ঝামেলা মিটল কঙ্গনা রানাওয়াত ও জাভেদ আখতারের

সালিশিতে ঝামেলা মিটল কঙ্গনা রানাওয়াত ( Kangana Ranaut) ও জাভেদ আখতারের (Javed Akhtar) । পরস্পরের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার। পাঁচ বছরের আইনি লড়াইয়ের সমাপ্তি বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত ও বর্ষীয়ান গীতিকার ও কবি জাভেদ আখতারের। সালিশিতে সমাধান সূত্র মেলার পর দুজনেই বান্দ্রার মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হন। । সমাধান সূত্র পেশ হতে যাবতীয় মামলার নিষ্পত্তি বিচারক এ কে আওয়ারি’র বেঞ্চে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১৯ জুলাই একটি টিভি চ্যানেলে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মন্তব্য করেছেন বলে রানাওয়াতের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ জাভেদের। সুশান্ত সিং রাজপুতের (Sushant Singh Rajput) মৃত্যু বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে অবাঞ্ছিতভাবে কঙ্গনা তাঁর নাম টেনেছেন বলেও অভিযোগ। মান্ডির সংসদ সদস্য কঙ্গনা এরপরেই জাভেদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি হুমকি প্রদান, অর্থ আদায় এবং সম্ভ্রমহানির পাল্টা অভিযোগ আনেন। সম্প্রতি সালিশির মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হতে পাঁচ বছরের সেই আইনি লড়াই বন্ধ হল।
‘দানিশ সিদ্দিকী সাংবাদিকতা পুরস্কার’ ঘোষণা

দানিশ সিদ্দিকী (Danish Siddiqui) । ২০২১ সালের ১৬ জুলাই আফগানিস্তানে আফগান সেনা ও তালিবানদের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে নিহত হন এই তরুণ চিত্র সাংবাদিক (Photo Journalist)। তিনি কান্দাহারের (Kandahar) বলদাক অঞ্চলে আফগান (Afghanistan) নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে কাজ করছিলেন। এর আগে ২০১৮ সালে মায়ানমারে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের উপর হওয়া অত্যাচারের ছবি তুলে ধরে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছিলেন দানিশ সিদ্দিকী। এবার সেই জনপ্রিয় সাংবাদিক দানিশ সিদ্দিকীর প্রতি সম্মান জানিয়ে ‘দানিশ সিদ্দিকী জার্নালিসম ফাউন্ডেশন’ (Danish Siddiqui Foundation) পুরস্কার ঘোষণা করা হল। এই পুরস্কারের নাম ‘দানিশ সিদ্দিকী সাংবাদিকতা পুরস্কার’। সাহসিকতার জন্য ভারতে কর্মরত সমস্ত ভারতীয় ও বিদেশি সাংবাদিকরা এই পুরস্কার পেতে পারেন। জুরিতে রয়েছেন রাজদীপ সরদেশাই ( Rajdeep Sardesai), বৈষ্ণ রায় (Vaishna Roy), কিশলয় ভট্টাচার্য (Kishalay Bhattacharjee), গ্যাব্রিয়েল ফনসেকা (Gabrielle Fonseca)। দানিশ সিদ্দিকী ফাউন্ডেশন সাংবাদিকতায় নির্ভীক সাহসীকতা, সততা, সহানুভূতি এবং সত্যবাদিতা প্রদর্শনকারী সাংবাদিকদের পুরস্কৃত করার জন্য প্রথম এই পুরস্কারের ঘোষণা করেছে। এই পুরস্কারের লক্ষ্য প্রিন্ট মিডিয়া, চিত্র সাংবাদিকতা, ডিজিটাল ও সম্প্রচার মিডিয়াতে তাদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকার প্রশংসা করা। দুইবার পুলিৎজার প্রাপ্ত সাংবাদিক দানিশ সিদ্দিকী তাঁর নির্ভীক সাংবাদিকতার জন্য জনপ্রিয় ছিলেন। সাহসিকতা ও নির্ভীকভাবে কাজের জন্য ভারতের কর্মরত সমস্ত ভারতীয় ও বিদেশ সাংবাদিকরা এই পুরস্কার পেতে পারেন। ১ জানুয়ারি ২০২৪ এবং ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ এর মধ্যে করা কাজের উপর ভিত্তি করে এই পুরস্কার নির্ধারণ করা হবে। মনোনয়ন ৩১ মার্চ, ২০২৫ পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে। পুরষ্কার অনুষ্ঠানটি চলতি বছরের ৪ মে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ফাউন্ডেশন বোর্ডের সদস্য আখতার সিদ্দিকী জানিয়েছেন, সাংবাদিকতা এই পেশাকে সম্মান জানানোর জন্য এই পুরস্কারে আয়োজন।
বিজেপির আয়ু আর ২-৩ বছর

নজরে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। তার আগে নেতাজি ইন্ডোরের সভা (Netaji Indore Stadium) থেকে ছত্রে ছত্রে বিজেপিকে (BJP) বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বাংলাকে বদনাম করতে বারবার কেন্দ্রীয় এজেন্সি পাঠাচ্ছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, এজেন্সির তৎপরতা বাড়বে। সব মিডিয়াকে কন্ট্রোল করে। সবাইকে ইডি, সিবিআই, ইনকাম ট্যাক্স দেখিয়ে ভয় দেখানো হয়।’ নির্বাচনের আগে তৃণমূলকে টার্গেট করা হয় এজেন্সি দিয়ে, অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি আরও বলেন, ‘ইলেকশন এলেই মনে পড়ে তৃণমূলের চার্জশিট দিতে হবে। তৃণমূলের কাকে কাকে চোর বলা হবে। কাকে কাকে জেলে ঢোকানো হবে।’ এদিন বিধানসভা ভোট নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী বিধানসভা ভোটে ২১৫টি আসন পেতেই হবে। অভিষেক ঠিক বলেছে। আরও বেশি আসন পাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। কম কোনও মতেই নয়। বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম-এর জামানত জব্দ হওয়ার পালা এবার।’ তিনি আরও বলেন, ‘২০২৭ থেকে ২৯ সালের মধ্যে বিজেপির ক্ষমতা শেষ। ওরা আর দু’তিন বছর যা করার করবে। তার বেশি আয়ু ওদের নেই। ওরা বাংলাকে টার্গেট করেছে, কারণ বাংলা লড়তে পারে, বাংলা সর্বধর্ম সমন্বয়ে বিশ্বাস করে।’ উল্লেখ্য, এদিন সভা থেকে বক্তব্য পেশের সময় বিজেপির বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দাগেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, বিজেপি এখনও গরির মানুষের টাকা বন্ধ রেখেছে। অভিষেক বলেন, ‘বিজেপি ১৮ থেকে ১২-তে নেমে গেলেও শিক্ষা হয়নি।’ তবে কি ছাব্বিশের ভোটে নিজেদের রেকর্ড ভাঙাই লক্ষ্য? অভিষেক স্পষ্ট বলে দেন, গত বিধানসভা নির্বাচনের থেকেও বেশি আসন জয় ২০২৬-এর লক্ষ্য। তৃণমূলের টার্গেট ২১৫টির বেশি।
আলু চাষিদের স্বার্থ সুরক্ষায় নতুন স্কিম

আলু চাষিদের (Potato Farmers) স্বার্থ সুরক্ষায় তৈরি হল আলু প্রকিওরমেন্ট স্কিম ২০২৫ (Potato Procurement Scheme 2025)। এই স্কিমে রাজ্য সরকার (State Government) প্রত্যেক আলু চাষির কাছ থেকে ৩৫ কুইন্টাল অর্থাৎ ৭০ বস্তার বেশি আলু কিনবে না। প্রতিটি আলুর ওজন হতে হবে ৫৩ গ্রাম। সহায়ক মূল্যে আলু কেনার সময় হিমঘর মালিকরা আলুর গুণগত মান দেখে নেবেন। হিমঘর মালিকরা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে চাষিদের আলুর দাম মিটিয়ে দেবেন। হিমঘর গুলিতে ৮১ লক্ষ মেট্রিক টন পর্যন্ত আলু মজুত ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। রাজ্য সরকার ১১ লক্ষ মেট্রিক টন আলু সংগ্রহ করে হিমঘরে রাখবে। এই স্কিমে রাজ্য সরকার হিমঘরে ৩০ শতাংশ নিজেদের ও চাষিদের জন্য সংরক্ষিত করে রেখেছে। হিমঘরের মালিকরাও ৭ জুনের পর থেকে সপ্তাহে মোট মজুত থাকা আলুর পাঁচ শতাংশ বিক্রির জন্য বের করতে পারবেন। রাজ্য সরকারের মতে প্রাথমিক হিসাব বলছে, আলুর উৎপাদন এ বছর ১৪০ লক্ষ মেট্রিক টন। ১২টি জেলায় এই উৎপাদন হয়েছে। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee) প্রতি কুইন্টাল পিছু ন্যূনতম ৯০০ টাকা আলু চাষিদের থেকে আলু কেনার দাম ঘোষণা করেছেন। ১লা মার্চ থেকে কার্যকর হবে এই স্কিম। তা নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার।
পুরসভার ছুটির নোটিশ ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে

কলকাতা পুরসভার (Kolkata Municipal Corporation) হিন্দি মাধ্যম স্কুলগুলিতে সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা (Leave Notice) জারি করা হয়েছিল, যেখানে বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি বাতিল করা হয় এবং ঈদের ছুটি দু’দিন বাড়ানো হয়। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে তুমুল বিতর্কের (Controversy) সূত্রপাত ঘটে। তাই শেষমেষ বুধবার সেই নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নেয় পুরসভা। একই সঙ্গে পুরসভা ক্ষমাও চেয়েছে এবং জানিয়েছে যে, আগের নিয়ম অনুযায়ী ছুটি বহাল থাকবে। একইসঙ্গে কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) জানিয়েছেন, এই বিষয় নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত তিনি বা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নেয়নি। উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভার অধীনে থাকা একাধিক হিন্দি মাধ্যম স্কুলে সম্প্রতি ছুটির তালিকা সংক্রান্ত একটি নোটিশ জারি করা হয়। সেই তালিকায় দেখা যায়, বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। অথচ ঈদের ছুটি দু’দিন বাড়ানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় তুমুল সমালোচনা। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, কেন দীর্ঘদিনের প্রথা বদলে বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি বাদ দেওয়া হল? তা নিয়ে বিতর্ক পৌঁছয় চরমে। বিতর্ক চরমে ওঠার পর, অবশেষে বুধবার কলকাতা পুরসভা আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় যে, আগের নিয়ম অনুযায়ীই ছুটি বহাল থাকবে। অর্থাৎ, বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং ঈদের ছুটি পূর্বনির্ধারিত নিয়মেই থাকবে।
বোল্ড লুকে নোরা ফতেহি

সুপার বোল্ড নোরা (Nora Fatehi Looking Bold)। নাচের মাধ্যমে দর্শকের বুকে ঝড় তোলেন নোরা ফতেহি (Nora Fatehi)। এবার বেশ কিলার অ্যাপিয়ারেন্সে ধরা দিলেন তিনি। সেই ছবি ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছে নেট মাধ্যমে। নোরা নাচ, তাঁর বোল্ড অ্যাপিয়ারেন্সে দর্শক থেকে অনুরাগীরা সকলেই মেতে থাকেন। কোনও ছবিতে নোরা আইটেম নম্বর থাকলে সোশ্যাল মিডিয়ায় তা ভাইরাল হতে বেশি সময় নেয় না। বারবার সাহসী অবতারে ধরা দিয়েছিল অভিনেত্রী। নিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলে কিছু ছবি এবং ভিডিও দেন নোরা ফতেহি। যেখানে তাঁকে ফ্যাশনেবল আউটফিটের বোল্ড আউটফিটে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তোলা নোরা ফতেহিকে তাঁর নতুন ফোটোশ্যুটের ছবি এবং ভিডিও পোস্ট ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছে। হল্টারনেক ব্ল্যাক বোল্ড কালো গাউনে ফটোশ্যুট করেছেন নোরা ফতেহি। শরীরকে আঁকড়ে থাকা পোশাক পরেছেন নোরা। কাটআউট ড্রেসে নজরকাড়া নোরা। বোল্ড অবতারে নায়িকার সাজ পুরুষ মনে ঝড় তুলেছে। View this post on Instagram A post shared by Nora Fatehi (@norafatehi)
আজ তৃণমূলের মেগা বৈঠক

আজ নেতাজি ইন্ডোর (Netaji Indoor Stadium) মেগা বৈঠকে (TMC Meeting) বসতে চলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Elections 2026) আগে বুথ স্তরের কর্মীদের নিয়ে সভা করতে চলেছেন তৃণমূলনেত্রী। দলের সমস্ত অঞ্চল সভাপতি থেকে জাতীয় কর্মসমিতির সদস্যদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়, রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি। সঙ্গে রাজ্যের সব নেতা, সাংসদ, বিধায়ক, মেয়র, কাউন্সিলর এমনকী পঞ্চায়েত স্তরের প্রতিনিধিরাও। এই সম্মেলন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের রোডম্যাপ ঠিক করে দিতে পারেন দলীয় কর্মীদের। সেই দিকে এখন তাকিয়ে রয়েছেন তৃণমূলের নেতারা। নির্বাচনের আগে দলের শক্তি বৃদ্ধি করতে কিছু রদবদল করা হতে পারে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল এখন থেকেই সংগঠনের ভিত মজবুত করতে চাইছে৷ আগামিকালই এই সম্মেলন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগামিদিনের রুটম্যাপ ঠিক করে দিতে পারেন। তৃণমূল নেত্রী কী নির্দেশদেন সেই দিকে এখন তাকিয়ে রয়েছেন নেতারা। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পগুলির জনগণের কাছে তুলে ধরার বার্তাও দিতে পারেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তৃণমূলের রাজ্য সম্মেলনে আগে রদবদল নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। গত ১০ ফেব্রুয়ারি তৃণমূল পরিষদীয় দলের সঙ্গে বৈঠক করেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোন স্তরে সাংগঠনিক রদবদল হবে কি না সেই নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে। আগামী নির্বাচনকে মাথায় রেখে রাজ্য কমিটি স্তরে হয়ত কিছু সংযোজন–বিয়োজন হতে পারে। রাজনৈতিক মহলের মতে ২০২৬ সালের ভোটের দিকে তাকিয়ে এই সম্মেলন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় নেতা–কর্মীদের ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দিতে পারেন। নির্বাচনী প্রচারের ধরন, রাজনৈতিক বার্তা, জনসংযোগ এবং বিরোধীদের মোকাবিলা করার কৌশল বাতলে দিতে পারেন মমতা। সভায় উপস্থিত থাকবেন সাংসদ, বিধায়ক, জেলা সভাপতি ও জেলা চেয়ারম্যান, জেলা শাখা সংগঠন সভাপতি। এছাড়াও কর্পোরেশন এবং মিউনিসিপ্যালিটির মেয়র, ডেপুটি মেয়র, এবং চেয়ারম্যান এবং কাউন্সিলাররা, ব্লক সভাপতি, পঞ্চায়েত প্রধান এবং উপপ্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিরা উপস্থিত থাকবেন এই বৈঠকে। পাশাপাশি এসসি–ওবিসি সেল, এসটি সেল, সংখ্যালঘু সেল, কিষান–খেতমজুর সেলের জেলা সভাপতিদেরও ইন্ডোরে হাজির থাকতে হবে। মহিলা তৃণমূল, যুব তৃণমূল, আইএনটিটিইউসি, টিএমসিপি–র মতো দলের প্রধান শাখা সংগঠনগুলির রাজ্য কমিটির সদস্যরাও থাকবেন ইন্ডোরে। দলের তরফে জেলা সভাপতিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, উপরক্ত জেলা পদাধিকারীদের ডেলিগেট লিষ্ট তৈরি করে নাম, পদ, এবং ফোন নম্বর সহ রাজ্য সভাপতির নিদিষ্ট একটি মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে পাঠানোর।
১৪৬ বলে ১৭৭ রানের চোখধাঁধানো ইনিংস খেললেন আফগান ওপেনার

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মরণ বাঁচন ম্যাচে বড় রান করে দিল আফগানিস্তান (Afghanistan)। লাহোরের গদ্দাফি স্টেডিয়ামে (Gaddafi Stadium) ৫০ ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ৩২৫ করল তারা। ১৪৬ বলে ১৭৭ রানের চোখধাঁধানো ইনিংস খেললেন আফগান ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান (Ibrahim Zadran)। তাঁর ইনিংসে ছিল ১২টি চার এবং ছ’টি ছয়। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) ইতিহাসে এক ইনিংসে এটাই কোনও ব্যাটারের সবথেকে বেশি রান। এই সংস্করণেই ১৬৫ করেছিলেন বেন ডাকেট, তাঁকে টপকে রেকর্ডের অধিকারী হলেন জাদরান। আফগানিস্তানের হয়ে ব্যাট হাতে অবদান রেখেছেন আরও তিনজন। অধিনায়ক হসমতুল্লা শাহিদি ৬৭ বলে ৪০, আজমাতুল্লা ওমরজাই ৩১ বলে ৪১ এবং অভিজ্ঞ মহম্মদ নবি (Mohammad Nabi) ২৪ বলে ৪০ করেছেন। ইংল্যান্ডের হয়ে ১০ ওভারে ৬৪ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়েছেন জফ্রা আর্চার (Jofra Archer)। পাঁচ ওভারে ২৮ রান দিয়ে দুই উইকেট পেলেন লিয়াম লিভিংস্টোন। একটি করে উইকেট নিয়েছেন জেমি ওভারটন এবং আদিল রশিদ। লাহোরের পিচ শানবাঁধানো বললে ভুল হয় না। তাই এই রান জস বাটলাররা (Jos Buttler) তাড়া করে ফেললে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এই মাঠেই ইংল্যান্ডের করা ৩৫০ রান তাড়া করে জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার (Australia) কাছে হারলেও ইংল্যান্ডের (England) সেমিফাইনালে যাওয়ার পথ এখনও খোলা। সহজ হিসেব হল বাকি দুটি ম্যাচই জিততে হবে। তার জন্য আগে আজ ৩২৬ করতে হবে।
বৃষ্টি নিয়ে বড় আপডেট

দক্ষিণবঙ্গে (Sourth Bengal Weather) তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী। আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Alipur Weather Department) খবর, আপাতত চলতি সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে (District) আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। সপ্তাহের শেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা আরও বাড়বে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আপাতত আগামী চার থেকে পাঁচ দিন বৃষ্টির (Rain) সম্ভাবনা নেই। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রার কোনও হেরফের হবে না দক্ষিণবঙ্গে। কাল থেকে চড়বে পারদ। সপ্তাহান্তে অনেকটাই তাপমাত্রা বাড়বে গোটা রাজ্যে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে চলে যেতে পারে। কলকাতায় আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। অন্যদিকে আজ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিংয়ের উঁচু পার্বত্য এলাকায় এবং সিকিমে তুষারপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। কুয়াশার দাপট থাকবে বেশ কয়েকটি জেলায়।
ব্রত পালনের জন্য কোন কোন নিয়ম মেনে চলবেন?

২৬ ফেব্রুয়ারি মহাশিবরাত্রি (Maha Shivratri 2025)। হিন্দুধর্মের শ্রেষ্ঠ ব্রত। অনেকেই নিরম্বু উপবাস করে মহাশিবরাত্রি পালন করেন। এদিন মনোস্কামনা পূরণের জন্য চার প্রহর শিবের উপাসনা করেন। শাস্ত্র মতে, মহাদেব এবং পার্বতীর বিয়ের দিনই শিবরাত্রি। কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে এই ব্রত পালন করা হয়। চলতি বছর কবে শিবরাত্রি? ব্রতের নিয়ম কী? জেনে নিন খুঁটিনাটি। পঞ্জিকা মতে, ২৬ ফেব্রুয়ারি, বুধবার সকাল ১১টা ১০ মিনিটে কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথি শুরু। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে তিথি শেষ। তবে গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে এদিন সুফল পেতে বুধবার সকাল ৯টা ৪১ মিনিট ৮ সেকেন্ড থেকে শুরু করে ৮টা ২৯ মিনিট ৩১ সেকেন্ড পর্যন্ত শিবের মাথায় জল ঢালতে হবে পুণ্যার্থীকে। ব্রত পালনের জন্য কোন কোন নিয়ম মেনে চলবেন? ১. এদিন ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠুন। ২. নির্জলা উপোস বাঞ্চনীয় নয়। ৩. গরম জলে তিল দিয়ে স্নান করুন। ৪. পুজোর শুরুতে শিবলিঙ্গকে মধু মেশানো দুধ দিয়ে স্নান করান। ৫. পুজোয় রাখুন বেলপাতা, আকন্দ ফুল, কুমকুম এবং চন্দন। ৬. সূর্য ডোবার পর কিছু না খাওয়াই ভালো। ৭. শিবরাত্রিতে রাতে না ঘুমোনোর চেষ্টা করু। ৮. তিথি শেষে দুধ, ফল খেয়ে উপোস ভাঙুন।




