কালবৈশাখীর পূর্বাভাস, ভিজবে এই জেলাগুলি

আজও দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal Weather) একাধিক জেলায় ঝড় বৃষ্টি সহ কালবৈশাখীর (Kalbaisakhi forecast) পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Alipur Weather Office)। রবিবারও বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছে বেশ কিছু জেলায়। প্রায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই পরিস্থিতি থাকতে পারে বলে হাওয়া অফিস সূত্রে খবর। শনিবার ঝড় বৃষ্টি পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার দাপট থাকবে। ঘণ্টায় হাওয়ার গতিবেগ থাকবে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার, আবার কোথাও ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে উত্তরবঙ্গের (North Bangal Weather) বিভিন্ন জেলাতেও ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই সঙ্গে বইতে ঝোড়ো হাওয়া। আগামী সপ্তাহের বুধ কিংবা বৃহস্পতিবার অবধি কয়েকটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এই ঝড়বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রা কমবে। ফলে মিলবে সাময়িক স্বস্তি। শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমানে ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এই সাত জেলার দু’এক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। রয়েছে শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা। রবিবার ঝড় বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। রবিবার ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায়। শনিবার কলকাতার আকাশ প্রধানত পরিষ্কার থাকবে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আংশিক মেঘলা হবে আকাশ। বিকেলে বা রাতের দিকে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপূর্বাভাসের পূর্বাভাস। আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গোয়ার মন্দিরের শোভাযাত্রায় পদপিষ্ট হয়ে মৃত ৭

গোয়ার (Goa) শিরগাঁওয়ের লাইরাই দেবী মন্দিরে (Lairai Devi Temple) পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল অন্তত সাতজনের। আহত হয়েছেন ৩০ জন। আহতদের গোয়া মেডিক্যাল কলেজ (Goa Medical College) এবং মাপুসার উত্তর গোয়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে লাইরাই দেবী মন্দিরের উদ্দেশ ভক্তদের বিরাট শোভাযাত্রা চলছিল। ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা ঘটে। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ন্ত (CM Pramod Sawant) ইতিমধ্যেই আহতদের পরিদর্শন করতে হাসপাতালে গিয়েছেন। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, “শিরগাঁওয়ের লাইরাই যাত্রায় পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত। আমি আহতদের দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম এবং সবরকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছি। সবকিছু যাতে সঠিকভাবে পালিত হয় তার জন্য আমি নিজে তদারক করছি।” সাওয়ন্ত আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে, তিনিও এই কঠিন সময়ে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। প্রশাসনের তরফে এখনও ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ, মৃতদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। লাইরাই যাত্রা শুরু হয়েছিল শুক্রবার। শ্রী লাইরাই দেবীর এই বার্ষিক শোভাযাত্রা এক বড় উৎসব। দেবী লাইরাইকে শ্রদ্ধা জানাতে গোয়া এবং গোয়ার বাইরে থেকে বহু ভক্ত এই যাত্রায় যোগ দেন। ভক্তদের কাছে লাইরাই হলেন দেবী পার্বতীর এক রূপ। এই উৎসবের বড় অঙ্গ হল ধোন্ডাচি যাত্রা, যার কিছু অংশে জ্বলন্ত কয়লার উপর দিয়ে হাঁটেন পুণ্যার্থীরা।

কোথায় ছুটি কাটাতে গেলেন কিয়ারা?

সন্তান আসতে বাকি আর কয়েক মাস। কিয়ারাকে সবসময় আগলে রাখছেন সিদ্ধার্থ। এবার হবু বাবা মা সিদ্ধার্থ (Siddharth Malhotra)-কিয়ারা (Kiara Advani) বেরিয়ে পড়লেন ছুটি কাটাতে। ধুমধাম করে প্রথম বিবাহবার্ষিকী পালনও করেছেন কিয়ারা ও সিদ্ধার্থ। আর এবার জীবনে নতুন সদস্য আসার সুখবর জানালেন বলিউডের এই হট কপল। বাবা-মা হওয়ার খবরও স্যোশাল মিডিয়ায় সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে কিয়ারা বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে দুজনে চুটিয়ে ছুটি উপভোগ করছেন। ছবিতে একটি সাদা রঙের ঢিলেঢালা পোশাকে দেখা যাচ্ছে কিয়ারা। অন্য ছবিতে দেখা যাচ্ছে একগুচ্ছ ফুলের ছবি রয়েছে। সিদ্ধার্থ-কিয়ারা সেলফি শেয়ার করেছেন। যেখানে দুজনেই পরে রয়েছেন ধূসর রঙের পোশাক, চোখে রয়েছে রোদ চশমা। খাবারের ছবি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী।   View this post on Instagram   A post shared by KIARA (@kiaraaliaadvani)

একনজরে দেখে নিন মাধ্যমিকের ফলাফল

কলকাতা: আজ সকাল ৯টায় মাধ্যমিকের ফল (Madhyamik Result 2025) প্রকাশের পাশাপাশি মেধাতালিকাও দেওয়া হবে। ফল ঘোষণার পরই মধ্যশিক্ষা পর্ষদ থেকে সমস্ত স্কুলে রেজাল্ট পাঠানো হবে। দুপুরে পরীক্ষার্থীরা রেজাল্ট হাতে পাবে। অনলাইনেও মাধ্যমিকের রেজাল্ট দেখা যাবে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে। এ বছর পরীক্ষার্থী ছিল ৯ লক্ষ ৬৯ হাজার ৪২৫ জন। এর মধ্যে রেগুলার পরীক্ষার্থী ছিল ৯ লক্ষ ১৩ হাজার ৮৮৩ জন। পাশের হার ৮৬.৫৬ শতাংশ। যা গত বছরের তুলনায় বেশি। এবার একনজরে দেখে নিন প্রথম দশে কারা রয়েছে- প্রথম স্থান: উত্তর দিনাজপুরের আদৃত সরকার । তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৬, শতাংশের নিরিখে ৯৯.৪৬ শতাংশ । রায়গঞ্জ করোনেশন উচ্চ বিদ্যালয়। দ্বিতীয় স্থান: ১) অনুভব বিশ্বাস। রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দির, মালদহ। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৪। ২) সৌম্য পাল। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর হাইস্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৪। তৃতীয় স্থান: ১) ঈশানী চক্রবর্তী। বাঁকুড়ার কোতুলপুর সরোজ বাসিনী বালিকা বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৪। চতুর্থ স্থান: ১) মহঃ সেলিম। নিরোল উচ্চ বিদ্যালয়, পূর্ব বর্ধমান। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২। ২) সুপ্রতীক মান্না। কন্টাই মডেল ইনস্টিটিউট। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২। পঞ্চম স্থান: ১) সিঞ্চন নন্দী। গৌরহাটি হরদাস ইনস্টিটিউট, হুগলি। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। ২) চৌধুরী মহঃ আসিফ। কামারপুকুর আর কে মিশন মাল্টিপারপাস স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। ৩) দীপ্তজিৎ ঘোষ। ইটাচুনা শ্রী নারায়ণ ইনস্টিটিউশন, হুগলি। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। ৪) সোমতীর্থ করণ। নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। ষষ্ঠ স্থান: ১) অউন্চ‌ দে। ফালাকাটা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০। ২) জ্যোতিপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়। বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০। ৩) রুদ্রনীল মাসন্ত। গোরাসোলে মুরালিধর হাই স্কুল, বাঁকুড়া। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০। ৪) অঙ্কন মণ্ডল। টাকি রামকৃষ্ণ মিশন হাই স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০। ৫) অভ্রদীপ মণ্ডল। সারদা বিদ্যাপীঠ উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৯০। সপ্তম স্থান: ১) দেবার্ঘ্য দাস। ফালাকাটা উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯। ২) অঙ্কন বসাক। গঙ্গারামপুর উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯। ৩) অরিত্রা দে। বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯। ৪) দেবাদ্রিতা চক্রবর্তী। বাঁকুড়া মিশন গার্লস হাই স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯। ৫) সৌরিন রায়। অমরগড় উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯। অষ্টম স্থান: ১) অনির্বাণ দেবনাথ। তুফানগঞ্জ নৃপেন্দ্র নারায়ণ মেমোরিয়াল হাই স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ২) সত্যম সাহা। রায়গঞ্জের সারদা বিদ্যামন্দির। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ৩) আসিফ মেহবুব। জয়েনপুর উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ৪) মোঃ ইনজামাম উল হক। টার্গেট পয়েন্ট (আর) স্কুল উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ৫) মোঃ ইনজামাম উল হক। রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দির। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ৬) অরিত্র সাহা। রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দির। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ৭) শুভ্রা সিংহ মহাপাত্র। বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ৮) অরিজিৎ মণ্ডল। রামপুরহাট জিতেন্দ্রলাল বিদ্যাভবন। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ৯) স্পন্দন মৌলিক। রামপুরহাট জিতেন্দ্রলাল বিদ্যাভবন। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ১০) শ্রীজয়ী ঘোষ। নব নালন্দা শান্তিনিকেতন হাই স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ১১) পাপড়ি মণ্ডল। বর্ধমান বিদ্যার্থী ভবন গার্লস হাই স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ১২) সৌপ্তিক মুখোপাধ্যায়। কংসাবতী শিশু বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ১৩) উদিতা রায়। বেলদা প্রভাতী বালিকা বিদ্যাপীঠ। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ১৪) অরিত্র সাঁতরা। মনসুকা লক্ষ্মীনারায়ণ উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ১৫) পুষ্পক রত্নম। নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ১৬) অবন্তিকা রায়। রামকৃষ্ণ সারদা মিশন সিস্টার নিবেদিতা গার্লস স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। নবম স্থান: ১) দেবাঙ্কন দাস। তুফানগঞ্জ নৃপেন্দ্র নারায়ণ মেমোরিয়াল হাই স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭। ২) মৃন্ময় বসাক। কালিয়াগঞ্জ সরলা সুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭। ৩) অনিক সরকার। বালুরঘাট হাইস্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭। ৪) অরিত্রী মণ্ডল। বাঁকুড়া মিশন গার্লস হাই স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭। ৫) দিশা ঘোষ। দুবরাজপুর শ্রীশ্রী সারদেশ্বরী বিদ্যামন্দির। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭।৬) ময়ূখ বসু। কাঁকুরিয়া দেশবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭। ৭) পরমব্রত মণ্ডল। বর্ধমান মিউনিসিপাল উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭। ৮) অয়ান নাগ। কামারপুকুর আর.কে.মিশন মাল্টিপারপাস স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭। ৯) অঙ্কুশ জানা। বেলদা গঙ্গাধর একাডেমি। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭। ১০) দ্যুতিময় মণ্ডল। বিবেকানন্দ মিশন আশ্রম শিক্ষায়তন প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭। ১১) ঐশিক জানা। কন্টাই মডেল ইনস্টিটিউট। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭। ১২) প্রোজ্জ্বল দাস। শান্তিপুর মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭। ১৩) অনিশ দাস। প্রফুল্ল নগর বিদ্যামন্দির। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭। ১৪) তানাজ সুলতানা। জাঙ্গিপাড়া বালিকা বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৭। দশম স্থান: ১) কৌস্তভ সরকার। রায়গঞ্জ করনেশন উচ্চ বিদ্যালয়। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬। ২) আমিনা বানু। মোজামপুর গার্লস হাই স্কুল। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)। ৩) উবে সাদাফ। সুজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)। ৪) প্রিয়ম পাল। বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)। ৫) তুহিন হালদা। বিবেকানন্দ শিক্ষানিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)। ৬) দেবায়ন ঘোষ। কোটাসুর উচ্চ বিদ্যালয়। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)। ৭) এসকে আরিফ মণ্ডল। গিরিজোর সাঁওতাল উচ্চ বিদ্যালয়। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)। ৮) সম্যক দাস। নব নালন্দা শান্তিনিকেতন হাই স্কুল। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)। ৯) স্বাগত সরকার। কাসেমনগর বিএনটিপি গার্লস হাই স্কুল। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)। ১০) অয়ন্তিকা সামন্ত। চিলাডাঙ্গী রবীন্দ্র বিদ্যাবীথি। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)। ১১) সমন্বয় দাস। তমলুক হ্যামিলটন উচ্চ বিদ্যালয় (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)। ১২) বিশ্রুত সামন্ত। ধন্যশ্রী কে.সি. উচ্চ বিদ্যালয়। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)। ১৩) সায়ন বেজ। পরমানন্দপুর জগন্নাথ ইনস্টিটিউশন। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)। ১৪) সোহম সাঁতরা। মহিষাদল রাজ উচ্চ বিদ্যালয়। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)। ১৫) শৌভিক দিন্দা। সুন্দরবন আদর্শ বিদ্যামন্দির। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)। ১৬) রাহুল রিক্টিয়াজ। মজিলপুর জে.এম. ট্রেনিং স্কুল। (প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৬)।

Elon Musk rejects report claiming Tesla looking for new CEO

The report, which cited unnamed sources, said Tesla’s board had approached executive search firms about a potential leadership change amid rising investor concerns over Musk’s focus and the company’s falling performance. Musk responded furiously on X, calling it “an EXTREMELY BAD BREACH OF ETHICS” and slamming the WSJ for “publishing a DELIBERATELY FALSE ARTICLE” despite receiving a prior denial from Tesla’s board. “Earlier today, there was a media report erroneously claiming that the Tesla Board had contacted recruitment firms to initiate a CEO search at the company. This is absolutely false (and this was communicated to the media before the report was published),” Denholm said. “The CEO of Tesla is Elon Musk and the Board is highly confident in his ability to continue executing on the exciting growth plan ahead.” The media report came at a time when Tesla is under pressure. Profits are down 71% year-on-year and revenue slipped 9% in Q1, amid protests over Musk’s role as head of the US Department of Government Efficiency (DOGE) under the Trump administration.

কেমন থাকবে আজকের আকাশ?

আজ ১ মে, মে মাসের শুরুতেই আবহাওয়ায় বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল দক্ষিণবঙ্গ। সকাল থেকেই কলকাতার আকাশে ছিল হালকা মেঘের ছায়া (Rain update), তবে বিকেলের দিকে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে (Weather Update)। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আজ ঝড়বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। যারা কর্মসূত্রে বাইরে বের হবেন, তাদের ছাতা বা রেইনকোট সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আজকের আর্দ্রতার পরিমাণ থাকবে প্রায় ৯৩ শতাংশ। বাতাসে আদ্রতার কারণে অস্বস্তি বাড়তে পারে শহরবাসীর মধ্যে। তবে বৃষ্টিপাত হলে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে বলেই আশা করা যাচ্ছে। বজ্রপাতের সম্ভাবনা থাকায় খোলা জায়গা, উঁচু গাছ বা খোলা মাঠে অবস্থান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ঘরের দরজা-জানালা শক্ত করে বন্ধ রাখার অনুরোধও জানিয়েছে প্রশাসন। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে। আবহাওয়া বিশ্লেষকদের মতে, আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় এমন আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। তাই নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ, সরকারি নির্দেশিকা ও পূর্বাভাসের দিকে নজর রেখে চলুন।

ফের উত্তপ্ত ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত

সীমন্তে বাড়ছে গোলাগুলি বর্ষণ। প্রথম ৬ দিন পাকবাহিনী গোলাগুলি চালাচ্ছিল কেবল LOC জুড়ে। বুধবার রাতে তা আরও বিস্তৃত হয়েছে, জম্মু (Jammu) সীমান্তেও গুলিবর্ষণ করছে পাক বাহিনী। টানা সাতদিন ধরে চলছে বিনা প্ররোচনায় পাক গুলিবর্ষণ। বুধবার রাতেও পাকিস্তান বাহিনীর গোলাগুলি অব্যাহত। উপযুক্ত জবাব দিল ভারত। পহেলগাম হত্যাকাণ্ডের পর পাক গুলিবর্ষণ শুরু হয়। মঙ্গলবার রাতে পাক সেনারা গুলি চালায়। মঙ্গলবার ভারতের DGMO হটলাইনে কথা বলেছিলেন পাকিস্তানের DGMO-র সঙ্গে। পাকিস্তানের গোলাগুলি বর্ষণের বিষয়ে ভারত তীব্র প্রতিবাদ করে চূড়ান্ত সাবধানবাণী শোনায়। Director General of Military Operations-র সতর্ক করে দেওয়ার পরেও সংযত হয়নি পাকিস্তান। তার পরেও চলছে বেআইনি পাক গোলাগুলি বর্ষণ, তা আরও বিস্তৃত হচ্ছে।

Gold recently touched the Rs 1 lakh per 10 grams mark

As gold prices inch closer to Rs 1 lakh per 10 grams mark again, CA Nitesh Buddhadev is advising investors to keep a long-term perspective. He pointed out that while gold’s recent surge may seem exciting, its performance over the years tells a different story. Buddhadev wrote on LinkedIn, “Gold doesn’t always glitter: It gave almost zero returns for 8 years. This data will blow your mind. Yes, gold just touched Rs 1 lakh per 10 grams. Yes, it has given fantastic returns in the last 4 years. But before you jump in seeing this shiny headline — zoom out.” He then shared a surprising fact that, over an eight-year period, gold gave almost zero returns. Between 2012 and 2019, the price of gold barely moved, from Rs 31,050 to Rs 35,220 per 10 grams. That’s a total return of just 13% over 8 years, which works out to less than 1.5% per year, mentioned CA Nitesh Buddhadev in his post.

জগন্নাথ মন্দির থেকে বিরাট বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

শুভ ক্ষণে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের (Digha Jagannath Temple) দ্বার উন্মোচন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। দরজা ঠেলে মন্দিরের ভিতরে ঢোকেন মুখ্যমন্ত্রী। দ্বার খুলতেই দেখা গেল জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রার বিগ্রহ। জগন্নাথধামের দ্বারোদ্ঘাটনের পরই সম্প্রীতির বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। পাশাপাশি ঘোষণা করলেন, মন্দিরের ছবি এবং প্রসাদ সারা পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। শুধুতাই নয় জগন্নাথ মন্দিরে সোনার ঝাঁটা উপহার দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার মন্দির উদ্বোধনের সময় বলেন, সব ধর্মের লোক এসেছে এই দিঘার জগন্নাথধামে। স্থানীয়দের সাহায্য পেয়েছি, সেলেব-শিল্পপতি সবাইকে ধন্যবাদ। সনাতন ব্রাহ্মণ ধর্ম, আদ্যাপীঠের মহারাজ, স্বামীজির বাড়ি, বেলুড় মঠ, জয়রামবাটি, কামারপুকুর, কালীঘাট, ইসকন, পুরীর দ্বৈতপতি সবাই এসেছেন। সকল ধর্ম, বর্ণের মানুষ এসেছেন। হিডকোর সকলকে অভিনন্দন। যাঁরা এই কাজ করেছেন সকলকে ধন্যবাদ। মমতা আরও বলেন, “সকলেই ভোগ পাবেন। গজা, প্যারা, খাজার দোকান হচ্ছে। মন্দিরের ছবি, প্রসাদ সারা বাংলায় পৌঁছে দেওয়া হবে। গোটা দেশে যাঁরা ভালোবাসেন তাঁদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে। ইসকন ভোগের ব্যবস্থা করবে রোজ। সারা বিশ্বে শান্তিকামনা করে জগন্নাথ মন্দিরে ঢোকেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা জানান, প্রায় ২০ একর এলাকা জুড়ে ২৫০ কোটি টাকা ব্যয় করে দিঘায় জগন্নাথ মন্দির তৈরি করা হয়েছে। মন্দির চত্বরে ৫০০-র বেশি গাছ বসানো হয়েছে। নাটমন্দিরটি দাঁড়িয়ে রয়েছে ১৬টি স্তম্ভের উপরে। মূল মন্দিরে রয়েছে ভোগমণ্ডপ, নাটমন্দির, জগমোহন এবং গর্ভগৃহ। ভিতরে সিংহাসনে রয়েছে জগন্নাথ, বলরাম এব‌ং সুভদ্রার মূর্তি। নিমকাঠের তৈরি মূল বিগ্রহের পাশাপাশি পাথরের মূর্তিও রয়েছে। এ ছাড়া, রয়েছে রাধাকৃষ্ণের বিগ্রহও।

মেছুয়া অগ্নিকাণ্ডে গ্রেফতার হোটেল মালিক ও ম্যানেজার

গ্রেফতার বড়বাজারের (Burabazar) অগ্নিকাণ্ডে হোটেল মালিক আকাশ চাওলা ও ম্যানেজার গৌরব কাপুর। অক্ষয় তৃতীয়ার আগের দিন বড়বাজারের মদন মোহন মেছুয়াবাজার ফলপট্টি এলাকায় একটি হোটেলে আগুন লাগে। ঘটনায় মারা যান ১৩ ব্যক্তি। একজন মারা যায় কার্নিশ থেকে নামতে গিয়ে। মৃতদের মধ্যে ১২ জনকে শণাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন হোটেল মালিক ও ম্যানেজার। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেফতার হয়েছে দুজন। বুধবার রাতে ঘটনার অভিযোগ দায়ের করে দমকল। পাশাপাশি, পুলিশও সুয়ো মোটো অভিযোগ দায়ের করে। সেই দুই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়। ম্যানেজার গৌরবকে বুধবার জিজ্ঞেসাবাদ করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে মালিক ও ম্যানেজারকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি, মৃত ১৪ জনের মধ্যে ১২ জনের পরিচয় জানা গিয়েছে। ময়নাতদন্তের পর দেহগুলি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্তে সিট গঠন করেছে কলকাতা পুলিশ।