মাধ্যমিকে ছাত্রর থেকে ছাত্রীর সংখ্যা বেশি

রের মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik Examination 2025)। মোট পরীক্ষার্থী ৯ লক্ষ ৮৪ হাজার ৭৫৩ জন। তার মধ্যে ৪ লক্ষ ২৮ হাজার ৮০৩ জন ছাত্র ও ৫ লক্ষ ৫৫ হাজার ৯৫০ জন ছাত্রী। এবার ছাত্রের চেয়ে ছাত্রীর সংখ্যা ১ লক্ষ ২৭ হাজার ১৪৭ জন বেশি। ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। রাজ্যে ২৬৮৩টি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে। গত বছরের চেয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৫ হাজার বেশি। গত বছরের মতো এবছরও মোবাইল বা ইলেকট্রনিক গ্যাজেট নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ নয়। কেউ ধরা পড়লে পরীক্ষা বাতিল (Exam Cancel)। গত বছর ওই কারণে ১৪৫ জনের পরীক্ষা বাতিল হয়। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কয়েকদিন ধরে কিছু স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তাদের পরীক্ষার্থীরা অ্যাডমিট কার্ড পায়নি। এটা সম্পূর্ণ স্কুলের ভুল। ৯৬৪৫টি স্কুল নিয়ম মেনে কাজ করেছে। কিন্তু ১৩৬টি স্কুল সেই কাজ করেনি। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর ১৮১ জন পরীক্ষার্থীর নতুন আবেদন আজ রবিবার জমা পড়েছে। স্কুলগুলোর দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজে পড়ুয়াদের সমস্যায় পড়তে হয়। আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীরা জানিয়েছেন, মাধ্যমিকের কোনও কাজ করবেন না। সেই বিষয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, আমাদের কাছে এমন কোনও খবর নেই। মাধ্যমিক পরীক্ষা সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনার জন্য যাবতীয় বন্দোবস্ত করা হয়েছে। ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলা (প্রথম ভাষা), ১১ ফেব্রুয়ারি ইংরেজি (দ্বিতীয় ভাষা), ১৫ ফেব্রুয়ারি (অঙ্ক), ১৭ ফেব্রুয়ারি ইতিহাস, ১৮ ফেব্রুয়ারি ভূগোল, ১৯ ফেব্রুয়ারি জীবন বিজ্ঞান, ২০ ফেব্রুয়ারি ভৌতবিজ্ঞান। ২২ ফেব্রুয়ারি ঐচ্ছিক বিষয়।

বিদায় নিতে চলেছে শীত?

শীতের খামখেয়ালিপনা জারি রয়েছে রাজ্যজুড়ে। কখনও ঠাণ্ডা তো কখনও আবার প্রচণ্ড গরম। সকালবেলাতে আবার ঘন কুয়াশার দাপট। যদিও সেই কুয়াশার চাদর সড়ে যেতে দেখা যাচ্ছে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে। কড়া রোদের জেরে গা পড়ানো গরমের দাপটও অব্যাহত। আর এবার আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বাড়তে চলেছে তাপমাত্রা। যার জেরে স্পষ্ট ইঙ্গিত রাজ্যে শুরু হয়ে গেছে শীত বিদায় পর্বের প্রস্তুতি। এমনটাই জানাল আবহাওয়া দফতর। বসন্তের আগমন যে শুধু সময়ের অপেক্ষ তাও কিন্তু স্পষ্ট। কারণ ইতিমধ্যেই ইতিউতি শোনা যাচ্ছে কোকিলের ডাক। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, এই মাসের মাঝামাঝি রাজ্য থেকে পুরোপুরি ভাবে বিদায় নিতে চলেছে শীত। বৃহস্পতিবার থেকেই ২ থেকে ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা বাড়তে চলেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে দক্ষিণবঙ্গ থেকে শীত বিদায় নিলেও, উত্তরবঙ্গ থেকে এখনই কিন্তু বিদায় নেবেনা শীত। আগামী ২৪ ঘন্টায় দার্জিলিং ও কালিম্পঙের পার্বত্য এলাকায় রয়েছে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাসও। শীত বিদায় নিতে চললেও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় এখনও বজায় থাকবে কুয়াশার দাপট। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকবে বলে জানা যাচ্ছে। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় কম। রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আপাতত কলকাতায় নেই বৃষ্টির সম্ভাবনা। থাকবে শুষ্ক আবহাওয়া।

বাংলাদেশে শুরু ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’

ফের অশান্তির আগুনে জ্বলছে বাংলাদেশ (Bangladesh Unrest)। কিছুদিন আগেই ঢাকার ধানমান্ডিতে (Dhanmandi) শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ভেঙে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক মহলেও চর্চা হয়েছে এই ঘটনাকে ঘিরে। আর এবার সেই অশান্তির আঁচ ছড়িয়ে পড়ল গাজীপুরে (Gazipur)। শুক্রবার রাতে গাজীপুরে প্রাক্তন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হকের বাড়িতে একদল জনতা চড়াও হলে তাঁরা পাল্টা প্রতিরোধের মুখে পড়ে। স্থানীয়দের সাথে সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হন। তাঁদের বেশিরভাগই শিক্ষার্থী বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় গুরুতর আহত পাঁচজনকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ছ’মাস পর দেশের পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ধানমন্ডি ও গাজীপুরের ঘটনাবলী দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক বাসভবনে একদল হামলা চালিয়ে ভবনের একটি বড় অংশ ভেঙে ফেলে বিক্ষুব্ধ জনতা। এই ঘটনার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ধানমন্ডির ঘটনার রেশ না কাটতেই গাজীপুরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে গাজীপুরের উত্তেজনার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ (Operation Devil Hunt) নামে বিশেষ অভিযান শুরু করে। যৌথ বাহিনীর এই অভিযানে গাজীপুর জেলার পাঁচটি থানায় ৪০ জন এবং মহানগরের আটটি থানায় ৪৩ জনসহ মোট ৮৩ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, আটক ব্যক্তিরা ফ্যাসিস্ট সরকারের লোকজন।

শুরু বিধানসভার বাজেট অধিবেশন

সোমবার রাজ্য বিধানসভায় বাজেট অধিবেশন (Budget Session 2025) শুরু হল। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (C V Anand Bose) ভাষণ দিয়ে সূচনা হবে। গত বাজেট হয়েছিল রাজ্যপালের ভাষণ ছাড়াই। আগামী বুধবার বিকেল ৪টেয় রাজ্য বাজেট প্রস্তাব পেশ হবে। আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তার আগে এটাই শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। ফলে চমক থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, টানা ১৪ মাসের বন্দিদশা কেটেছে জানুয়ারি মাসে। রবিবার ১৫ মাস পরে নিজের বিধানসভা কেন্দ্র হাবড়ায় পা রেখেছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালু। মুক্তির প্রায় দিন ২৫ পর নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে গিয়ে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের সংবর্ধনায় ভেসে গিয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। হাবড়া বিধানসভা থেকে তিন বার বিধায়ক হয়েছেন বালু। স্বভাবতই তাঁর রবিবেলার প্রত্যাবর্তনে হাবড়া তৃণমূলের কর্মীমহল ধরে নিয়েছে যে, আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনে বালুই আবার তাঁদের প্রার্থী হবেন। কিন্তু উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূলের অন্দরমহলে খোঁজ নিলে ভিন্ন কথা শোনা যাচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ বীরেন সিংয়ের

মণিপুরের (Manipur) মুখ্যমন্ত্রীর (Chief Minister) পদ থেকে পদত্যাগ করলেন বীরেন সিং (Biren Singh)। রবিরার সন্ধ্যায় রাজ্যপাল অজয় ভাল্লার (Governor Ajay Bhalla) কাছে পদত্যাগপত্র তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।  বিগত দু বছর ধরে অশান্ত মণিপুর। বিরোধীদের লাগাতার চাপের মুখেই ইস্তফা বীরেন সিংয়ের। বিরোধীদের অভিযোগ, মণিপুরকে শান্ত করতে ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী। জানা গেছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) ও জেপি নাড্ডার (Jp Nadda) সঙ্গে বৈঠকের পর ইম্ফলে ফিরেই ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন বীরেন সিং। সূত্রের খবর, পদত্যাগ পত্রে বীরেন লিখেছেন, এত দিন মণিপুরের মানুষকে যে সেবা দিতে পেরেছি, সেটি আমার কাছে খুব সম্মানের। এটা মণিপুরবাসীর স্বার্থ রক্ষার জন্য সময়োপযোগী পদক্ষেপ করা এবং নানা উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত করার জন্য আমি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চির কৃতজ্ঞ।’’ আগামিকাল, মণিপুরে বাজেট অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেখানে মণিপুর হিংসা নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা  প্রস্তাব আনার কথা ছিল কংগ্রেসের। তার আগেই হঠাৎ করে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন বীরেন। উল্লেখ্য, ১৫ মার্চ ২০১৭ তারিখে বীরেন সিং মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। বীরেন ছিলেন মণিপুরে প্রথমবারের মতো বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী।

আজ শুরু মাধ্যমিক

আজ, সোমবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik Examination)। তার আগে রবিবার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি (Preparation)। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা বা সরকারি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা। তার আগে এদিন ছাত্রছাত্রীরা বইয়ের শেষ পাতা ঝালিয়ে নিতে ব্যস্ত। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলির সিসিটিভি, বসার ব্যবস্থা সহ সব কিছু সুষ্ঠুভাবে যাতে তা হয় তা খতিয়ে দেখতে এদিন তুঙ্গে ছিল আয়োজকদের ব্যস্ততাও। এবার পুরুলিয়া (Purulia) জেলায় মোট ৪৩ হাজার ১৬৪ জন পরীক্ষার্থী। তার মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ১৬০ জন। ছাত্রীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৪ জন। জেলায় মোট পরীক্ষাকেন্দ্র ১০৮টি। তার মধ্যে ঝালদা (Jhalda) মহকুমাতেই মোট মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯১৫০। মোট পরীক্ষা কেন্দ্র ২০টি। ঝালদা ১ নম্বর ব্লক এলাকায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬০২। সেখানে মোট পরীক্ষাকেন্দ্র ৫টি। জেলায় মাধ্যমিক পরীক্ষার আহ্বায়ক ডঃ সোমনাথ কুইরি জানিয়েছেন, জেলাজুড়ে নির্বিঘ্নে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে সজাগ ও সতর্ক পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ কমিটি। ঝালদা সত্যভামা বিদ্যাপীঠ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অশোক মাহাতো জানান, পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শীতের কামব্যাক হবে?

কলকাতার আবহাওয়ায় (Kolkata Weather Update) ফের শীতের ছোঁয়া (Winter Update in Kolkata)। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির ঘরে নামলেও শনিবার তা আরও কমে পৌঁছেছে ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ফলে সকালের দিকে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। তবে দিনের বেলায় রোদের তেজ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের অনুভূতি কমে যাচ্ছে। তাপমাত্রার এই ওঠাপড়ায় সকাল-বিকেল গায়ে চাদর বা গরম পোশাক থাকলেও বেলা বাড়তেই তা খুলে রাখতে হচ্ছে শহরবাসীকে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টায় গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় পারদ আরও ২-৩ ডিগ্রি কমতে পারে। তবে ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ফের ২-৪ ডিগ্রি বাড়তে পারে। অর্থাৎ, কিছুদিনের জন্য শীতের আমেজ বজায় থাকলেও দ্রুতই তা কমে যাবে। একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও পারদ ২-৩ ডিগ্রি কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দক্ষিণবঙ্গে এখনই বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই, ফলে আবহাওয়া শুষ্কই থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কলকাতা-সহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে মেঘমুক্ত আকাশ এবং ঠান্ডা বাতাসের দাপট থাকবে। সকালে কিছু জায়গায় কুয়াশা দেখা যেতে পারে, তবে সারাদিন পরিষ্কার আকাশই থাকবে। রাতের দিকে আবার ঠান্ডার অনুভূতি খানিকটা বাড়তে পারে। উত্তরবঙ্গেও একই রকম আবহাওয়া থাকবে। হাওয়া অফিসের মতে, ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। পাহাড়ি এলাকায় তাপমাত্রা আরও কিছুটা নিচে নামতে পারে, তবে শীতল আবহাওয়ার সঙ্গে পরিষ্কার আকাশ থাকবে। ফলে দার্জিলিং, কালিম্পং-এর মতো পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে এখনো শীতের আমেজ পাওয়া যাবে। এদিন কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ১.৩ ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৩ শতাংশ এবং ন্যূনতম ৩১ শতাংশ। ফলে সকাল ও রাতের দিকে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হলেও বেলা বাড়লে উষ্ণতার ছোঁয়া লাগবে। তবে শীতের এই কামব্যাক কতদিন স্থায়ী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

দিল্লির রায়ে ফের ডাবল ইঞ্জিন সরকারের কথা প্রধানমন্ত্রীর মুখে

দিল্লিবাসীর ভালোবাসা অনেক গুণে উন্নতিতে ফিরিয়ে দেব। দিল্লিতে বিজেপির বিপুল মার্জিনে ক্ষমতায় আসার পর এমনই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদির গ্যারান্টিতে ভরসা করার জন্য দিল্লিবাসীকে মাথা নীচু করে প্রণাম জানাচ্ছি। দিল খুলে দিল্লিবাসী ভালোবাসা দিয়েছেন। আপনাদের ভালোবাসাকে অনেক গুণে উন্নতির মাধ্যমে ফিরিয়ে দেব। দিল্লির ডাবল ইঞ্জিন সরকার অনেক গতিতে পূরণ করবে। এটা সামান্য বিজয় নয়। দেড় দশকের অপশাসন থেকে দিল্লি মুক্ত। নতুন ইতিহাস রচনা হল।

টেস্টে ৫৫০ উইকেট লায়নের

টেস্ট ক্রিকেটে ৫৫০ উইকেট নিয়ে ফেললেন অস্ট্রেলিয়ার অফস্পিনার নাথান লায়ন (Nathan Lyon)। শ্রীলঙ্কা বনাম অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় ইনিংসে দীনেশ চান্দিমলকে আউট করে মাইলস্টোন ছুঁলেন তিনি। এরপর ৫৫১তম উইকেট নিয়ে পেরিয়ে গেলেন সেই মাইলস্টোন। তাঁর সামনে এখন তাঁরই দেশের কিংবদন্তি পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রা (Glen McGrath), যাঁর ঝুলিতে রয়েছে ৫৬৩ উইকেট। ৩৭ বছর বয়সি লায়ন আর একটা মরসুম খেললে ম্যাকগ্রাকে টপকে যাবেন। টেস্টে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিদের তালিকায় এখন সপ্তম স্থানে আছেন অজি অফস্পিনার। প্রথম থেকে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন মুথাইয়া মুরলীধরন (৮০০), শেন ওয়ার্ন (৭০৮), জেমস অ্যান্ডারসন (৭০৪), অনিল কুম্বলে (৬১৯), স্টুয়ার্ট ব্রড (৬০৪) এবং গ্লেন ম্যাকগ্রা (৫৬৩)। প্রসঙ্গত, ঘরের মাঠে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার আশঙ্কায় শ্রীলঙ্কা। প্রথম টেস্টে এক ইনিংস এবং ২৪২ রানের বিশাল ব্যবধানে জিতেছিল স্টিভ স্মিথের (Steve Smith) দল। দ্বিতীয় টেস্টে অনেকটা লড়াই দিচ্ছে তারা। টসে জিতে ব্যাট নিয়ে প্রথম ইনিংসে ২৫৭ রানে অল আউট হয়ে যায় ধনঞ্জয় ডি সিলভার দল। জবাবে ৪১৪ করে অস্ট্রেলিয়া। এই মুহূর্তে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান করেছে শ্রীলঙ্কা। এখনও ৯ রানে পিছিয়ে। তবে ১৫০ রানের লিড দিতে পারলে অঘটন ঘটতে পারে। প্রসঙ্গত, এই ম্যাচেই টেস্ট কেরিয়ারের ৩৬তম শতরান করেছেন স্টিভ স্মিথ। ছুঁয়েছেন জো রুট (Joe Root) এবং রাহুল দ্রাবিড়কে (Rahul Dravid)। তাঁর সামনে এখন পরপর কুমার সঙ্গাকারা (৩৮), রিকি পন্টিং (৪১), জাক কালিস (৪৫) এবং শচীন তেন্ডুলকর (৫১)।

অতিশী জিতলেও, কোন আপ প্রার্থীরা হারলেন?

দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে (Delhi Election 2025) ব্যাপক জয়ের পথে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। ইতিমধ্যে ৪৮ আসনে ‘লিড’ নিয়েছেন বিজেপি প্রার্থীরা। অন্যদিকে, আম আদমি পার্টির (AAP) প্রার্থীদের জন্য এই নির্বাচন এক দুর্ভাগ্যজনক অধ্যায় হয়ে থাকল। অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মণীশ সিসোদিয়াসহ পাঁচজন শীর্ষ নেতা এই ভোটে হেরে গিয়েছেন। চলুন তাঁদের কথা এবার জেনে নেওয়া যাক। (১) অরবিন্দ কেজরিওয়াল: ২০১৩ সালে দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের পর রাজনীতিতে পা রাখেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে গঠন করেন আম আদমি পার্টি। ২০১৫ ও ২০২০ সালের দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গড়লেও গত বছর দিল্লির বিতর্কিত ‘লিকার পলিসি’ সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন এবং ঘোষণা করেন যে, ‘জনতার আদালত’ যদি তাঁকে সমর্থন জানায়, তাহলে তিনি পুনরায় মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। কিন্তু এবারের নির্বাচনে তিনি পরাজিত হয়েছেন। বিজেপির প্রবেশ বর্মা নিউ দিল্লি আসনে তাঁকে হারিয়েছেন। (২) মণীশ সিসোদিয়া: দিল্লির প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া (Manish Sisodia) দীর্ঘদিন ধরে কেজরিওয়ালের ডানহাত হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পূর্ব দিল্লির পাতপারগঞ্জ আসন থেকে টানা তিনবার বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি এবার জঙ্গপুরা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে তিনি বিজেপির তরবিন্দর সিং মারওয়ার কাছে হেরে যান। (৩) সৌরভ ভারদ্বাজ: দিল্লির ‘হেভিওয়েট’ আপ নেতাদের মধ্যে অন্যতম সৌরভ ভারদ্বাজ (Saurabh Bharadwaj) ২০১৩ সালে গ্রেটার কৈলাশ আসনে জয়ী হয়ে প্রথম বিধায়ক হন। দিল্লি সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে তিনি স্বরাষ্ট্র, বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। তবে এবারের নির্বাচনে তিনি বিজেপির শিখা রায়ের কাছে হেরে যান। (৪) দুর্গেশ পাঠক: আম আদমি পার্টির অন্যতম কৌশলবিদ দুর্গেশ পাঠক (Durgesh Pathak) এবারের নির্বাচনে রাজেন্দ্র নগর আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০২২ সালের উপনির্বাচনে তিনি এই আসনে জয়ী হয়েছিলেন, তবে এবার বিজেপির উমাং বাজাজের কাছে তিনি পরাজিত হয়েছেন। (৫) অবধ ওঝা: সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রিয় আইএএস কোচ ও শিক্ষাবিদ থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া অবধ ওঝা (Avadh Ojha) নির্বাচনের কিছুদিন আগে আপ-এ যোগ দেন এবং পূর্ব দিল্লির পাতপারগঞ্জ আসনে দলের প্রার্থী হন। পাতপারগঞ্জে মণীশ সিসোদিয়া টানা তিনবার নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে এবার তিনি অন্য আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় ওঝাকে প্রার্থী করা হয়। কিন্তু তিনি বিজেপির রবীন্দ্র সিং নেগির কাছে ২৮,০০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন।