RBI has updated guidelines for pension disbursement

Recently, the RBI updated its guidelines in the Master Circular, clarifying a few key points pensioners should be aware of. Let us look into some of them. Whenever the government increases the rate of dearness relief, banks are expected to update the pension amount and pay the revised sum to the pensioners accordingly. The RBI mandates that banks determine revised DR payments either by receiving government directives via mail, fax, or email, or by referring to relevant government websites. Pensioners do not need to visit a bank to submit their life certificate. They can do it digitally using the Jeevan Pramaan portal, but only if the Pension Sanctioning Authority is also registered on the platform. The RBI has directed banks to facilitate life certificate submission at the homes or premises of super senior citizens who are over 70 years old or have a serious illness or disability including vision problems. In case a pensioner passes away, the family pension will be credited to the same account, provided the spouse is listed in the Pension Payment Order (PPO). There’s no need for the surviving spouse to open a fresh account. This reduces paperwork during already tough times. Whenever you submit your life certificate, the bank must give you a signed acknowledgement slip. If you’re submitting it digitally, they can provide a digital receipt too. This helps keep track and avoids confusion later. If your pension or arrears are paid late, banks must compensate you with interest at 8% per year from the due date and this money should be directly credited to your account.

White House unveils new trade document

The document is an updated version of the “Liberation Day” tariffs announced by US President Donald Trump on April 2. Initially, India’s tariff rate was mentioned as 27% in the earlier version of the White House annex. However, the latest revision has adjusted it to 26%. The update also included tariff changes for at least 14 other countries, including South Korea, Botswana, Cameroon, Malawi, Nicaragua, Norway, Pakistan, the Philippines, Serbia, South Africa, Thailand, Vanuatu, and the Falkland Islands. A report by Bloomberg on Thursday had found differences in the White House’s published data. The tariff rates in the annex were different from the figures shown in the charts during Trump’s original announcement. For example, South Korea’s rate was listed as 26% instead of 25%. Under the executive order that enforces Trump’s reciprocal tariff policy, all US trading partners are subject to a 10% global tariff, which took effect on 5 April. However, some countries, as mentioned in the annex, will have higher tariffs, including India at 26%. The revised annex also removed some territories that were included in earlier versions. For example, Reunion, which was previously listed with a 37% tariff, along with Saint Pierre and Miquelon and Norfolk Island, were not included in the final document.

Sensex plunges 930 points

At one point during the trading session, the Sensex had crashed over 1,000 points, and the Nifty50 plunged to trade below 22,900. Benchmark stock market indices fell sharply on Friday as both the Sensex and Nifty closed over 1% lower. Shares of metal, realty, pharma, information technology, auto and oil & gas suffered deep cuts. And all sectoral indices ended the session in negative territory. Some of the top gainers on the Nifty50 were Tata Consumer Products, Bajaj Finance, HDFC Bank, Nestle India and Apollo Hospitals. On the other hand, the top losers were Tata Steel, Hindalco, ONGC, Tata Motors and Cipla. Tata Steel fell as much as 9% on concerns over Donald Trump’s tariffs. Among auto stocks, Tata Motors was hit hard by Trump’s 25% tariff on automobiles. Tata Motors stock fell nearly 7% during the session. IT stocks such as Wipro, Tech Mahindra, L&T, HCLTech, TCS and Infosys also suffered deep cuts due to fears of rising inflation in the US. It is worth noting that Indian IT services companies depend heavily on US operations for their revenue.

নাইট সংসারে সুখশান্তি

জয়ের সরণিতে ফিরেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders)। সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে (SRH) শুধু হারানো নয়, দুরমুশ করেছে অজিঙ্ক্য রাহানের (Ajinkya Rahane) দল। প্যাট কামিন্সের (Pat Cummins) দল হেরে গিয়েছে ৮০ রানের ব্যবধানে। লিগ টেবিলের একদম তলানি থেকে থেকে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে কেকেআর। মাইনাস থেকে প্লাস-এ চলে এসেছে রান রেট। স্বভাবতই নাইট শিবিরে খুশির হাওয়া। ম্যাচের পরে ড্রেসিং রুমে চলল জনপ্রিয় পঞ্জাবি গান ‘দিল লুটেয়া’। নাইটদের মেন্টর ডোয়েন ব্র্যাভো (Dwayne Bravo) সেই সুরের সঙ্গে সোফায় বসেই শরীর দোলালেন। মজা নিলেন রিঙ্কু সিং, হর্ষিত রানা, অঙ্গকৃশ রঘুবংশী, চেতন সাকারিয়া এবং আরও অনেকে। খোশমেজাজে দেখা গেল কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিতকে। সবমিলিয়ে নাইট সংসারে সুখশান্তি ফিরে এসেছে। বৃহস্পতিবার হেরে গেলে বড় বিপদে পড়ত রাহানের দল। প্লে অফের অঙ্ক অনেকটাই কঠিন হয়ে যেত, কারণ বাকি ১০ ম্যাচের মধ্যে জিততে হত সাতটাতেই। এবার ছ’টায় জিততে হবে। আত্মতুষ্টির কোনও জায়গাই নেই, তবে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে এই জয় নাইট শিবিরে অনেকটা আত্মবিশ্বাস এনে দেবে। বৃহস্পতিবার ম্যাচের পর ২৯ বলে ৬০ রান করা ভেঙ্কটেশ আইয়ার (Venkatesh Iyer) জানিয়েছেন, ইডেনে (Eden Gardens) এদিন যে উইকেট ছিল এমন উইকেট থাকলে আরও ম্যাচ জিতবেন তাঁরা। আশা করা যায় আগামী ৬ এপ্রিল লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে একই ধরনের পিচ পাবেন তাঁরা।

এপ্রিলেই চালু হবে এসপ্ল্যানেড থেকে শিয়ালদা মেট্রো?

মেট্রোযাত্রীদের (Metro passenger) জন্য সুখবর। অপেক্ষা অবসান হতে চলেছে। এপ্রিলেই চালু হয়ে যেতে পারে এসপ্ল্যানেড (Esplanade) থেকে শিয়ালদা (Sealdah) পর্যন্ত মেট্রোরেলের যাত্রা। এমনটাই খবর পাওয়া গেছে সূত্র মারফত। আগামী ২৪ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী মোদির (Narndra Modi) হাত ধরে এই যাত্রার শুভ সূচনা হতে পারেন। ভার্চুয়ালি উদ্বোধন (Virtual Inauguration) করবেন প্রধানমন্ত্রী। শিয়ালদা ও এসপ্ল্যানেড দুটিই অত্যন্ত ব্যস্ততম জংশন। অফিস থেকে ব্যবসায়ীদের বেশি আনাগোনা এই পথ ধরেই। ফলে এসপ্ল্যানেড থেকে শিয়ালদহ পর্যন্ত যাত্রা শুরু করলে যাতায়াত অনেক সহজ হবে। মেট্রোর সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত এই পথের ‘সিআরএস’ বা কমিশন অফ রেলওয়ে সেফটি (Commission of Railway Safety)  পরীক্ষা হয়নি। কিন্তু দ্রুত এই পরীক্ষার এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট সেফটি অ্যাসেসমেন্ট বা আইএসএ-এর জন্যও অনুমোদন মিলবে। উদ্বোধনের কিছুদিন পর থেকে যাত্রা শুরু হবে। হাওড়া থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোরেল ইতিমধ্যেই সেক্টর ফাইভ থেকে শিয়ালদহ এবং হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত চলাচল করছে। এসপ্ল্যানেড থেকে শিয়ালদহ, এই মেট্রোপথ গিয়েছে বৌবাজার হয়ে। ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে বৌবাজার এলাকায় মেট্রোর সুড়ঙ্গপথে মাটি ধসে যায়, ফলে কিছু বাড়ি হেলে যায়, বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনাও ঘটে। জরুরি ভিত্তিতে এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে সরানো হয়। পরবর্তী সময় খুব সতর্কভাবে কাজ করে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। রেললাইন পাতার কাজ সম্পন্ন হয়, সফলভাবে বৌবাজার থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত মেট্রোর ট্রায়াল রান সম্পন্ন হয়।

আর্থিক দুর্নীতি, চার্জশিটে মুখ্যমন্ত্রীর কন্যার নাম!

আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে কেরালার (Kerala) মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের (Pinarayi Vijayan) কন্যা বীণা বিজয়নের (Veena Vijayan) নাম উঠল এসএফআইও চার্জশিটে। কোন পরিষেবা না দিয়েও সিএমআরএল (CMRL) সংস্থার থেকে অসদুপায়ে বীণার সংস্থা এক্সালজিক সলিউশনস (Exalogic Solutions) ২.৭ কোটি টাকা পেয়েছে বলে অভিযোগ এসএফআইও’র। এসএফআইও-র এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় সবুজ সংকেত দিল মিনিস্ট্রি অফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স। কোচি মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেডে আর্থিক জালিয়াতি কাণ্ডের তদন্তে সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন (SFIO) অফিসের চার্জশিটে অভিযুক্ত হিসাবে কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের কন্যা বীণার নাম ওঠায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তকারীর চার্জসিটকে অনুমোদন দিয়েছে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রক। কার্যত কোনও পরিষেবা না দিয়ে মনগড়া নানা রকম খরচ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করার এই অভিযোগে এসএফআইও ২০১৩ সালের কোম্পানিজ আইন অনুযায়ী তদন্ত শুরু করে। আর সেই সূত্রেই এক্সালজিক সলিউশন প্রাইভেট লিমিটেডের ডিরেক্টর বীণা বিজয়ন ২.৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর দশ বছরের কারাদণ্ড এবং যে পরিমাণ টাকা জালিয়াতির অভিযোগ, তার তিনগুণ অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

বাতিল ২৫৭৫৩ জনের চাকরি

নজর ছিল সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দিকে। ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগের যেই প্যানেল বাতিল করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট সেই মামলাই চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। তবে মিলল না স্বস্তি। ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগের পুরো প্যানেল বাতিল করল শীর্ষ আদালত। বহাল রাখা হলো কলকাতা হাইকোর্টের রায়কেই। শীর্ষ আদালতের তরফ থেকে বলা হয়, পুরো প্রক্রিয়ায় কারচুপি করা হয়েছে। রয়েছে গাফিলতি। ওই ছাব্বিশ হাজার নিয়োগ প্রক্রিয়ার কোন বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। এমনকি বলা হয়েছিল দুটো আলাদা লিস্ট করার জন্য, যোগ্য এবং অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের। কিন্তু সেই লিস্ট ও জমা দেওয়া যায়নি।তাই সুপ্রিম কোর্টও কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে বহাল রেখে বাতিল করা হলো ২৫৭৫৩ জনের চাকরি। শীর্ষ আদালতে প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চ, ২৬ হাজার চাকরি বাতিল করে স্পষ্টত জানিয়ে দেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে শুরু করতে হবে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া। পাশাপাশি, প্রায় ২৬ হাজার জনের চাকরি বাতিল করে কলকাতা হাইকোর্ট যেই রায় দিয়েছিল সেই রায়কে বহাল রেখে নিয়ম বহির্ভূতভাবে ২৬ হাজার জন চাকরি প্রার্থীদের তাদের বেতন ফেরত দিতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হল প্রধান বিচারপতি খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চের পক্ষ থেকে। উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারি মাসে সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি শেষ হয়, এবং তারপর স্থগিত রাখা হয় রায়দান। আজ শীর্ষ আদালত সেই রায়দান দেয়, যেখানে কলকাতা হাইকোর্টের রায়দান কেই সম্মতি জানিয়ে ঘোষণা করা হলো ২৬ হাজার জন চাকরি প্রার্থীর চাকরি বাতিলের কথা। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এই মামলার রায় ঘোষণা করে। স্পষ্টত জানিয়ে দেওয়া হয়, যোগ্য অযোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করা সম্ভব হয়নি। উল্লেখ্য ২০১৬ সালের এসএসসি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে উঠেছিল দুর্নীতির অভিযোগ। তারপর এই কলকাতা হাইকোর্টে চলে এই মামলার শুনানি। আর সেখানেই হাইকোর্ট স্পষ্টত জানিয়ে দেয় ২০১৬ সালের এসএসসির সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে দেওয়ার কথা। যার জেরে তৎক্ষণাৎ চাকরি হারান ২৫,৭৫৩ জন। আর তারপরেই হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন চাকরি হারারা। তবে বহাল থাকবে সোমা দাসের চাকরি। কলকাতা হাইকোর্টের স্পষ্ট তো জানিয়ে দিয়েছিলেন ক্যান্সারে আক্রান্ত সমা দাসের চাকরি বহাল টাকা হচ্ছে আর সেই সিদ্ধান্তকেই সম্মতি জানালো শীর্ষ আদালত। বহাল থাকল সোমা দাসের চাকরি, বাকি পুরো প্যানেল বাতিল করে দেওয়া হলো শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে।

ধেয়ে আসছে বৃষ্টি

ফেব্রুয়ারি থেকেই রাজ্যে শুরু হয়ে গেছে গরমের দাপট। এপ্রিল (April) মাসে তা থেকে অব্যাহতি পাওয়া যাবে এমন সম্ভাবনা কমই। প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল অবস্থা বঙ্গবাসীর। তবে এরই মাঝেই কিছুটা হলেও স্বস্তির খবর দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। আগামী কয়েকদিন রাজ্যজুড়ে বৃষ্টি (Rain) চলবে বলেই জানানো হয়েছে। বলা হয়েছিল মঙ্গলবার থেকেই তিলোত্তমায় নামবে ঝেঁপে বৃষ্টি, কিন্তু সেগুড়ে বালি। এখনও বৃষ্টির ছিটে ফোঁটারও দেখা মেলেনি। তবে বৃষ্টির আভাসে আবহাওয়ার কিছুটা হলেও পরিবর্তন ঘটেছে। ভোরবেলায় মনরোম আবহাওয়ার যেমন অনুভব হচ্ছে, রাতেও বেশকিছুটা আরামদায়ক হচ্ছে বাইরের তাপমাত্রা। সপ্তাহান্তে রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। তবে আবহাওয়াবিদদের মতে, বৃষ্টির পূর্বাভাসের জন্যই কিছুটা রেহাই মিলছে, বৃষ্টির দিন ফুরলেই, আবারও প্রবল দাবদাহ ‘কামব্যাক’ করবে। উল্লেখ্য, আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের এবং পশ্চিমের জেলাগুলিতে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সকাল থেকেই কলকাতা আর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মেঘলা আকাশ। ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে বইতে পারে দমকা হাওয়া বলেও জানা গিয়েছে। আজ থেকে রাজ্যজুড়ে যেই বৃষ্টি শুরু হবে আগামীকাল অর্থাৎ শুক্রবার সেই পরিমাণ বাড়বে বলেই জানা যাচ্ছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম বর্ধমানে। বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে রবিবার এবং সোমবারও। তবে বৃষ্টি হলেই যে স্বস্তি মিলবে তা কিন্তু নয়। গরম বেশখানিকটাই অনুভূত হবে বলে জানা যাচ্ছে। বৃষ্টির কারণে বাতাসে বাড়বে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ। বজায় থাকবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। আজ কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৩।

আইপিএল ম্যাচে রাতে স্পেশাল মেট্রো

চলছে আইপিএল ২০২৫ (Ipl 2025)। গতবছর আইপিএলের (IPL) বিজয়ী দল ছিল কেকেআর (KKR)। আর সেই উপলক্ষে কেকেআরের ঘরের মাঠ ইডেনে (Eden) আইপিএলের বেশ কয়েকটা ম্যাচের আয়োজন করা হয়। আগামীকাল অর্থাৎ ৩ এপ্রিল ইডেনের (Eden) মাঠে রয়েছে কেকেআর ভার্সেস সানরাইসার্স হায়দ্রাবাদের হাইভোল্টেজ ম্যাচ। আর সেই উপলক্ষে মেট্রোর পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে ইডেনে ম্যাচ উপলক্ষে রাতে চলবে বিশেষ ট্রেন। মেট্রো প্রেমীদের কথা মাথায় রেখেই মেট্রোর পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে এই সিদ্ধান্ত। তবে টিকিট কাটায় ঘটতে পারে একটু ব্যাঘাত, কারণ টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে শুধুমাত্র ওল্ড এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে, আর যদি চান মেট্রো কার্ড রিচার্জ করতে তাতেও আসতে পারে ব্যাঘাত কারণ মেট্রো কার্ড রিচার্জের মেসিনও সুধুমাত্র খোলা থাকবে নিউ এসপ্ল্যানেড স্টেশনে। কিন্তু তারও বিকল্প রয়েছে, মেট্রো অ্যাপ নিজের মোবাইলে সহজেই ইন্সটল করতে পারেন, আর সেখান থেকেই সহজে কেটে নিতে পারেন টিকিট আবার রিচার্জ করে নিতে পারেন মেট্রো কার্ডও। ব্লু লাইন এবং গ্রীন লাইন, দুই মেট্রো রুটের জন্যই মিলবে এই পরিষেবা। ব্লু লাইনে চলবে মোট দুটি স্পেশ্যাল মেট্রো। প্রথমটি এসপ্ল্যানেড ছাড়বে ঠিক রাত ১২টায়, দক্ষিণেশ্বর পৌঁছবে ১২টা ৩৩মিনিটে। দ্বিতীয় স্পেশ্যাল ট্রেনটি কবি সুভাষ থেকে ছাড়বে ঠিক রাত ১২:৩০ টায়। পাশাপাশি, গ্রীন লাইনে চলবে মাত্র একটি স্পেশ্যাল ট্রেন। যা এসপ্ল্যানেড থেকে ছাড়বে ঠিক রাত ১২ টায় যা হাওড়া ময়দানে পৌছবে ১২:০৮ তে।

Donald Trump to impose new tariffs from April 2

US President Donald Trump is set to announce reciprocal tariffs today on April 2 – a day which is being referred as the ‘Liberation Day‘. The tariffs, once announced, will immediately come into effect. While the exact details of the tariffs remain unclear, certain nations are expected to bear the brunt of the new measures. Trump’s administration has repeatedly claimed that existing trade rules favour other countries at the expense of the US, and the new tariffs are seen as a response to these concerns. A report from the Washington Post had said that Trump, along with his team, has created a plan to add a 20% tax on most goods that are imported in the United States. The report also mentions that Trump’s team is considering using the money from these new taxes to give people a tax refund or dividend. Speaking of impact, US companies that import goods will have to pay the new taxes, especially if the White House starts charging them “right away,” spokesperson Karoline Leavitt had suggested on Tuesday. According to a BBC report, higher the taxes, more companies will try to find ways to reduce those costs. They might change suppliers, ask business partners to share the costs, or raise prices for Americans. According to the report, the countries with the highest goods trade deficits with the US are: China European Union Mexico Vietnam Ireland Germany Taiwan Japan South Korea Canada India Thailand Italy Switzerland Malaysia Indonesia These countries collectively account for a major portion of the US trade imbalance and are expected to face the most significant impact from the new tariffs.