিভ’ দেখিয়েছে। ফিল্ডিং সাজানো থেকে বোলারদের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে তাঁকেই চোখে পড়েছে বেশি। রোহিতের অবর্তমানে বুমরা নয়, কোনও তরুণ নয়, কোহলিতেই আস্থা রাখছেন নির্বাচকরা, এ খবরও হাওয়ায় ভাসছে।
এক যুগ পর ফিরল ‘চন্দ্রবিন্দু’

এভাবেও ফিরে আসা যায়। তা প্রমাণ করে দিল চন্দ্রবিন্দু (Chandrabindoo)। ‘ক্যাসেট থেকে রেকর্ড দীর্ঘ চড়াই উৎড়াইয়ের মধ্য দিয়ে পথচলা। আর এক যুগ পর নতুন অ্যালবাম নিয়ে ফিরল ‘চন্দ্রবিন্দু। দীর্ঘ ১২ বছর পর নিজেদের দশম অ্যালবামের নতুন গান প্রকাশ করল উপল-চন্দ্রিল-অনিন্দ্যরা। ৯ দশকের ছেলে মেয়েদের কাছে বাংলা ব্যান্ড একটা আবেগ। বন্ধুত্ব থেকে সাফল্য, প্রেমে ছ্যাকা সব সব কিছুর ওষুধ বাংলা ব্যান্ডের মন ছুঁয়ে যাওয়া গান। ১৯৯৭ সালে মুক্তি পেয়েছিল চন্দ্রবিন্দুর প্রথম অ্যালবাম ‘আর জানি না’। তারপর দীর্ঘ পথ চলা। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বদল এসেছে ভাবনায়। বদলেছে গান শোনানোর মাধ্যম। ২০১২ সালে শেষ অ্যালবাম মুক্তি পেয়েছিল চন্দ্রবিন্দুর। এরপর কেটেছে ১২ বছর। দীর্ঘ ১২ বছর পর নিজেদের দশম অ্যালবাম নিয়ে এল। আইটিউনস, স্পটিফাইয়ের যুগে অ্যালবাম আনল উপলরা। চন্দ্রবিন্দুর দশম অ্যালবামের নাম ‘টালোবাসা’ (Talobasa)। নয়ের দশকের নস্ট্যালজিয়াকে ফেরত আনল চন্দ্রবিন্দু। নতুন অ্যালবামের ঘোষণা গত বছর করেছিল উপল-অনিন্দ্যরা। নতুন বছরের শুরুতে প্রকাশ পেল ‘টালোবাসা’র নতুন গান। উপল-চন্দ্রিল-অনিন্দ্যরা। সেইমতোই বছরের শুরুতেই মিলল ভালোবাসায়মাখা ‘টালোবাসা’র (Talobasa) খবর। উপল সেনগুপ্ত বলেন, ‘কেউ যদি নব্বইয়ের দশককে চিনতে জানতে চান, সেগুলো পেয়ে যেতে পারেন ‘চন্দ্রবিন্দু’-র গানে।
নীতীশের জন্য ইন্ডিয়া জোটের দরজা খোলা, মন্তব্য লালুর

লালুপ্রসাদ যাদব (লালু) (Laluprasad Yadav) ভারতীয় রাজনীতিতে এক বর্ণময় চরিত্র। জেল যাপন, কিডনি প্রতিস্থাপন, বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে সেভাবে ফ্রন্টফুটে দেখা যায় না। তাঁর ছেলে তেজস্বী যাদবই আরজেডি (RJD) দল পরিচালনা করেন। লালুর একেকটা কথায় হাসির রোল উঠত। রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি করত। সে সংসদে রেলের বাজেট পেশের সময়ই হোক বা বিহারে হেমা মালিনীর গালের মতো মসৃণ রাস্তা করে দেওয়ার কথা বলাই হোক। বৃহস্পতিবার লালু আকস্মিকই বললেন, নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) জন্য ইন্ডিয়া জোটের দরজা খোলা। ব্যাস। পাটনার আকাশে আলোড়ন। এটা কি তবে তাঁর স্বভাবসিদ্ধ রসিকতা? এগিয়ে আসছে বিহার বিধানসভা ভোট। তার আগে এই লালু-বার্তার গভীর রাজনৈতিক তাৎপর্য থাকতে পারেও বলে মনে করছেন রাজনীতির কারবারিরা। বিহারের রাজনীতিতে চির প্রতিদ্বন্দ্বী নীতীশ, লালু। জয়প্রকাশ নারায়ণের একদা দুই শিষ্য পরে আলাদা শিবিরে বিভক্ত হয়ে যান। নিজেরাই হয়ে ওঠেন ভিন্ন ধারার রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতিষ্ঠান। তবে তার পরেও জোট করে হিন্দি বলয়ের পূর্বের এই রাজ্যে সরকার গড়েছে লালু-নীতীশ। ২০১৫ সালে ও ২০২২ সালে বিজেপি ছেড়ে লালুর সঙ্গে জোট গড়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন নীতীশ। যেভাবে বারবার জেডিইউ সুপ্রিমো নীতীশ দল বদলে কুর্সি আঁকড়ে থেকেছেন, তাতে তিনি যে কোনও দিন যা কিছু করতে পারেন সেটা স্বাভাবিক বলে মনে করেন রাজনীতর পর্যবেক্ষকরা। কিন্তু, এমনটা হলে শুধু বিহারের রাজনীতিতে তা সীমাবদ্ধ থাকবে না। কারণ কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকার টিকে রয়েছে নীতীশ কুমার ও চন্দ্রবাবু নায়ডুর উপর ভর করে। নীতীশ এনডিএ ছেড়ে লালু বা ইন্ডিয়া জোটের হাত ধরলে টলমল করবে মোদির গদি। গত ২০ বছরে মোট চারবার জোট বদলে মুখ্যমন্ত্রী হন নীতীশ। এবার ফের বিধানসভা ভোটের আগে কি জোট বদলাবেন? তবে লালুর এই প্রস্তাবের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে নীতীশ খানিকটা বিরক্তির সুরেই সাংবাদিকদের বলেন, আপনারা কি বলতে চাইছেন? উল্লেখ্য, নরেন্দ্র মোদির এনডিএর বিরুদ্ধে ইন্ডিয়া জোট গড়ার অন্যতম কারগির ছিলেন নীতীশ কুমার। এই জোটের প্রথম বৈঠকও পাটনায় হয়েছিল। যদিও পরে তিনি রং বদলে এনডিএতে ফিরে যান।
জাঁকিয়ে শীত কবে?

আরও আরেকটা বছর। নতুন বছর ২০২৫ (New Year 2025) কে স্বাগত জানাল গোটা বিশ্ব (World) । ফের একটি নতুন ইনিংস লিখবে এই বছর। ২০২৪ সালে বছরের শেষের দিনগুলিতে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় উষ্ণ ২৫ শে ডিসেম্বর কাটিয়েছে মানুষ। শেষ দিকটাও প্রায় ছিল একই রকম। তবে ৩১ শে ডিসেম্বর (December) রাত থেকে আবহাওয়া (Weather) তার রূপ পরিবর্তন করতে শুরু করে। আজ ১ জানুয়ারি সকাল থেকেই বেশ ঠান্ডার (Cold Wave) অনুভূতি কলকাতা সহ তার পাশ্ববর্তী জেলাগুলিতে (District)। আবহাওয়া দফতর (Weather Office) জানিয়েছে, আজ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা কমতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। আজ বুধবার নতুন বছরের প্রথম দিন আকাশ ভোরের দিকে কুয়াশাচ্ছন্ন থাকলেও বেলা বাড়লে পরিষ্কার হয়ে যাবে । এক ধাক্কায় পারদ পতন শহরে। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.২ ডিগ্রি । দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২২.৬ ডিগ্রি। চলতি সপ্তাহে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের চ প্রায় সব জেলাতেই ২-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা নামতে পারে। তবে জানিয়ে রাখি প্রবল শীতের কোনও সম্ভাবনা এখনও নেই। সেই নিয়ে আশার খবর শোনাতে পারেনি হাওয়া অফিস। অর্থাৎ শীতপ্রেমীদের মন খারাপের কিছু নেই। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে আজ থেকে তাপমাত্রা নামবে একটু একটু করে। গোটা রাজ্যের পাশাপাশি শহর কলকাতাতেও শীতের আমেজ রয়েছে। আগামী কয়েকদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। শুক্রবার পর্যন্ত কলকাতায় দিনে এবং রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। এদিকে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের কিছু কিছু জেলায় তাপমাত্রা এক লাফে ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত নামতে পারে। মূলত পশ্চিমের জেলাগুলিতে এক ধাক্কায় নেমে যেতে পারে পারদ। আজ থেকে বেশ কয়েকদিন বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গের কোনো জেলাতেই। তবে পিছু ছাড়বে না কুয়াশা। হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার দাপট থাকবে পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া জেলায়। এছাড়া দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও কম-বেশি কুয়াশা থাকবে। অন্যদিকে জমিয়ে শীতের আমেজ উপভোগ করবে উত্তরবঙ্গের মানুষ। উত্তরবঙ্গে কুয়াশার দাপট বেশি থাকবে। ঘন কুয়াশার সতর্কতা থাকবে দার্জিলিং জলপাইগুড়ি কোচবিহার উত্তর দিনাজপুর জেলাতে। দৃশ্যমানতা ২০০ মিটারের নিচে থাকবে বেশিরভাগ এলাকায় কোথাও কোথাও ৫০ মিটারে নেমে আসতে পারে। আজ থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই দার্জিলিং, কালিম্পঙ, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদাতেও। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদায় থাকবে কুয়াশার দাপট।
নতুন বছরে কী বার্তা মমতার?

বিশ্ববাসী নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে। আনন্দের পরিবেশ, উৎসবের মেজাজ। বছরের প্রথম দিনে ছুটির মেজাজ। আনন্দে মাতোয়ারা বাংলা। তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে (TMC Foundation Day) বিশেষ বার্তা দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ২৭ পেরিয়ে ২৮ বছরে পা দিল তৃণমূল কংগ্রেস। আজকের দিনে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বিশেষ দিনটি স্মরণ করে বিশেষ বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। নতুন বছরে উৎসবের আনন্দ, মা-মাটি-মানুষ নিয়ে বাংলা আছে ভাল। ২৪শের লোকসভা নির্বাচনে বিপুল সাফল্য পেয়েছে তৃণমূল। ২৯টি আসন জয়ী হয় তৃণমূল। যেটিকে মাইলস্টোন হিসেবে চিহ্নিত করেছেন মমতা। রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা উপনির্বাচন। ঘর গোছাতে ব্যস্ত রাজ্যের শাসকদল। বছরের প্রথমদিন ও দলের প্রতিষ্ঠা দিবসে ভোট ময়দানে তৃণমূলের সাফল্যের কথা তুলে ধরলেন তৃণমূলনেত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি লিখলেন, মা মাটি আর মানুষ নিয়ে বাংলা আছে ভাল, তৃণমূলের হাতেই থাকুক নতুন দিনের আলো। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, তৃণমূলের হাত ধরে রাজ্যে যেভাবে উন্নয়নের জোয়ার বইছে, আগামীদিনও তা বহাল থাকবে, এমনটাই বুঝিয়েছেন মমতা। তৃণমূলের সাফল্যের কথা তুলে ধরে বার্তা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তৃণমূলকে আশীর্বাদের জন্য ‘গণদেবতা’-কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। ২৮ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করল রাজ্যের শাসক দল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার বাইপাসের কাছে তৃণমূল ভবনে দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন রাজ্য সভাপতি সুব্রত বকসী। প্রতিষ্ঠা দিবসের উপলক্ষে এদিন তৃণমূল ভবনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রাজ্যসভা সাংসদ দোলা সেন, দলের সহ সভাপতি জয় প্রকাশ মজুমদার, মণীশ গুপ্ত, বামফ্রন্ট আমলের প্রাক্তন মন্ত্রী বর্তমানে তৃণমূল নেতা মোর্ত্তজা হোসেন সহ একাধিক নেতৃত্ব। ২৮ তম প্রতিষ্ঠা দিবসের উপলক্ষে শহীদ বেদীতে একেক করে মাল্যদান দান করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন তৃণমূল নেতৃত্বে। অনুষ্ঠান শেষ বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতিক জীবনের পাশাপাশি তার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কর্মকাণ্ডের উপরে আলোকপাত করেন দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বকসী। তিনি বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তিনি ১৯৯৩ সালে ১৪ জুলাই সচিত্র পত্র আন্দোলন শুরু করেছিলেন। ২১ জুলাইয়ের আন্দোলন যখন মহাকরণের ডাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর নেতৃত্বে আন্দোলন সংঘঠিত হয়েছিল। তখন বামফ্রন্ট সরকার নির্বিচারে গুলি ও লাঠি চালিয়ে ছিল। যারা ফলে ১৩ জন শহীদ হয়েছিলেন। এই মুহূর্তে ভারতবর্ষের দাড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন জনবিরোধী নীতির প্রথম বিরোধিতা জানান। বাংলার কংগ্রেসের একটা বড় অংশ দিল্লির সঙ্গে মিলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে কোণঠাসা করার চেষ্টা করেছিলেন। তার পরেই তৃণমূল কংগ্রেসের জন্ম হয়।আজকে বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে সংসদীয় রীতিনীতি মেনে সরকার গঠন করে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। প্রান্তিক মানুষের কাছে যাতে সরকারের ৭৩ টি প্রকল্পের পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। সহকর্মীদের বলব বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করে সরকারের প্রকল্প পৌঁছে দেবেন। সংঘবদ্ধ লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে যতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেঁচে থাকবেন। তার প্রকল্প কে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকব বলে জানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী।
ভারতে অসাধ্যসাধন ঘটাবেন ইলন মাস্ক?

ভারতের বুকে এখনও এমন অনেক প্রত্যন্ত গ্রাম রয়েছে, যেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা পৌঁছয়নি। তবে এবার এই সমস্যার সমাধান করার উদ্দেশ্যে মহাকাশে ‘জিস্যট-২০’ স্যাটেলাইট পাঠাল ভারত। এক্ষেত্রে ভারতকে সাহায্য করল ইলন মাস্কের সংস্থা ‘স্পেস এক্স’। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, সোমবার মধ্যরাতে আমেরিকার ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে স্পেস এক্স-এর ‘ফ্যালকন-৯’ রকেটের মাধ্যমে এটিকে মহাকাশের উদ্দেশ্যে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। মাত্র ৩৪ মিনিটে ভারতের এই স্যাটেলাইট মহাকাশে পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সম্পূর্ণ বানিজ্যিক এই স্যাটেলাইটটির ওজন ৪,৭০০ কেজি। যদিও এর আগে ইসরো এককভাবে অনেক স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠিয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে ‘জিস্যাট-২০’-র ওজন অনেকটা বেশী হওয়ার কারণে এটিকে পাঠানোর জন্য স্পেস এক্স-এর সাহায্য নিতে হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল যে, এই ‘জিস্যাট-২০’ স্যাটেলাইটের আসল কাজ কী? জানা গিয়েছে যে, এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে মূলত বিমানে ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়া হবে। এছাড়াও, এখনও ভারতের অনেক প্রত্যন্ত এলাকায় ইন্টারনেট পৌঁছয়নি। সেই সমস্যার ঘটানো এই মিশনের উদ্দেশ্য হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, আগামী ১৪ বছর ধরে এই স্যাটেলাইট পরিষেবা দেবে। ইসরো জানিয়েছে যে, সফলভাবে কক্ষপথে প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
কল্পতরু উৎসবে দক্ষিণেশ্বর-কাশীপুর-বেলুড় মঠে ভক্তের ঢল

আজ কল্পতরু উৎসব (Kalpataru Utsav 2025), ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় দক্ষিণেশ্বরে, নয়া সাজে মা ভবতারিণী। বছরের প্রথম দিনে দক্ষিণেশ্বরের (Dakshineswar) পাশাপাশি বেলুড়মঠেও (Belur Math) প্রচুর মানুষের সমাগম। কল্পতরু উৎসব উপলক্ষে ভক্তের ঢল পূর্ণভূমি কামারপুকুরে। ভোর থেকেই মঙ্গল আরতির মাধ্যমে পুজোপাঠ শুরু হয়েছে কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠে। আজকের দিনে দক্ষিণেশ্বরে কল্পতুরু হয়েছিলেন ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংস আর সেই ১ জানুয়ারিকে কেন্দ্র করে বেলুড় মঠেও প্রচুর মানুষের ঢল। প্রতিবছর বেলুড় মঠের পক্ষ থেকে ভক্তদের উদ্দেশ্যে প্রসাদের আয়োজন করা হয়। সারাদিন নানাবিধি অনুষ্ঠানে নতুন বছর উপলক্ষে বেলুড় মঠ সেজে ওঠে। বছরের প্রথম দিনে বেলুড় মঠ, কাশীপুর উদ্যানবাটী ও দক্ষিণেশ্বরের পাশাপাশি শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মভূমি কামারপুকুরে ভক্তের ভিড় চোখে পড়ার মতো। কামারপুকুরে ভোর রাত থেকেই বিশেষ পুজো পাঠ ও মঙ্গল আরতির মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে পুজোপাঠ। শ্রীরামকৃষ্ণের আদি খড়ের ছাউনি মাটির বাড়িটিকেও সাজিয়ে তোলা হয়েছে। চলছে পুজোপাঠ। কামারপুকুরে ঠাকুরের ভক্তরা কল্পতরু উৎসব উপলক্ষে গোটা কামারপুকুর নাম সংকীর্তন সহযোগে প্রদক্ষিণ করছে। ঠাকুরের কাছে বছরের প্রথম দিন মনবাসনা পূরণের দিন তাই ভক্তরা তাদের মনের বাসনা পূর্ণ করতে কামারপুকুরে ভিড় করেছেন। শ্রীরামকৃষ্ণদেব ভক্তদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন “তোদের চৈতন্য হোক”। ১৮৮৬ সালের ১ জানুয়ারি প্রথম কল্পতরু উৎসবের দিনটি শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস ও তাঁর অনুগামীদের জীবনে ছিল এক “অভূতপূর্ব তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।” ভক্তের বিশ্বাস, কল্পতরু উৎসবের দিনে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেবের কাছে মন থেকে কিছু চাইলে সে ইচ্ছা পূরণ হয়।’কল্পতরু’ কথার অর্থ হল ইন্দ্রলোকের সর্বকামনা পূরণকারী “দেবতরু” অর্থাত্ যিনি সহজেই অন্যের ইচ্ছাপূরণ করেন। এই দিন কল্পতরু রূপে ভক্তদের আর্শীর্বাদ করেছিলেন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেব। পূরণ করেছিলেন ভক্তদের সমস্ত মনস্কামনা। আর সেই থেকে ইংরেজি বছরের প্রথম দিনটি ‘কল্পতরু উত্সব’ নামে পরিচিত। কামারপুকুরে ঠাকুরের জন্মস্থান ও কাশীপুরে রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব জীবনের শেষদিনগুলি অতিবাহিত করেছিলেন। তাই কাশীপুর উদ্যানবাটীতে ও কামারপুকুরে এই উৎসব মহাসমারোহে পালিত হয়। দিনভর চলে হোম-যজ্ঞ ও পুজোপাঠ।
বোল্ড কিলার লুকে তামান্না

সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন সবচেয়ে বেশী ট্রেন্ডি অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া (Tamannaah Bhatia)। বছর শেষে সিল্কের শাড়িতে উষ্ণতা ছড়ালেন অভিনেত্রী। স্ত্রী ২ তে ‘আজ কি রাত’ আইটেম নম্বরে সেক্সি অ্যপিয়ারেনসে ঝড় তুলেছিলেন তমান্না ভাটিয়া। বছর শেষে অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়াকে দেখা গিয়েছিল মুম্বইয়ের এক পার্টিতে। অভিনেত্রীকে শাড়িতে বেশ আকর্ষণীয় দেখাচ্ছিল। একটি সিলভার রঙের কালো বর্ডার দেওয়া সিল্কের শাড়ি এবং একটি নুডুলস স্ট্রাপ কালো ব্লাউজ পড়েছিলেন। তামান্না স্টেটমেন্ট কানের দুল এবং তার চুল আপ সঙ্গে তার শাড়ি স্টাইল। তামান্না চাবুক ফিগার, ডিপ কাট ব্লাউজে বক্ষযুগল উন্মুক্ত। শরীরের মোহময়ী আবেদন সোশ্যাল মিডিয়ায় পারদ চড়ালেন। অভিনেত্রীর বোল্ড কিলার লুকে বছর শেষে কুপকাত নেটিজেনরা।
ফের অবৈধ অনুপ্রবেশ?

রাজ্যে ফের ধরা পড়ল বাংলাদেশি (Bangladeshi) নাগরিক। জাল আধার কার্ড (Adhaar Card) সহ দুই বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এবার ঘটনাস্থল উত্তর ২৪ পরগণা জেলার হাবড়া (Habra)। জানা গিয়েছে, ধৃত দুই মহিলার কাছে ভারতে আসার বৈধ কোনও কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। সেই কারণে তাঁদের গ্রেফতার করে পুলিশ (West Bengal Police)। পাশাপাশি, বাংলাদেশিদের অবৈধভাবে আশ্রয় দেওয়ার অপরাধে এক স্থানীয় যুবককেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জাল আধার কার্ড তৈরির একটি চক্রের হদিশ পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। সেই অসাধু চক্রের তিনজনকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। হাবড়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত দুই বাংলাদেশি মহিলা সন্ধ্যা রায় (৪৩) এবং সুপর্ণা রায় (১৮)। তাঁরা বাংলাদেশের বরিশালের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে। দু’জনেই অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসেন বলে খবর। সেই কারণে তাঁদের কাছে কোনও পাসপোর্ট বা বৈধ নথি পাওয়া যায়নি। তাই তাঁদের আশ্রয় দেওয়া অভিযোগে অমিত মন্ডল নামের এক অশোকনগরের যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই দুই মহিলা কী উদ্দেশ্যে কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে এসেছিলেন, তা জানতে এখনও জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। তাঁদের কোনও অসাধু উদ্দেশ্য ছিল কিনা, তাও জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। ধৃত বাংলাদেশি মহিলাদের কাছে জাল আধার কার্ড পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্র ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে নকল নথি তৈরির একটি চক্রের হদিশ পাওয়া যায়। চক্রে জড়িত তিনজনকে পাকড়াও করেছে পুলিশ। এর মধ্যে মতিউর রহমান নামে একজন বাংলাদেশিও রয়েছে বলে খবর। মঙ্গলবার সকালে তাঁদের বারাসাত আদালতে পেশ করা হয়।
জানুয়ারিতে ফের দুয়ারে সরকার

নতুন বছরের প্রথম মাসেই দুয়ারে সরকার ক্যাম্প (Duyare Sarkar Camp) হতে চলেছে। সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) একটি সরকারি অনুষ্ঠানে সোমবার এই মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Mamata Banerjee)। মুখ্যমন্ত্রী জানান, দুর্গম এলাকায় যাঁরা জাতি শংসাপত্র পাননি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাননি তাঁদের জন্য জানুয়ারির শেষ থেকে ফের দুয়ারে সরকার ক্যাম্প হবে। তা আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে। এই দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে আবেদন করেন বাসিন্দারা। এর ফলে এক জায়গায় আবেদন করার সুযোগ পেয়েছেন প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দারা। ওই শিবির চলাকালীনই নথিভুক্ত হতে পারেন এলাকাবাসী। বিভিন্ন সরকারি স্কলারশিপ ছাড়াও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্বাস্থসাথী কার্ড, বার্ধক্যভাতার মতো সুবিধা পাওয়ার আবেদন এখানে করা যায়। এছাড়া এখন পঞ্চায়েতে মিউটেশন বা জমির রেকর্ডও করা যায় এই দুয়ারে সরকার ক্যাম্প থেকে। ক্যাম্পগুলিতে দীর্ঘ লাইন দেখে বোঝা যায় এই উদ্যোগে কতটা ভরসা পেয়েছেন গ্রাম বাংলার মানুষ। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের এক ডিসেম্বর দুয়ারে সরকার ক্যাম্প চালু হয়। সরকারি অফিসে গিয়ে হত্যে দিয়ে পড়ে থাকার দিন শেষ করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। যাতে ঘরের দুয়ারে সরকারে এসে গিয়েছে বোঝানো হয়েছিল। গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুরসভা এলাকায় এই দুয়ারে সরকার শিবির করা হয়। যেখানে এক ছাতার তলায় সব সরকারি পরিষেবা পাওয়ার জন্য আবেদন করা যায়। এই ক্যাম্প শুরু থেকেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকে অপেক্ষা করে থাকেন পরের বার দুয়ারে সরকার ক্যাম্প কখন হবে। যদি নতুন কোনও জনকল্যাণ প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যায়।




