নয়া অবতারে কাজল

নাইনটিজ কুইন কাজল (Kajol)। বয়স বাড়লেও অভিনেত্রীর বাবলিনেস মূল আকর্ষণ অনুরাগীদের। এই বঙ্গ তনয়া যখন শাড়ি পরেন, ট্র্যাডিশনাল আউটফিটে তাঁকে আরও বেশি আকর্ষণীয় দেখায়। এবার ক্লাসিক কালো শাড়িতে নিজেকে মেলে ধরলেন কাজল। শাড়ির থেকে সকলের নজর নায়িকার ব্লাউজের দিকে। বয়স প্রায় ৫০ ছুঁইছুঁই হলেও কাজল চিরসবুজ। তাঁর মনখোলা হাসি দেখে যে কারোর মন ভালো হয়ে যেতে পারে। কখনও রঙিন তো কখনও সাদা কালো ক্যানভাসে মনীশ মালহোত্রার ডিজাইন করা কালো শাড়িতে লাইমলাইট কেড়েছেন তিনি। শাড়ির থেকে সকলের চোখ আটকেছে নায়িকার ব্লাউজে। ছবিতে দেখা গিয়েছে মনীশ মালহোত্রার আর্কাইভাল চেনিল ভিনটেজ কালেকশনের একটি শাড়ি পরেছিলেন। কালো শাড়িতে সোনালী জরির কাজ, সঙ্গে কাজলের সাহসী লুক বেশ নজর কেড়েছে। শাড়ির সঙ্গে স্লিভলেস হ্যাল্টার নেকলাইন এবং স্টাইলিশ ম্যান্ডারিন কলার ব্লাউজ, কাজলের সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। অভিনেত্রীর ক্লাসিক সাজে ভক্তদের মুগ্ধ করেছেন। ছবিকে আরও বেশি বোল্ড করে তুলেছে নায়িকার হাতে উজ্জ্বল লাল গোলাপ। View this post on Instagram A post shared by Manish Malhotra (@manishmalhotra05)
Gold prices cross Rs 1 lakh

Gold prices have crossed Rs 1 lakh for 10 grams in India as the yellow metal witnesses a record rally driven by uncertainties in global markets. Pure gold, those of 24 carats, now cost more than Rs 10,000 for a gram in all major cities, including Delhi, Mumbai, Kolkata, and Chennai. In the US, gold futures gained 1.7% to $3,482.40 on Monday evening. President Donald Trump’s criticism of Federal Reserve Chair Jerome Powell has sparked fears among investors, driving them towards safer assets like gold. Gold Price In Different Indian Cities 24-carat gold costs Rs 10,150 per gram in Delhi and its neighbouring cities, Gurugram and Noida, according to goodreturns.com. But pure gold is not used in jewellery, and it may not be accounted for while calculating jewellery prices. For 22 carats, the price is a bit lower, around Rs 9,305 per gram. In Mumbai and Kolkata, the prices are marginally lower. While 24-carat gold costs Rs 10,135 per gram, 22-carat gold costs Rs 9,290.
বক্স অফিসে কেমন লড়ছে অক্ষয়ের ছবি!

সানি দেওলের(Sunny Deol) ‘জাট'(Jaat) এবং সলমন খানে(Salmn Khan)র ‘সিকন্দর'(Sikandar) এর সঙ্গে অক্ষয় কুমারের(Akshay Kumar) ‘কেশরী ২'(Kesari Chapter 2) বক্স অফিসে খুব একটা খারাপ ব্যাটিং করছে না। গত ১৮ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী সাড়ে ৫ হাজার পর্দায় মুক্তি পেয়েছে অক্ষয়ের এই ছবি। যদিও অক্ষয়ের ‘স্কাই ফোর্স'(Sky Force) ছবিটি বছরের প্রথম দিকে মুক্তি পেলেও বক্স অফিসে তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি। গত কয়েক বছর ধরেই বক্স অফিসে(Box Office) হোঁচট খাচ্ছে অক্ষয় কুমার অভিনীত ছবি। গত তিন দিনে দেশে ও বিদেশে করণ সিং ত্যাগী পরিচালিত ‘কেশরী চ্যাপ্টার ২’ ছবিটি মোট আয় করেছে ৩৮.১৪ কোটি টাকা। ১৯১৯ সালের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে এই ছবি। নিরাপরাধ ভারতের যে নৃশংস ভাবে হত্যা করেছিল তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার। ‘কেশরী চ্যাপ্টার ২’ ছবিতে অক্ষয় কুমার রিয়েল লাইফ নায়ক আইনজীবী সি. শঙ্করন নায়ারের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, যিনি ব্রিটিশরাজের বিরুদ্ধে জালিয়ানাওয়ালা বাগ হত্যাকাণ্ডের আসল সত্য উন্মোচনের জন্য লড়াই করেছিলেন। আর মাধবন আইনজীবী নেভিল ম্যাককিনলির ভূমিকায় অভিনয় করেছেন এবং অনন্যা পাণ্ডে দিলরীত গিলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
যোগ্য-অযোগ্য নিয়ে কী জানালেন শিক্ষামন্ত্রী?

কলকাতা: স্থায়ী পদে পুনর্বহালের দাবিতে এসএসসি (SSC) ভবনের সামনে অবস্থান (Protest) চালিয়ে যাচ্ছেন চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। সোমবার থেকে তাঁরা অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছেন এবং স্পষ্ট জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। তাঁদের মূল দাবি—যথাশীঘ্র যোগ্য ও অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করে স্থায়ীভাবে নিয়োগ দেওয়া হোক। তবে আন্দোলনের প্রথম দিনেই এসএসসি তালিকা প্রকাশ না করায় ক্ষোভ আরও বেড়েছে। এর মধ্যেই শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu) আশ্বাস দিয়েছেন, রাজ্য সরকার ও বিদ্যালয় শিক্ষাদফতর তাঁদের পাশে রয়েছে। কিন্তু যোগ্য ও অযোগ্যদের তালিকা কবে প্রকাশ হবে? মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে এই বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, তালিকা প্রকাশে বিলম্বের কারণ হল আইনি পরামর্শ না পাওয়া। তিনি আরও বলেন, কাউকে বরখাস্ত করা হয়নি, কাজে যোগ দিতে কারও সমস্যা হয়নি এবং কারও বেতন বন্ধেরও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ব্রাত্য বসুর দাবি, “আমাদের কাছে ভাগ রয়েছে। সেই অনুসারে আমরা কাজ করছি। এমন কোনও কাজ করবেন না বা এমন কিছু করতে বাধ্য করবেন না, যাতে রিভিউ পিটিশন আপনাদের বিপক্ষে চলে যায়।” কিন্তু তালিকা প্রকাশ না হলে কারা বেতন পাবেন, কারা স্কুলে যাবেন তা নির্ধারণ হবে কী ভাবে? প্রশ্নের জবাবে ব্রাত্য বলেন, ‘‘১৭ তারিখ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের যে তালিকা দেওয়া হয়েছে, যোগ্য-অযোগ্য আপনারা বলছেন আমরা নির্ধারণ করতে পারিনি। কিন্তু আপনারা যদি ১৭ তারিখের কেসটি দেখেন, যেখানে আমরা ক্ল্যারিফিকেশন চাই, সেখানে খুব পরিষ্কার করে ১৭,২০৬ জন— তাঁরা যোগ্য। এটি মধ্যশিক্ষা পর্ষদ হলফনামা দিয়ে জানিয়েছে।’’ তিনি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে সতর্ক করে বলেন, “আপনারা এমন কিছু করবেন না যাতে সুপ্রিম কোর্টে চলা রিভিউ পিটিশনে আপনাদের অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।” তবে অযোগ্যদের তালিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট জানান, “এই তালিকা সুপ্রিম কোর্টই প্রকাশ করেছে। আমরা কিছু তৈরি করিনি। তালিকাটি জনসমক্ষে রয়েছে।” এদিকে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেছেন, তৃতীয় দফার পরবর্তী কাউন্সেলিং নিয়ে কমিশনের তরফে কোনও বক্তব্য আসেনি। তবে শিক্ষামন্ত্রীর দাবি, এমন কিছু নিয়ে সরকার বা এসএসসি কোনও মন্তব্য করেনি এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেও তেমন কিছু নেই। তিনি বলেন, “যা বলা হয়নি, তা ধরে নিয়ে অভিযোগ করা অর্থহীন।”
সাংবাদিক বৈঠকে ব্রাত্য বসু

কলকাতা: দাবি না মানা পর্যন্ত অবস্থান থেকে সরবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা। সোমবার থেকে তাঁরা এসএসসি ভবন (SSC) চত্বরে শুরু করেছেন ধর্না (Protest)। আন্দোলনকারীদের দাবি, দ্রুত যোগ্য-অযোগ্য তালিকা প্রকাশ করে স্থায়ী পদে ফেরানো হোক তাঁদের। তবে সোমবার এসএসসি সেই তালিকা প্রকাশ করেনি, যার জেরে ক্ষোভ আরও বেড়েছে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu) আশ্বাস দিয়েছেন, সরকার এবং বিদ্যালয় শিক্ষাদফতর চাকরিহারাদের পাশে রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বিকাশ ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী নিজে তাঁদের পাশে রয়েছেন। আমরা আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তাঁদের সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছি। সুপ্রিম কোর্টে বিষয়টি বিচারাধীন। আমরা রিভিউ পিটিশন দায়ের করেছি।” মন্ত্রী আরও জানান, সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত উপযুক্ত শিক্ষকদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে ব্রাত্য বসু আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে বলেন, “আইনের বাইরে গিয়ে কোনও কাজ করবেন না যাতে রিভিউ পিটিশন দুর্বল হয় বা আদালতের অবমাননা হয়। আমরা প্রতিটি পদক্ষেপ আইনি পরামর্শ নিয়ে নিচ্ছি।” পাশাপাশি চাকরিহারাদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “আপনাদের জন্যই এসএসসি লড়াই করছে। সরকারই একমাত্র আপনাদের পাশে রয়েছে। বেতন-সহ অন্যান্য বিষয়ে আমরা কাজ করছি। দয়া করে স্কুলে ফিরে যান, কাজ চালিয়ে যান।” তবে সরকারি আশ্বাস সত্ত্বেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের স্পষ্ট বক্তব্য, চূড়ান্ত সমাধান না হলে অবস্থান চলবে অনির্দিষ্টকালের জন্য।
Finance Minister Nirmala Sitharaman on a five-day US trip

Finance minister Nirmala Sitharaman said on Monday as she started on a trip packed with engagements between the two nations. “The long and short of engaging with the US is not just for this reciprocal tariff-related matter, but in the interest of… our largest trading partner with whom we need to have an agreement,” Sitharaman said in an address to the Indian diaspora in San Francisco. Sitharaman is on a five-day trip to the United States, where she will attend the spring meetings of the International Monetary Fund and the World Bank, and the meeting of G20 finance ministers and central bank governors, according to an Indian government statement. She is also scheduled to meet the US Treasury Secretary Scott Bessent and is expected to speak to officials at the United States Trade Representative’s office. Her visit comes in a week of multiple engagements between the United States and India that will focus on trade, as New Delhi rushes to avoid steep US tariffs with an early trade deal and boost ties with the Donald Trump administration. Officials in New Delhi are hoping to firm up an agreement with Washington within the 90-day pause on tariff increases announced by Trump on April 9 for major trading partners, including India.
বিদেশি ফাটকা পুঁজিতেই চাঙ্গা দালাল স্ট্রিট

চীন (China) ও আমেরিকার (US) শুল্ক যুদ্ধ (Tarrif War) চরমে। দুই দেশই পরস্পরের পণ্যে চড়া হারে শুল্ক চাপিয়েছে। চীন নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তবে সে আঁচ ভারতের বাজারে (Indian Market) প্রভাব ফেলতি পারেনি। বলা যেতে পারে ষাঁড়ের দখলে ভারতের বাজার। বিদেশি ফাটকা পুঁজির জেরে দৌড়ল শেয়ার বাজার। ভারতের শেয়ার বাজারে বড় উত্থান। সোমবার সেনসেক্স উঠল ৮৫৫ পয়েন্ট বা ১.০৯ শতাংশ। এদিন সেনসেক্স থেমেছে ৭৯ হাজার ৪০৮.৫০ পয়েন্টে। নিফটি-র উত্থান ২৯৫ পয়েন্ট বা ১.২৪ শতাংশ। নিফটি থেমেছে ২৪ হাজার ১২৫.৫৫ পয়েন্টে। এদিন বাজার খোলার শুরু থেকেই সেনসেক্স ও নিফটির উত্থান দেখা যায়। আগের সপ্তাহে সোম থেকে বৃহস্পতি, চার দিনে সেনসেক্স উঠেছিল ৪,৭০৬ পয়েন্ট। এদিন বৃদ্ধির পরে পাঁচ দিনে সেনসেক্স বাড়ল প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার পয়েন্ট। বিদেশি ফাটকা পুঁজি ভারতে ঢুকতে শুরু করেছে। তবে ঘনাচ্ছে আশঙ্কার মেঘও। চিন্তাও বাড়ছে বিদেশি ফাটকা পুঁজি নিয়েও। ফাটকা পুঁজি হঠাৎ বেরোলে দালাল স্ট্রিটে হতে পারে বড় পতন। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৭৫টি দেশের উপর চড়া শুল্ক চাপিয়েছিলেন। তারপরই বিশ্ব বাজারে অস্থরিতা বেড়েছিল। চড়া শুল্ক স্থগিত করার ঘোষণার পরই ভারতের শেয়ার বাজারে উত্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে এর সঙ্গে আমেরিকার ডলারের দাম কমাও গুরুত্বপূর্ণ। ভারতে খুচরো বাজারে মুদ্রাস্ফীতি সাড়ে ৫ বছরে সবচেয়ে কম হয়েছে গত মার্চে। তাও শেয়ারবাজারকে চাঙ্গা করেছে।
ডোমজুড়ে রাসায়নিক কারখানায় বিধ্বংসী আগুন

ডোমজুড়ে রাসায়নিক কারখানায় বিধ্বংসী আগুন (Domjur Fire)। কালো ধোঁয়ায় ঢেকেছে গোটা এলাকা। ঘটনাস্থে দমকলের ১৫ ইঞ্জিন। রাসায়নিক কারখানা হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রচুর রাসায়নিক মজুত ছিল। মাঝে মধ্যে বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠছে গোটা এলাকা।যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে। কারখানার ভিতরে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্থানীয় সূত্রের খবর, ডোমজুড়ের একটি ফাঁকা এলাকার মধ্যে ONGC-র রাসায়নিক কারখানা। সোমবার দুপুর সাড়ে ৩টের দিকে কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগে। আগুন লাগার সময় শ্রমিকরা ভিতরে কাজ করছিল। কারখানার একাংশ থেকে আগুন এবং ধোঁয়া বেরিয়ে আসতে দেখে তাঁরা খবর দেন ডোমজুড় থানায়। দমকল আসার আগেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু রাসায়নিক কারখানা তাই প্রচুর দাহ্য পদার্থ মজুত ছিল। রাসায়নিক বস্তু থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। বিস্ফোরণের উড়ে গিয়েছে কারখানার ছাদ। আশপাশের গ্রামগুলির বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্বে থাকতে বলা হয়েছে। এলাকায় আপাতত ব়্যাফ নামানো হয়েছে। তবে কারখানার ভিতরে কেউ আটকে রয়েছেন কিনা, তা এই মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়। কারণ দমকল কর্মীরা ভিতরে ঢুকতেই পারেননি। তবে দমকল জানিয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।
লেডিস স্পেশালে এবার উঠতে পারবেন পুরুষরাও

কলকাতা: অফিস টাইমে লেডিস স্পেশাল ট্রেনে (Ladies Special Train) পুরুষদের জন্য কামড়া ভাগ করে দিল পূর্ব রেলের শিয়ালদহ শাখা। বর্তমানে শিয়ালদহ শাখায় মোট ১২টি মাতৃভূমি লোকাল চলে। যার মধ্যে দুটি শিয়ালদহ মেইন শাখায় (কৃষ্ণনগর ও রাণাঘাট), শিয়ালদহ নর্থ শাখায় (বনগাঁ ও বারাসত), এবং বাকি দুটি শিয়ালদহ সাউথ শাখায় (ক্যানিং ও বারুইপুর) চলাচল করে। রেল সূত্রে দাবি, বর্তমানে প্রতিটি মাতৃভূমি লোকালই ন’কোচ থেকে ১২ কোচের করে দেওয়া হয়েছে যাত্রীদের সুবিধার জন্য। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, ছ’জোড়া মাতৃভূমি লোকালের ৭৫% আসন ভর্তি থাকে। বাকি ২৫% আসনে তেমন ভিড় হয় না। এই অতিরিক্ত আসনগুলি যথাযথভাবে ব্যবহার করতে হবে। অফিস টাইমে সাধারণ যাত্রীদের সুবিধার্থে শিয়ালদহ শাখার তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মাতৃভূমি লোকালের ১২ কোচের মধ্যে শিয়ালদহের দিক থেকে চার, পাঁচ ও ছয় নম্বর কোচ ব্যবহার করতে পারবেন পুরুষ যাত্রীরাও। বাকি পুরো ট্রেনের কোচগুলি মহিলাদের জন্য। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য রেল কর্তৃপক্ষ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি শিয়ালদহ শাখার তরফে সব ট্রেনে বাড়ানো হয়েছে মহিলা কোচের সংখ্যা। যাতে ব্যস্ত সময়ে মহিলাদের ভিড় সামলানো যায়। মহিলা যাত্রীদের জন্য ধারণ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশপাশি, মাতৃভূমি লোকালে তুলনামূলক কম ভিড় থাকার বিষয়টিকে বিবেচনায় রেখেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রেল। শিয়ালদহ ডিভিশনের সিনিয়ির জনসংযোগ আধিকারিক একলব্য চক্রবর্তী এর আগে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ‘লোকাল ট্রেনে ইতিমধ্যেই মহিলা কামরার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এর পাশাপাশি পুরুষ যাত্রীরাও যাতে স্বচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারেন সেকথা মাথায় রেখেই মাতৃভূমি লোকাল ট্রেনের কয়েকটি কোচ সাধারণ কোচ-এ পরিবর্তন করা হবে। যেখানে পুরুষ ও মহিলা সকলেই চড়তে পারবেন’।
ব্রিগেড লড়াইয়ের শপথ নেওয়ার

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মৃত্যুর পর সিপিএমের প্রথম ব্রিগেড। সিপিএম (CPM) ডাকেনি অবশ্য। সংগঠন খেত মজুর, কৃষক, শ্রমিক, বস্তি উন্নয়ন সমিতির ডাকে রবিবারের ব্রিগেড (Brigade)। একসময় খেত মজুর, শ্রমিকরাই ছিল সিপিএমের জনভিত্তি। সিপিএমের হালে এখন পানি নেই। রাজ্যে একজন বিধায়কও নেই। এগিয়ে আসছে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election)। এই ব্রিগেড থেকেই কী তবে সিপিএমে কার্যত ভোট যুদ্ধে নেমে পড়বে? ব্রিগেড ভরলেও ইভিএমে কাস্তে হাতুড়িতে ছাপ পড়ে না। গত বছর জানুয়ারিতেই সিপিএমের যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআইয়ের (DYFI) ডাকে ব্রিগেডে বামেদের সাড়া মিলেছিল। কিন্তু লোকসভা ভোটে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি। সিপিএম কি তবে কৌশল বদল করবে? কী বার্তা দেবে ব্রিগেড? দুপুরেই ব্রিগেডে জনসমাগম দেখে উচ্ছ্বসিত প্রবীণ নেতা বিমান বসু (Biman Basu) । তিনি বললেন, এই ব্রিগেড লড়াইয়ের শপথ নেওয়ার। তিনি একযোগে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন। বেকারদের কাজ নেই। শ্রমিক শ্রেণীর প্রতি শোষণ বেড়ে চলেছে। নরেন্দ্র মোদি সরকার রাজ্যে ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ রেখেছে। মানুষ খেতে পাচ্ছেন না। মেহনতী মানুষের কথা বলার জন্য এদিন ব্রিগেড সমাবেশ সিপিএমের। সমাবেশে প্রধান বক্তা মহম্মদ সেলিম। এদিন সকাল থেকেই হাওড়া, শিয়ালদহে ভিড় বাড়তে শুরু করে। শনিবারই অনেকে কলকাতা চলে এসেছেন। রবিবার হওয়ায় ব্রিগেডমুখী মিছিল ছাড়া কলকাতার রাস্তা ফাঁকাই ছিল। খুব একটা রোদের তেজ ছিল না এদিন। সকাল থেকেই ভিড় বাড়তে শুরু করে ব্রিগেডে। লালাঝাণ্ডা নিয়ে দলে দলে আসতে থাকেন সিপিএম কর্মীরা। ১৯৭৭ সালে সিপিএম এই রাজ্যের ক্ষমতায় শপথ নিয়েছিল। তার পর ৩৪ বছর কেটে গিয়েছে। এখন ক্ষয়িষ্ণু সিপিএম ঘুরে দাঁড়াতে কী শপথ নেয় সেদিকেই তাকিয়ে আমজনতা।




