৮৯ তেও জিমে ঘাম ঝরাচ্ছেন ধর্মেন্দ্র

আমরা যত বেশি ঘাম ঝরাই ততই যেন মানসিক শান্তি উপলব্ধি করি। কারণ ভাবি মেদ ঝরছে। কারণ ঘামঝরা মানে আমরা মনে করি মেদ ঝরা। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন ঘাম ঝরা মানেই মেদ ঝরা নয়! অর্থাৎ বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী ঘামঝরা মানেই মেদ ঝরা নয়। শরীরে সঞ্চিত ফ্যাটি ক্যালরি ঝরানোর এনার্জি যোগায়। এক্সারসাইজের মধ্যে দিয়ে ঘামঝরা ও ক্যালরি ঝড়ার প্রক্রিয়া চলতে থাকে আর সেই জন্যই ওজন কমে; কিন্তু ফ্যাট ঝরে না। বিশেষজ্ঞরা যাই বলুক না কেন বলিউডের এক সময়ের হার্টথ্রব হ্যান্ডসাম অভিনেতা ধর্মেন্দ্র(Heartthrob Actor Dharmendra) ৮৯ বছর বয়সেও জিমে কসরত(Gym Workout) করে ঘাম ঝরাচ্ছেন। এমন ছবি তার ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখছেন। তার পরনে অ্যাথলেটিক ড্রেস,মাথায় ক্যাপ। গতকাল তার পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ব্যায়ামের মাঝে মাঝে বর্ষিয়ান অভিনেতা কথা বলছেন। আর একবার অভিনেতা প্রমাণ করে দিলেন বয়স শুধুমাত্র তার কাছে একটা সংখ্যা। কয়েকদিন আগে চোখে অপারেশন করে হসপিটাল থেকে বেড়ানোর সময় পাপারাৎজ্জিদের জনিয়েছিলেন, ‘আভি ভি ধর্মেন্দ্র মে বহোত দম হ্যায়…’। সঙ্গে ছিলেন না তার পরিবারের কেউ। যা দেখে তার ভক্তরা তাজ্জব। তারপর বলিউডের আরেক বর্ষিয়ান বাঙালি অভিনেতা বিশ্বজিতের পরিচালনায় সম্প্রতি ধর্মেন্দ্রকে দেখা গিয়েছিল ডামি ছাড়াই ফাইটিং সিকোয়েন্সে কাজ করতে। ৮৯ বছর বয়সে ধর্মেন্দ্রর এই সাহস দেখে সকলেই বাহবা জানিয়েছিল। অবাক হয়েছিলেন অন্য অভিনেতা-পরিচালক বিশ্বজিৎ।
Sensex and Nifty surge 6% in two-day rally

Both the Sensex and Nifty50 have jumped 6% in just two trading sessions, alongside a massive drop in volatility. At around noon, Sensex was trading 1,600 points or 2% higher, while the Nifty50 gained nearly 500 points, also above 2%. Most broader market indices, including the small-cap and mid-cap segments, registered strong gains during the session. What’s more important is that volatility on Dalal Street fell sharply today after US President Donald Trump hinted at more tariff pauses. The gains were broad-based, with auto, banking, financial services, realty and metal sectors leading the charge. Many heavyweight stocks, including Reliance Industries, HDFC Bank, Bharti Airtel, ICICI Bank and SBI, rose sharply during the trading session. Only four Nifty50 stocks were trading in the red, signalling strong bullish momentum on Dalal Street. WHAT SHOULD INVESTORS DO NOW? While the sharp rebound in equity markets has reignited investor enthusiasm, experts are urging caution amid ongoing global uncertainties, especially around US trade policy. The two-day rally may have delivered some much-needed relief, but the road ahead could still be bumpy.
ঠিক যেন ‘ঠান্ডা লড়াই’-এ মেতেছে বিশ্বের দুই মহাশক্তি

আমেরিকা-চীন শুল্কযুদ্ধ (Tariff Conflict) নিয়ে আপাতত সরগরম বিশ্ব রাজনীতি। একদিকে যেমন চীনা (China) পণ্যের উপর শুল্কের পরিমাণ বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন, তেমনই আবার বেজিংয়ের তরফেও মার্কিন (USA) পণ্যের উপর জারি হয়েছে নয়া শুল্ক। ঠিক যেন ‘ঠান্ডা লড়াই’-এ মেতেছে বিশ্বের দুই মহাশক্তি। আর এবার এর সরাসরি প্রভাব দেখা গেল দু’টি দেশের আমদানি-রফতানির উপর। সম্প্রতি, মার্কিন বহুজাতিক বিমান সংস্থা বোয়িং (Boeing) থেকে আর কোনও বিমান বা যন্ত্রাংশ অর্ডার না করার নির্দেশ দিয়েছে চীন সরকার। বেজিং তাদের দেশীয় উড়ান সংস্থাগুলিকে এই নির্দেশিকা পাঠিয়েছে। ব্লুমবার্গ সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কনীতির প্রতিবাদস্বরূপ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীন সরকার। উল্লেখযোগ্যভাবে, ট্রাম্প প্রশাসন চীনা পণ্যের উপরে ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক চাপিয়েছে। এর জবাবে চীন আমেরিকার বিমান শিল্পে বড় ধাক্কা দিতে চাইছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বোয়িং-এর মতো সংস্থার ক্ষেত্রে চীনের মতো বড় বাজার হারানো নিঃসন্দেহে একটি বড় ধাক্কা। তবে আমেরিকার এই শুল্কযুদ্ধ শুধু চীনের বিরুদ্ধেই নয়। ট্রাম্প প্রশাসন ভারত, গত ২ এপ্রিল থেকে কানাডা-সহ আরও বহু দেশের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছে। তবে ভারতের ক্ষেত্রে ২৬ শতাংশ শুল্ক চাপানো হলেও চীনের উপর তা কয়েকগুণ বেশি। যদিও কিছুটা চাপ কমাতে সম্প্রতি মোবাইল, কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক চিপসের উপর শুল্কছাড় দিয়েছে হোয়াইট হাউস। এর ফলে চীন সাময়িকভাবে কিছুটা স্বস্তি পেলেও বেজিং-এর দাবি, আমেরিকাকে এই নতুন শুল্কনীতি পুরোপুরি প্রত্যাহার করতে হবে।
মহাকাশের ঝটিকা সফর সেরে পৃথিবীতে ফিরলেন ৬ মহিলা

শুরু হয়ে গেল মহাকাশের ঝটিকা সফরের (Space Tour)। সম্প্রতি বিশ্বের অন্যতম ধনকুবের তথা অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের (Jezz Bazos) মহাকাশ সংস্থা ‘ব্লু অরিজিন’ (Blue Origin) ছয় মহিলাকে নিয়ে এক মহাকাশে ঝটিকা সফর সেরে ফিরল। সোমবার সকালে এর মাধ্যমে ইতিহাস লিখল এই সংস্থা। জানা গিয়েছে, টেক্সাসের ভ্যান হর্ন মহাকাশবন্দর থেকে ব্লু অরিজিনের ‘নিউ শেফার্ড’ রকেটে যাত্রা শুরু করেন তাঁরা। ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় উৎক্ষেপণ হওয়া এই অভিযান শেষ হয় মাত্র ১১ মিনিটেই। এই প্রথম, মহাকাশ যাত্রার ৬০ বছরের ইতিহাসে একসঙ্গে ছয় মহিলার মহাকাশ অভিযান দেখল বিশ্ববাসী। যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন জনপ্রিয় মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরি (Katy Perry), টিভি সঞ্চালক গেইল কিং, জেফ বেজোসের বাগদত্তা লরেন সানচেজ, নাসার প্রখ্যাত বিজ্ঞানী আয়েশা বোয়ে, মানবাধিকার কর্মী আমান্ডা নুয়েন এবং চলচ্চিত্র প্রযোজক কেরিয়ান ফ্লিন। এই মহাকাশ যাত্রা অল্প সময়ের হলেও তা বাণিজ্যিক মহাকাশ সফরের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিল। তবে এই ঝটিকা সফরের খরচও কিন্তু কম নয়। ব্লু অরিজিনের রকেটে আসন সংরক্ষণের প্রক্রিয়ায় ন্যূনতম দেড় লক্ষ ডলার অর্থাৎ, ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা জমা রাখতে হয়। যদিও এই ডিপোজিট ফেরতযোগ্য। পাশাপাশি, এই সফরের আসল খরচ হিসেবে ধরা হচ্ছে ২ থেকে সাড়ে ৪ লক্ষ ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় যা ১.৭১ কোটি থেকে ৩.৮৫ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। যদিও কোম্পানির তরফে এই সংক্রান্ত নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। উল্লেখ্য, এর আগেও ব্লু অরিজিন বিশেষ অতিথিদের বিনামূল্যে মহাকাশে নিয়ে গিয়েছে। ‘স্টার ট্রেক’-খ্যাত অভিনেতা উইলিয়াম শাটনার ছিলেন এমনই এক যাত্রী। সিএনএন-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এবারের যাত্রাতেও কিছু যাত্রী বিনামূল্যে গিয়েছেন। যদিও কারা টাকা দিয়েছেন আর কারা দেননি—সেই বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু জানা যায়নি।
নববর্ষে মুখ্যমন্ত্রীকে বড়মা’র মূর্তি উপহার

নতুন বছরের শুভ সূচনা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) হাতে উপহার হিসেবে কষ্টি পাথরে তৈরি বড়মার ‘ছোট মূর্তি’ তুলে দেবে নৈহাটি বড় কালী (Naihati Boro Ma) পুজো সমিতি। সেই পাথরের মূর্তি তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে। আগামী পাঁচ-সাতদিনের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে সেই মূর্তি, জানাল মন্দির কমিটি। এরপর সাংসদ এবং বিধায়কের সঙ্গে কথা বলে সেই মূর্তিটি পৌঁছে দেওয়া হবে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। শুভদিন হিসেবে বাংলার নববর্ষকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে নববর্ষের শুরুতেই কষ্টিপাথরের সেই ছোট মূর্তি তুলে দেওয়া হতে পারে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের হাতে। তবে, মুখ্যমন্ত্রীর হাতে মূর্তি তুলে দেওয়ার আগে একদিকে যেমন মূর্তি শুদ্ধিকরণ করা হবে। অপরদিকে, তেমনই মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনায় যজ্ঞও হবে মন্দিরে। এই বিষয়ে মন্দির কমিটির সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য বলেন, “বাংলা নববর্ষের প্রথম দিকেই মুখ্যমন্ত্রীর হাতে মূর্তিটি তুলে দেওয়ার ইচ্ছে রয়েছে । এনিয়ে সাংসদ পার্থ ভৌমিক ও বিধায়ক সনৎ দে-র সঙ্গে কথা বলে দিনক্ষণ ঠিক করা হবে । মুখ্যমন্ত্রীর হাতে বড়মার মূর্তি তুলে দেওয়ার আগে সেটি শুদ্ধিকরণ করা হবে । পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনায় যজ্ঞও হবে বড়মার মন্দিরে । মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছেপূরণ করতে পেরে গর্বিত আমরা।”
বোলপুর যাবেন সৌরভ

প্রথমবারের জন্য বোলপুর-শান্তিনিকেতনে (Bolpur-Shantiniketan) আসছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। রবীন্দ্র জয়ন্তী (Rabindra Jayanti 2025) উপলক্ষে বোলপুর পুরসভার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন ভারতীয় ক্রিকেটের প্রাক্তন অধিনায়ক। বোলপুরের ডাকবাংলো ময়দানে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে তাঁকে সম্বর্ধনা দেওয়া হবে। বহুদিন ধরেই চলছিল জল্পনা। এই সেই খবরে সিলমোহর দিলেন বোলপুর পুরসভার চেয়ারপার্সন পর্ণা ঘোষ। ২৫শে বৈশাখ রবি ঠাকুরের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে এই প্রথম বোলপুরে আসছেন ‘মহারাজ’ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ৯ মে বোলপুর ডাকবাংলো স্টেডিয়াম মাঠে রবীন্দ্র জয়ন্তীতে আয়োজন করা হয়েছে দিনভরের অনুষ্ঠানের। বিকেল ৩টে নাগাদ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন ভারতীয় ক্রিকেটে দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। জানা গিয়েছে, তাঁকে বোলপুর পুরসভার ও বোলপুর মহকুমা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন রাজ্য গ্রামোন্নয়ন পর্ষদের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ৷ এছাড়াও, বোলপুরের ক্রীড়াপ্রেমী বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট মানুষকেও সম্মাননা দেওয়া হবে ৷ উল্লেখ্য, সৌরভ গাঙ্গুলির সফরকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সাজসাজ রব বোলপুর শহর জুড়ে। ক্রীড়া অনুরাগী ও নবীন খেলোয়াড়দের উদ্দেশ্যে কি বার্তা দেন ‘দাদা’? নজর সকলের।
বঙ্গ সফরে রাষ্ট্রপতি

বঙ্গ সফরে (Bengal Visit) আসছেন রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মু (President Draupadi Murmu)। আগামী ২৩ এপ্রিল তাঁর রাজ্যে আসার কথা। কল্যাণী এইমসের প্রথম বার্ষিক সমাবর্তন (First Annual Convocation of AIIMS Kalyani) অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি। কল্যাণী এইমসের অডিটোরিয়ামে এই সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি ছাড়াও এই অনুষ্ঠানের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা (Union Health Minister JP Nadda) ও রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (CV Anand Bose) । এর আগে রাষ্ট্রপতি রাজ্যে এসেছিলেন ২০২৩ সালের আগস্টে। গার্ডেনরিচে শিপবিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। সেখানকার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর জিআরএসই’র অনুষ্ঠানে সামিল হন। এবারের সফরে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল রাষ্ট্রপতির উত্তরবঙ্গ সফরে যেতে পারেন। সেখানে তাঁর সঙ্গে থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গের ফাঁসিদেওয়া ব্লকের বিধাননগরে আসতে পারেন রাষ্ট্রপতি। তবে সরকারি কোনও নথি এসে এখনও পৌঁছয়নি। তবে ইন্টারন্যাশনাল সাঁওতাল কাউন্সিলের দাবি, আগামী ২৪ এবং ২৫ এপ্রিল বিধাননগরের সন্তোষিণী বিদ্যাচক্র হাইস্কুলের মাঠে হতে চলেছে ইন্টারন্যাশনাল আদিবাসী সাঁওতাল কনফারেন্স। সেখানের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝিকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে। বাংলার কৃষি বিপণনমন্ত্রী বেচারাম মান্না, আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকেরও উপস্থিত থাকার কথা আছে।
RBI launches official WhatsApp channel for financial info

The move is aimed at helping users, especially those in remote or less connected areas, stay updated with important banking and financial updates in a simple and easy manner. The new WhatsApp channel is a part of the RBI’s ongoing public awareness programme called ‘RBI Kehta Hai’ (RBI Says). The programme already shares important information through SMS, television ads, newspapers, and digital platforms. With the addition of WhatsApp, the RBI hopes to reach even more people using one of the most popular messaging apps in the country. WHY HAS RBI LAUNCHED A WHATSAPP CHANNEL? The RBI said that the goal of the WhatsApp channel is to provide verified and timely information about banking, digital safety, and other important topics directly to users. This is especially useful at a time when fake news and frauds often circulate on social media. The RBI hopes the WhatsApp channel will help clear confusion and build public trust by sharing official information in a direct and simple way. In its press release dated April 4, the RBI said, “Through the verified ‘Reserve Bank of India’ account on WhatsApp, we aim to make important financial information more accessible to everyone, regardless of their geographical location.”
কেমন থাকবে কলকাতার আকাশ

কলকাতায় (Kolkata Weather) কিছুটা হলেও কমেছে তাপমাত্রা (Temperature)। ফলে সামান্য স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে বঙ্গবাসী। সকালের দিকে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বিকেলে আকাশ মেঘলা (Cloudy Sky) থাকার পূর্বাভাস । সেইসঙ্গে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকার জন্য রোদ বাড়তে থাকলে অস্বস্তিও পাল্লা দিয়ে বাড়বে। সোমবার পর্যন্ত বিকেল বা রাতের দিকে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শনিবার বিকেল বা সন্ধ্যায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ কালবৈশাখীর সম্ভাবনা ৷ দক্ষিণবঙ্গে আজ ৯ জেলায় কালবৈশাখীর (Kalbaisakhi Warning )মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া জেলায়। একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। উত্তর-পূর্ব মধ্যপ্রদেশ থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। যেটি ঝাড়খণ্ডের ওপর দিয়ে গিয়েছে এবং সমুদ্র পৃষ্ঠের দেড় কিলোমিটার ওপরে অবস্থান করছে ৷ অপরদিকে বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে চক্রবৎ ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে, যা হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত সিকিম এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল পর্যন্ত রয়েছে। এই চক্রবৎ ঘূর্ণাবর্তটি বিস্তৃত পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত ৷ যা সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ৩.১ কিলোমিটার উপরিভাগে অবস্থান করছে। এই জোড়া ঘূর্ণাবর্তে প্রভাবে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প এই রাজ্যে প্রবেশ করছে ৷ এর কারণে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়া বইবে। বিক্ষিপ্তভাবে ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি চলবে। রবিবারও কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টির সর্তকতা। পাশাপাশি কালবৈশাখীর সতর্কতা জারি থাকবে ৬ জেলায়। হুগলি, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং নদিয়া জেলায়। ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। সোমবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা। ৪ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সর্তকতা বেশি থাকবে। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর এবং পুরুলিয়ায়। বাতাসে হাওয়ার গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। আজ দার্জিলিংয়ে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা। ওপরের দিকের পাঁচ জেলায় বৃষ্টি বেশি হওয়ার সম্ভাবনা। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইবে হাওয়া। মালদা এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এই তিনজেলায় বাতাস হাওয়ার গতিবেগ থাকতে পারে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার। পার্বত্য এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়-বৃষ্টি চলবে বুধবার পর্যন্ত। আজ দিনের সর্বোচ্চ তামপাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
গভীর জঙ্গলে ‘ননস্টপ’ গুলির লড়াই

মাওবাদী (Maoist) দমনে ফের বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী (Security Forces)। এবার ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনী সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিকেশ তিন মাওবাদী। জানা গিয়েছে, শনিবার বিজাপুরের ইন্দ্রাবতী জাতীয় উদ্যানের গভীর জঙ্গলে শুরু হয় দু’পক্ষের সংঘর্ষ। তাতেই নিহত হয় তিন মাওবাদী, পাশাপাশি উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সামগ্রী। ছত্তিশগড়ের বস্তার বিভাগের আইজি সুন্দররাজ পি এই অভিযান সম্পর্কে জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সকাল ৯টা নাগাদ বিজাপুর ও দান্তেওয়ারা জেলার যৌথ বাহিনী—ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্স যৌথভাবে অভিযানে নামে। শুরু হয় সংঘর্ষ। গুলির লড়াইয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তিনজন মাওবাদীর। নিরাপত্তা বাহিনীর দাবি, চলতি বছর মাওবাদ দমনের অন্যতম বড় সফল অভিযান ছিল এটি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে দেশে মোট ১৩৮ জন মাওবাদী নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু বস্তার বিভাগের সাত জেলাতেই মৃত্যু হয়েছে ১২২ জনের। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৪ সালে বস্তার অঞ্চলে ২৮৭ জন মাওবাদী মারা যান, গ্রেফতার হন প্রায় হাজারেরও বেশি, এবং আত্মসমর্পণ করেন ৮৩৭ জন মাওবাদী সদস্য। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে দেশকে সম্পূর্ণভাবে মাওবাদমুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে কেন্দ্র সরকার। বিজেপি সরকার ছত্তিশগড়ে ক্ষমতায় আসার পর এই অভিযান আরও জোরদার হয়েছে বলে দাবি করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অন্যদিকে, মাওবাদীদের তরফ থেকে একটি বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে তারা সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে তাদের দাবি, আগে সরকারকে অভিযান বন্ধ করতে হবে। এর পরেই তারা যুদ্ধবিরতিতে রাজি হবে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।




