অবসরের জল্পনা নিয়ে কী বললেন কোহলি?

কেটে গিয়েছে রানের খরা, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেই (ICC Champions Trophy 2025) এসেছে ঝকঝকে সেঞ্চুরি। ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটার বিরাট কোহলিকে (Virat Kohli) আবার চেনা ছন্দে ব্যাটিং করতে দেখে আপাতত খুশি তাঁর ভক্তরা। একইসঙ্গে ফিকে হয়েছে তাঁর অবসরের (Retirement) জল্পনাও। বিশেষ করে টেস্টে লাগাতার ব্যাটিং ব্যর্থতার পর বিরাটের কেরিয়ার নিয়ে যেসব প্রশ্ন উঠছিল, তা আপাতত থেমেছে। তবে এই পরিস্থিতির মাঝেই নিজের অবসর পরবর্তী জীবনের (Post Retirement Life) পরিকল্পনা প্রসঙ্গে বিরাট ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন কিং কোহলি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের পরেই এক নামি সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে বিরাট বলেন, “সত্যি বলতে অবসর নেওয়ার পর কী করব, তা আমি নিজেই জানিনা। তবে এই বিষয়ে আমার বেশ কিছু সতীর্থকে প্রশ্ন করলে তাঁরাও একই উত্তর দিয়েছেন। তবে ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর আমি অন্তত চুটিয়ে ভ্রমণ করতে চাই।” চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে দুবাইয়ের মাটিতে নিউজিল্যান্ডকে হারানোর পর এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, টেস্ট এবং ওডিআই ফরম্যাটে এখনও বেশ কিছুদিন খেলতে চলেছেন বিরাট কোহলি। তবে যদি তিনি অবসর নিয়েও ফেলেন, তাও এক বিশেষ সময়ে ভঙ্গ করতে পারেন বলেও জানিয়েছেন কোহলি। কিন্তু কেন অবসর ভাঙতে চান বিরাট? এই কারণটা বেশ আকর্ষণীয়। আসলে এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবসর ভাঙার প্রসঙ্গে নিছক রসিকতার ছলে বিরাট বলেন, “যদি ভারত ২০২৮ সালের অলিম্পিক্সের ফাইনালে উঠতে পারে, তা হলে অবসর ভেঙে ফিরে আসার কথা ভাবব। অন্তত একটা ম্যাচ খেলব দেশের হয়ে। অলিম্পিক পদক জয় চিরস্মণীয় একটা ব্যাপার হয়ে থাকবে।”
রঙ খেলার আগে মাথায় রাখুন এইগুলি

দুয়ারে রঙের উৎসব (Festival of Colors) হোলি (Holi)! দেশজুড়ে (India) উৎসবের উত্তেজনা চরমে। জোর কদমে প্রস্তুতি চলছে উদযাপনের। হোলি হিন্দু ধর্মেও (Hindu Festival) একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে দেশজুড়ে পালিত হয় দোল বা হোলি। এবছর এই উৎসব পালিত হবে ১৪ মার্চ। উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠার আগে জেনে নিন সুস্থ থাকার টিপস। হোলি মানেই জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া। তবে উৎসবের ব্যস্ততায় প্রায়ই শরীর-স্বাস্থ্যের প্রতি উদাসীন হয়ে পড়েন অনেকে। ভাজাভুজি, মিষ্টি খেয়ে শরীরে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে আপনি যদি সুস্থ থাকতে চান, তাহলে ওয়ার্কআউট বন্ধ করা যাবে না। ব্যস্ততার মধ্যেও অন্তত ২০ মিনিট নিজের ফিটনেসের জন্য সময় বের করুন। এতে উৎসবের আনন্দ দ্বিগুণ হবে। মার্চ মাসে পালিত হয় এই উৎসব। এই সময় আবহাওয়াতেও পরিবর্তন আসে। শীত বিদায় নিয়ে, গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে আসে গরম। এই সময় শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ান জল খাওয়ার পরিমাণ। এছাড়া, ডাবের জল আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। অনেক সময় উৎসবের আনন্দে আমরা খাওয়া-দাওয়া ভুলে যাওয়া হয়, যা পরে শরীরের উপর খারাপ প্রভাব ফেলে। উৎসবের সময় সুস্থ থাকতে বাইরের খাবার এড়িয়ে চলুন। বাইরে থেকে মিষ্টি বা স্ন্যাক না কিনে, বাড়িতেই নানারকম স্ন্যাকস তৈরি করুন। এতে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া হবে এবং খাবারের মান নিয়ে চিন্তাও করতে হবে না। পেট এবং মন দুইই খুশি থাকবে। দোলের সময় ভারী খাবার কম খান। বেশি খেয়ে ফেললে হালকা খাবার খান, যেমন ভেজ স্যুপ , ফ্রুট স্যালাড বা পাতলা ডাল । হজম শক্তি ঠিক রাখতে দই বা ছানা খেতে পারেন। রঙের উৎসব বলে অনেক সময় রঙিন হাতে খাবার খাওয়া হয়, যা থেকে খাবারে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই খাবার খাওয়ার আগে হাত ভালো করে ধুয়ে নিন ।
আজ কোন কোন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা?

বসন্তের মাঝামাঝি। তারই মধ্যেই রাজ্যে ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রা। সকাল হতেই শুরু হচ্ছে ঘাম ঝরা। আবার রাতের দিকে হালকা শীতের আমেজও অনুভূত হচ্ছে। কিন্তু রোদের দাপট এতই যে শীত কোনও ভাবেই অনুভব করতে পারছেন না কেউ। আর এরই মাঝে আবহাওয়া দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে তাপপ্রবাহের সর্তকতা! দোলের পর থেকেই রাজ্যে শুরু হবে তাপপ্রবাহ। ১৬ মার্চ রাজ্যে রয়েছে তাপপ্রবাহের সর্তকতা। দক্ষিণবঙ্গের কিছু কিছু জেলায় এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে – পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমান। ইতিমধ্যেই আবহাওয়া দফরের তরফ থেকে জারি করা হয়েছে হলুদ সর্তকতা। তবে দোলের সময় পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে উত্তরবঙ্গে চলবে বৃষ্টি। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে রয়েছে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা শুক্রবার পর্যন্ত। শনিবারও সেই বৃষ্টির দাপট বজায় থাকবে উত্তরবঙ্গ জুড়ে। তারপরেই সেখানে দেখা মিলবে শুষ্ক আবহাওয়ার। অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গে এখন কোনও ভাবেই নেই বৃষ্টির সম্ভাবনা। শুষ্ক আবহাওয়াই বজায় থাকবে বলে জানা যাচ্ছে। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫. ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে, দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আগামী পাঁচ দিনে রাজ্যের তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়বে। পশ্চিমবঙ্গসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতে তাপমাত্রা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রয়েছে তাপপ্রবাহের সতর্কতা।
রোহিঙ্গা শিবিরে যাবেন আন্তোনিও গুতেরেস

ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে উত্থাল ঢাকা (Dhaka)। মহম্মদ ইউনুস (Md Yunus) সরকারের প্রশাসনিক ব্যর্থতায় রাস্তায় নেমে এসেছেন হাজারে-হাজারে জনতা। বিক্ষোভ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ একাধিক প্রথম সারির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। তারই মধ্যে চার দিনের বাংলাদেশ (Bangladesh) সফরে আসছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের (UN) মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। জানা গিয়েছে, কক্সবাজার যাবেন তিনি। তারপরে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ইফতার করবেন। শুক্রবার এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার করবেন গুতেরেস। সঙ্গে থাকবেন মহম্মদ ইউনুস। বুধবার ইউনুসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম এই তথ্য জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, গত ৫ অগাস্ট বিক্ষোভের জেরে শেখ হাসিনা ভারতে চলে আসার পর এই প্রথম আন্তর্জাতিক মঞ্চের কোনও শীর্ষ কর্তা বাংলাদেশ সফরে আসছেন। তিনি সুশীল সমাজের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন বাড়ছে। হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে কোনও কর্মসূচি করতে দেওয়া হচ্ছে না। অনেকেই বলছেন, জামায়াতে ইসলামির মতো কট্টরপন্থীদের নিয়ন্ত্রণে অন্তর্বর্তী সরকার। নির্বাচিত হাসিনা সরকারের পতনের পরে পরবর্তী সরকার নির্বাচনে ভোট কবে হবে সেই বিষয়টিও স্পষ্ট নয়। এই প্রেক্ষিতে গুতেরেস কোনও বার্তা দেয় কি না সেটাই দেখার। মায়ানমারে অশান্ত পরিস্থিতির জেরে রোহিঙ্গারা অনেকেই দেশ ছেড়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশ চলে আসেন। অনেকে বাংলাদেশের সীমান্ত পেরিয়ে ভারতেও প্রবেশ করেছেন। বাংলাদেশ বড় সংখ্যায় রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। মনে করা হচ্ছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিবের সফরে রোহিঙ্গা সমস্যা বিশ্বের আলোচনায় আসতে পারে। এর আগে ২০১৮ সালে তিনি বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। ২০১৭ সালে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে মানবিক সংকটের জেরে লাখে লাখে রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকে পড়েন। একটি হিসেব অনুযায়ী ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে রয়েছেন। অভিযোগ, একটি বড় অংশের রোহিঙ্গা পশ্চিমবঙ্গেও আশ্রয় নিয়েছেন।
বসন্তের শেষে রাজ্যে শুরু হয়ে যেতে পারে তাপপ্রবাহ

দোলের পর থেকে মিলবে না স্বস্তি। বসন্তের শেষে রাজ্যে শুরু হয়ে যেতে পারে তাপপ্রবাহ (Heat Wave Condition South Bengal)! হ্যাঁ এমনটাই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে জেলায় তাপপ্রবাহের (Heat Wave Condition) সতর্কবার্তা রয়েছে ১৬ তারিখ। রবিবার থেকে তাপপ্রবাহ শুরু হবে দক্ষিণবঙ্গে। ওই দিন দক্ষিণবঙ্গের চার জেলায় তাপপ্রবাহ হতে পারে। তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে। ওই জেলাগুলির জন্য জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা। আবহবিদেরা জানাচ্ছেন, পশ্চিম এবং উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শুষ্ক বায়ুপ্রবাহের কারণেই তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। আগামী পাঁচ দিন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে পারদ স্বাভাবিকের থেকে ৩-৪ ডিগ্রি চড়তে পারে। তারপর ২-৩ ডিগ্রি বাড়ার সম্ভাবনা আছে পরবর্তী দুই দিনে। রবিবার পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে দিনের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির গণ্ডিও ছাড়িয়ে যেতে পারে। তাপপ্রবাহ পরিস্থিতির জন্য দক্ষিণবঙ্গের জন্য বেশ কিছু সতর্কতাও জারি করেছে হাওয়া অফিস। চড়া রোদে বয়স্ক ও শিশুদের দীর্ঘ ক্ষণ বাইরে না থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সকলকেই হালকা রঙের ঢিলেঢালা পোশাক পরতে হবে। সঙ্গে রাখতে হবে ছাতা কিংবা টুপি। বেশি করে জল খাওয়ার পরামর্শও দিয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে তাপপ্রবাহ চললেও উত্তরের জেলাগুলিতে এখনই সে রকম কোনও সম্ভাবনা নেই। বুধবার সকাল সাড়ে আটটা থেকে আগামীকাল সকাল সাড়ে আটটার মধ্যে উত্তরবঙ্গের পাঁচটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে দু এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ মেঘ সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো বইতে পারে। দার্জিলিং কালিংপং আলিপুরদুয়ার কোচবিহারে অনেক জায়গায় হালকা মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। উত্তর দিনাজপুরের দু এক জায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। দার্জিলিং জলপাইগুড়ি কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ারে কিছু জায়গাতে হালকা মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে দু এক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। ১৪ তারিখ দার্জিলিং কালিংপং এবং জলপাইগুড়ি জেলায় দু এক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ এর সম্ভাবনা। দার্জিলিং কালিম্পং জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে দু এক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ১৫ এবং ১৬ তারিখ দার্জিলিং এবং কালিংপং এ বিক্ষিপ্তভাবে দু এক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন জনদীপ ধনখড়

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন উপ রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় (Vice President Jagdeep Dhankhar) । দিল্লির এইমস (Delhi AIIMS) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। চিকিৎসকেরা তাঁকে বাড়িতে আরও কয়েকদিন সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। এইমস হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে, উপরাষ্ট্রপতি ধনকড় নিবিড় পর্যবেক্ষণের মধ্যে রাখা হয়েছিল। কিছুদিন বিশ্রামে থাকার পর তিনি আবার সাধারণ জীবনযাপনে ফিরে আসবেন বলেই আমরা আশাবাদি। গত ৯ মার্চ বুকে ব্যথা নিয়ে দিল্লির এইমস হাসপাতালে ভর্তি হন জগদীপ ধনকড়। রাত ২ টো নাগাদ তাঁকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক রাজীব নারং ধনকড়কে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের প্রধান। উপরাষ্ট্রপতির চিকিৎসায় একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। এইমস সূত্রে খবর, ধীরে ধীরে উপরাষ্ট্রপতির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। রিপোর্ট সন্তোষজনক হওয়ার পরেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই মতো আজ তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। এখন বেশ কয়েকটা দিন তাঁকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে উপরাষ্ট্রপতি, তাঁর পাশে থাকার জন্য ভারত ও ভারতের বাইরে তাঁর সমস্ত শুভাকাঙ্খীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।
পুজোয় আসছে ‘রক্তবীজ ২’

২০২৩ এর পুজোর বক্স অফিসে সাড়া জাগিছিল ‘রক্তবীজ’। এবার চলতি বছরের পুজোর বড় পর্দায় কাঁপাতে আসছে রক্তবীজ ২ (Raktabeej 2)। পুজোয় বড়পর্দায় ফিরছে মিমি-আবিরের রসায়ন। মঙ্গলবার দক্ষিণ কলকাতায় আবির চট্টোপাধ্যায় (Abir Chatterjee) এবং মিমি চক্রবর্তীকে (Mimi Chakraborty) নিয়ে ‘রক্তবীজ ২’-এর। মঙ্গলবার থেকে তার প্রস্তুতি শুরু করলেন নন্দিতা রায় এবং শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। টালিগঞ্জে শুরু হল রক্তবীজ ২ এর শুটিং (Raktabeej 2 Shooting Starts)। ২০২৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল রক্তবীজ। উইন্ডোজ প্রোডাকশন হাউজের প্রথম থ্রিলার ছবি নজর কেড়েছিল দর্শকদের। এই ছবির শেষ ভাগেই সিক্যুয়েলের ইঙ্গিত মিলেছিল। জানুয়ারি মাসেই প্রকাশ্যে এসেছিল ‘রক্তবীজ ২’ এর মোশন পোস্টার। তার পর থেকে দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছিল। জানা গিয়েছে, এই সিনেমার কাস্টিংয়ে বড় চমক অপেক্ষা করছে দর্শকদের জন্য। মিমি-আবিরের পাশাপাশি দেখা যাবে নুসরত জাহানকেও। কেবল নুসরতই নন, ছবিটিতে অভিনয় করার কথা বর্ষীয়ান অভিনেতা ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায় (Victor Banerjee) এবং অঙ্কুশ হাজরা, কৌশানি মুখোপাধ্যায়েরও। এইমুহূর্তে দক্ষিণ কলকাতার রানিকুঠি অঞ্চলে ছবির শুটিং চলছে। রানিকুঠির মধুবন প্রেক্ষাগৃহের ঠিক পাশের গলির মুখে দাঁড়ালেই নাকি শোনা যাবে নন্দিতা-শিবপ্রসাদের গলায় ‘লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশন’। ছবির একটিতে দেখা যাচ্ছে আবারও অফিসার সংযুক্তা মিত্র এবং পঙ্কজ সিনহা হিসেবে ধরা দিয়েছেন মিমি চক্রবর্তী এবং আবির চট্টোপাধ্যায়। সেই আগের বারের মতোই চেনা লুকে দেখা গেল তাঁদের। শিবপ্রসাদ জানিয়েছিলেন, বহুরূপী’র শুটিং হয়েছিল ৮৪টি জায়গায়। সেখানে, ‘রক্তবীজ ২’-এর শুটিং আরও বেশি জায়গায় হবে।
বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস ছয় জেলায়

আর দুই দিন বাদেই বাঙালির প্রিয় বসন্ত উৎসব, দোল পূর্ণিমা (Dol Purnima) । আবিরে আবিরে আকাশ বাতাস রাঙিয়ে উঠবে। কিন্তু দোলের পরের থেকেই বাড়বে তাপমাত্রা, এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর (Alipur Weather Office)। দোলের দিন সকাল ও রাতের দিকে হালকা শীতের আমেজ (Winter mood) থাকবে। কিন্তু দোলের পর থেকেই পরিবর্তন হবে আবহাওয়ার। তাপমাত্রা (Temperature) ক্রমশই বাড়তে থাকবে। একধাক্কায় চড়বে পারদ। তবে দক্ষিণবঙ্গে জেলাগুলিতে (South Bengal) আপাতত কোনও বৃষ্টির পূর্বাভাস (Rain Alert) নেই। শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া কোথাও বৃষ্টি হবে না। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩২-৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। সপ্তাহের শেষে তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি বাড়তে পারে। তবে আপাতত কলকাতার আকাশ পরিষ্কার থাকবে। তবে উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রার হেরফের হবে। শীতের আমেজ কমবে। সেইসঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে কোচবিহার, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পঙ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর। তবে আজ বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বুধবার ও বৃহস্পতিবার।
দূষণের তালিকায় শীর্ষে দিল্লি

প্রকাশ করা হল বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকা। আর সেখানেই উঠে এল ভারতের নাম। জানা যাচ্ছে, বিশ্বের সবথেকে দূষিত ২০টি শহরের নামের যেই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তার মধ্যে ১৩টি ভারতের শহরের নাম। মঙ্গলবার দূষণ সংক্রান্ত এক আন্তর্জাতিক সমীক্ষা প্রকাশ করা হয় যেখানে এই ভয়াবহ চিত্র এল সামনে। আবারও দিল্লি সেই তালিকার শীর্ষে উঠে এল বলে জানা যাচ্ছে। দিল্লি পেল বিশ্বের সবথেকে বায়ু-দূষিত রাজধানীর তকমা। আর এই নিয়ে পরপর ৬ বছর দূষণের শীর্ষ স্থানে উঠে এল দিল্লির নাম। রিপোর্ট অনুযায়ী বিশ্বের সবথেকে বায়ু-দূষিত ২০ শহরের তালিকায় ১৩টি শহর ভারতের, ৪টি পাকিস্তানের, ১ টি চিন এবং ১ টি কাজাখস্তানে। রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বে সবথেকে দূষিত ২০টি শহরের ১৯টি এশিয়া মহাদেশে। ২০২৪ এয়ার কোয়ালিটি রিপোর্ট জানাচ্ছে, কেবল বায়ুদূষণের কারণে ভারতবাসীর গড় আয়ু ৫ বছর কমে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সবথেকে বায়ু দূষণে ভারাক্রান্ত দেশের মধ্যে ভারত ছিল তৃতীয় স্থানে,আর এবার তা একটু পিছিয়ে হয়েছে পঞ্চম। ২০২৪ এয়ার কোয়ালিটি রিপোর্ট জানাচ্ছে, কেবল বায়ুদূষণের কারণে ভারতবাসীর গড় আয়ু ৫ বছর কমে যাচ্ছে।
এবার এসি লোকাল চলবে শিয়ালদহে!

পূর্ব ভারতে প্রথমবার! এসি লোকাল ট্রেন (Local Train) চালু হতে চলেছে শিয়ালদহে (Sealdah)। গোটা দেশের দ্বিতীয় এসি লোকাল এটি। শিয়ালদহ ডিভিশনে (Sealdah Division) ১২ কোচের এই এসি ট্রেন মাস কয়েকের মধ্যেই যাত্রীদের নিয়ে ছুটতে শুরু করবে রাজ্যে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, চলতি সপ্তাহেই চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরিতে (আইসিএফ) তৈরি এসি রেকটি শহরে ঢুকে যাবে। আসন্ন গরমে চরম দাবদাহের কথা মাথায় রেখে যাত্রীদের সুবিধার জন্য আসছে এই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লোকাল। সূত্রের খবর, বর্তমানে সাধারণ ট্রেন যাত্রী যে ৫ টাকার টিকিট কাটেন, এসি কামড়ায় তা বেড়ে ৩৫ থেকে ৫০ টাকা হতে পারে। যদিও কোন রুটে এই ট্রেন চলবে তা চূড়ান্ত হয়নি। এ প্রসঙ্গে শিয়ালদহের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) দীপক নিগম বলেন, এসি লোকালের বিষয়টি নিয়ে পরিকল্পনা রয়েছে। রেল বোর্ড ও হেড কোয়ার্টারের চূড়ান্ত অনুমোদনের পরই তা স্থির হবে। প্রসঙ্গত, মহানগরীর পাতাল পথে ভারতবর্ষের পয়লা মেট্রো রেল পরিষেবা শুরু হয়েছিল। ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর থেকে কলকাতা মেট্রোয় নন-এসি যুগের অবসান ঘটেছে। এই মুহূর্তে, শহরের চালু পাঁচটি মেট্রো রুটে ১০০ শতাংশ এসি পরিষেবা পান যাত্রীরা। ২০১০ সালের ৭ অক্টোবর থেকে নর্থ-সাউথ মেট্রো রুটে প্রথম এসি মেট্রো চালু হয়েছিল। তারও প্রায় ১৫ বছর পর লোকাল ট্রেন লাইনে এসি পরিষেবার অন্তর্ভূক্তি ঘটতে চলেছে। দেশের অন্যতম ব্যস্ত শিয়ালদহ ডিভিশনে পরীক্ষামূলকভাবে তা চালু হতে চলেছে। যাত্রীদের তরফে ইতিবাচক সাড়া মিললে লোকাল ট্রেনে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার পরিধি বাড়ানো হবে বলে রেল সূত্রের দাবি। শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার অন্তর্গত কবি সুভাষ কিংবা খোদ শিয়ালদহ স্টেশনে নেমে মেট্রোয় যাতায়াত করেন হাজার হাজার যাত্রী। সেক্ষেত্রে গরমকালে মেট্রোর স্বস্তিদায়ক সফরের স্বাদ এবার লোকাল ট্রেনে পাওয়ার সম্ভবনা। জানা গিয়েছে, স্টিল বডির যাত্রীবান্ধব এই এসি ট্রেনে সর্বোচ্চ প্রায় ১ হাজার ১০০ জন যাত্রী যাতায়াত করতে পারবে। অন্যান্য লোকাল এই ট্রেনের মতো কোচগুলি আলাদা হবে না। ভেস্টিবিউলের মাধ্যমে কোচগুলি সংযুক্ত থাকবে। এই ব্যবস্থা মেট্রোতেও দেখা যায়। যাত্রীদের জন্য থাকছে আরামদায়ক বসার আসন, ব্যাগপত্তর রাখার জন্য অ্যালুমিনিয়ামের রেক। থাকবে মেট্রোর মতোই স্ল্যাইডিং ডোর। স্টেশনগুলিতে সুনির্দিষ্ট সময়ের জন্য তা খুলে যাবে। যাত্রী তুলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। সাধারণ ট্রেনের বাইরে নির্দিষ্ট রুটে এসি লোকালের জন্য নয়া সময়সূচি তৈরি হবে। অর্থাৎ, বর্তমানে ট্রেনের সময়সরণীতে বিঘ্ন না ঘটিয়ে, এসি পরিষেবা চালু হবে। সময়সূচি, ভাড়া ও যাত্রাপথ নির্ধারনে এখনও বেশ কিছুটা সময় লাগবে, খবর পূর্বরেল সূত্রে।




