এই পাঁচ জেলায় ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি

আকাশ মেঘলা (Cloudy Sky) থাকলেও তীব্র গরমে হাঁসফাঁস (Heat Wave) অবস্থা শহরবাসীর। রাস্তায় বের হলেও দরদর ঘেমে নেয়ে নাজেহাল অবস্থা হচ্ছে। রাতেও একই অবস্থা। এক তীব্র দমবন্ধ করা অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে এই তীব্র গরমের থেকে একটু হলেও স্বস্তি দিচ্ছে আবহাওয়া অফিসের বার্তা। আজ শনিবার কালবৈশাখী (Kalbaisakhi Alert) সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal Weather Update) সব জেলায়। আবহাওয়া দফতর (Weather Office) জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে আগামী পাঁচদিন ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে পশ্চিমের জেলাগুলিতে গরম ও সেই সঙ্গে অস্বস্তিকর পরিবেশ থাকবে। তবে ঝড় বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। শনি থেকে সোমবারের মধ্যে দু থেকে তিন ডিগ্রি তাপমাত্রা সামান্য নীচে নামবে। শনিবার বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান এবং হুগলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। কলকাতাতেও বজ্রবিদ্যুৎ–সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেইসঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। শনিবারের থেকে বেশি রবিবার কলকাতায় ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। এই ঝড়বৃষ্টির দাপট চলবে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত গরম ও অস্বস্তিকর গরম বজায় থাকবে। শনিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.২ ডিগ্রির আশেপাশের থাকবে। মঙ্গলবারের মধ্যে ২–৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে উত্তরবঙ্গে সব ঝড়বৃষ্টি চলছে। ভারী বৃষ্টি চলবে উপরের পাঁচটি জেলায়। আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সব জেলাতেই ঝড়বৃষ্টি দাপট অব্যাহত থাকবে। ফলে কমবে তাপমাত্রা। বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট থাকবে।

‘অপারেশন সিঁন্দুর’, ISRO’র ভূমিকা কতটা?

‘অপারেশন সিঁন্দুর’ (Operation Sindur) শুধু একটি নাম নয়, ন্যায়ের প্রতীক, জাতির উদ্দেশে ভাষণে এমনটাই বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) । পাকিস্তান হামলা চালালে তার মোক্ষম জবাব দেওয়া হবে বলে হুঙ্কার দেন প্রধানমন্ত্রী । ‘অপারেশন সিঁন্দুর’ ভারতের গর্ব, তিন বাহিনীকেই (Indian Army) স্যালুট জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বাহিনীর অসীম সাহসের প্রশংসা করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মুও (President Draupadi Murmu) । তবে নিভৃতে কাজ করে গেছে আরও এক ‘বাহিনী’ যার নাম ইসরো। অপারেশন সিঁন্দুর-এ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (Isro)। প্রধানমন্ত্রী মোদি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, পাকিস্তানের উপর সময় নজর রাখবে ভারত। প্রধানমন্ত্রীর কথা মতো পাকিস্তানের উপর নজর রাখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিচ্ছে ইসরো। EOS-09 কে মহাকাশে পাঠাচ্ছে ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন। ভারতের সীমান্ত নিরাপত্তা (India’s border security) জোরদার করতে ১৮ মে EOS-09 উৎক্ষেপণ করবে ইসরো। এই কৃত্রিম উপগ্রহটি শ্রীহরিকোটা সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা হবে। ভারত পাক উত্তেজনা (India Pakistan Conflict) আবহে প্রতি মুহূর্তে ভারতের পাশে থেকেছে ইসরো। দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সুরক্ষিত করতে প্রতি মুহূর্তে সাহায্য করে গেছে ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন। এই নতুন কৃত্রিম উপগ্রহ EOS-09 পৃথিবী প্রদক্ষিণ করবে। যেকোনও পরিস্থিতিতে ভূপৃষ্ঠের সঠিক স্পষ্ট ছবি তুলতে সক্ষম। আকাশে মেঘ থাক, বা রাত-দিন হোক যেকোনও পরিস্থিতিতে কাজ করবে, এই EOS-09 বা RISAT-1B। ভারত-পাকিস্তানের সংঘাতে প্রযুক্তির ব্যবহার ভারতকে বিশেষ সাফল্য দিয়েছে। আধুনিক যুদ্ধে প্রযুক্তি বিজ্ঞান,নয়া অধ্যায় তুলে ধরছে। এই পরিস্থিতিতে স্যাটেলাইটের দ্বারা দেশের সুরক্ষা একটি বড় বিষয়। ইসরোর বহু স্যাটেলাইটই দেশের সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে রয়েছে। ইসরোর চেয়ারম্যান ভি নারায়ণ (ISRO Chairman V. Narayan ) জানিয়েছেন, দেশের সুরক্ষার জন্যই ১০ টি স্যাটেলাইট কাজ করছে। এগুলি দেশের স্ট্র্যাটেজিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যা দেশের সুরক্ষা ও নাগরিক নিরাপত্তায় ব্যবহৃত হয়। এই উপগ্রহের মাধ্যমে নতুন নতুন তথ্য পাচ্ছে ভারত। এই উপগ্রহের উপর ভর করেই ভারত নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, নিরাপত্তা-কীভাবে সুনিশ্চিত করা যেতে পারে সেই পরিকল্পনা করে চলেছে। আগামীদিনে এই ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী, জোরালো ও আধুনিক হবে আশাবাদী ভারত।

অ্যাপলকে ভারতে কাজ না করার নিদান ট্রাম্পের!

ফের বিতর্ক খাড়া করলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। অ্যাপল সংস্থা (Apple) ভারতে কাজ করুক তা চান না তিনি। অ্যাপলের সিইও টিম কুককে (Tim Cook) তিনি বলেছেন, ভারত নিজের ব্যবস্থা নিজেই করতে পারবে, ওখানে কাজ করার দরকার নেই। কুককে যে এসব বলেছেন, তা নিজেই জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। দোহায় এক বাণিজ্যিক ইভেন্টে যোগ দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “বন্ধু, শুনলাম আপনি ভারতে উৎপাদন করছেন। আমি চাই না আপনি ভারতে উৎপাদন করুন। যদি আপনি ভারতের দেখভাল করতে চান তাহলে সেখানে উৎপাদন করুন, কারণ ভারত পৃথিবীর সবথেকে বেশি শুল্ক আদায় করা দেশের মধ্যে একটা। তাই ওখানে বিক্রি করা খুব কঠিন।” ট্রাম্প এমনও দাবি করেছেন যে ভারত (India) মার্কিন পণ্যের উপর কোনও শুল্ল চাপাতে চায় না, যদিও তেমন কোনও ঘোষণা নয়াদিল্লি করেনি। ট্রাম্প বলেন, “ওরা (ভারত) আমাদের এমন এক প্রস্তাব দিয়েছে যাতে আক্ষরিক অর্থে কোনও শুল্ক নেই। আমি টিমকে বললাম, আমরা তোমাকে ভালো জায়গা দিয়েছি, এত বছর ধরে চীনে এত কারখানা বানিয়েছেন সেসব মেনে নিয়েছি। কিন্তু আপনার ভারতে উৎপাদনে আমরা ইচ্ছুক নই। ভারত নিজের দেখভাল নিজেই করতে পারে।” অ্যাপলের আইফোন, ম্যাক বুক সারা পৃথিবীর মানুষের পছন্দের ‘গ্যাজেট’। ট্রাম্প জানিয়েছেন, এবার আমেরিকাতেই এগুলোর উৎপাদন বাড়বে। অথচ তিনি এমন সময় এইসব মন্তব্য করলেন যখন অ্যাপল ভারতেই তার কর্মকাণ্ডে ব্যাপকতা আনতে চাইছে। ট্রাম্পের শুল্ক নীতি আঘাত প্রতিহত করতে চীন থেকে ভারতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। বর্তমানে ভারতে তিনটি অ্যাপল প্ল্যান্ট আছে, দুটি তামিলনাড়ুতে এবং একটি কর্নাটকে। একটি চালাচ্ছে ফক্সকন এবং বাকি দুটি চালাচ্ছে টাটা গ্রুপ। আরও দুটি প্ল্যান্ট রয়েছে পাইপলাইনে।

জেলায় জেলায় ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী?

ভ্যাপসা গরম ও চাঁদিফাটা গরমে নাজেহাল বঙ্গবাসী। এই জ্বালা পোড়া গরম থেকে কবে রেহাই মিলবে সেই প্রশ্ন সকলের। এবার সুখবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বলছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় পাঁচ জেলায় ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী (Kalbaisakhi)। বৃহস্পতিবারের পর থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণের প্রায় সব জেলাতেই কমবেশি ঝড়বৃষ্টি (Rain Strom Forecast) হতে পারে। বইতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া। তাপমাত্রাও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমতে পারে। একটানা ভ্যাপসা গরম চলেছে পশ্চিমের জেলাগুলিতে। বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে সকাল থেকেই গলদঘর্ম অবস্থা পশ্চিমের জেলাগুলির। কিন্তু বৃহস্পতিবার বিকাল থেকেই ছবিটা কিছুটা বদলে গেল।বৃহস্পতিবার দুপুরের পর আবহাওয়ার দাওয়া বদল ঘটল। মেঘের দেখা মিলল কলকাতার আকাশেও। হাওয়া অফিস বলছে, এদিন দক্ষিণের বেশিরভাগ জেলাতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে বইবে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া। রাতের দিকে কলকাতার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলেও ঝড়ো হাওয়া-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, বীরভূম, পূর্ব এবং পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরে কালবৈশাখী বইতে পারে আগামী ৪৮ ঘণ্টায়। বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির সঙ্গে ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো বাতাস বইবে। বৃহস্পতিবার থেকে ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে কালবৈশাখীর পরিস্থিতি চার জেলাতে-পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলাতে। ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে কলকাতা-সহ সব জেলায়। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝোড়ো বাতাস বইতে পারে। বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে বিক্ষিপ্তভাবে। শুক্রবার কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি থাকবে দুই জেলাতে-নদিয়া ও মুর্শিদাবাদে। ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতা-সহ সব জেলাতে রয়েছে। শনি ও রবিবার ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে কলকাতা-সহ সব জেলায়। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝোড়ো বাতাস বইতে পারে। সোমবারের ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলাতে।‌

পরের সপ্তাহে উত্তরবঙ্গ সফরে মুখ্যমন্ত্রী

আগামী সপ্তাহে উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আগামী সপ্তাহে উত্তরবঙ্গ সফরেও (Mamata Banerjee North Bengal) যাবেন, বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে নিজেই জানালেন তিনি। এবারের উত্তরবঙ্গ সফরে ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানেও একগুচ্ছ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বাংলাকে ঘিরে শিল্প এবং কর্মসংস্থানে যে জোর দেওয়া হয়েছে সেটাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠক ছিল। সেখানে জমি সংক্রান্ত নানা প্রস্তাব এবং প্রকল্পের কথা উঠে আসে। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন, কোন কোন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। নবান্নে এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শিল্পবার্তা দেন। দ্রুত শিল্পায়ন আমাদের লক্ষ্য। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে ১০টি জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। রাজ্যে কয়েকশো কোটি টাকা বিনিয়োগ হবে। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে একাধিক সংস্থাকে জমি দেওয়া হয়েছে। বাংলায় শিল্পের জন্য আরও অনেকে জমি চাইছেন। এদিনের বৈঠকে মমতা জানান, রাজ্যের প্রায় প্রত্যেক জেলায় একটি করে বড় শপিং মল বা বিগ মার্কেট খোলা হবে। এই শপিং মল বা বড় বাজার হলে ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে মনে করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ ১১টি জেলায় জমি চিহ্নিত করার কাজ হয়ে গিয়েছে। পুরুলিয়া, দার্জিলিং, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর–সহ একাধিক জেলায় শপিং মল হবে। তিনি জানান, ভালো জমি পেলে দিঘায় বড় বাজার তৈরি হবে। এদিন মমতা জানান আগামী সপ্তাহে উত্তরবঙ্গের সফরে যাবেন তিনি। এখন উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছে, আবহাওয়া ভালো থাকবে না, তাই হেলিকপ্টার ব্যবহার করবেন না মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ‘‌সামনের সপ্তাহে উত্তরবঙ্গ সফরে যাব আমি। বানারহাট, ওদলাবাড়িতে পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন কর্মসূচি করা হবে। তারপর প্রশাসনিক বৈঠক হবে ২১ তারিখ। আর ২২ তারিখ ফিরে আসব।

রাজ্যে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস

ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় শক্তি (Cyclone Shakti)। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৩ থেকে ২৮ মে এর মধ্যে বঙ্গোপসাগরে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘শক্তি’ তৈরি হতে পারে। ২৪ থেকে ২৬ মে এর মধ্যে উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাবনা এবং ওড়িশা থেকে চট্টগ্রাম উপকূলকে। শক্তির আঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের খুলনা অঞ্চল। ঝড় এগিয়ে গেলে উপকূলীয় অঞ্চলে প্রবল তাণ্ডব চালাবে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারি বর্ষণ ও জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে। আয়লা, ফণী, আমফান, ইয়াস রুদ্রমূর্তি নিয়ে মে মাসে একে একে ধেয়ে এসেছিল। এবার ফের সেই মে মাসে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় (Cyclone)। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরের (Bay Of Bengal) কাছে একটি নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে। সেটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি করতে পারে। ১৬ মে থেকে ২২ মে এর মধ্যে নিম্নচাপ তৈরি হয়, তাহলে আবারো একটি ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনের রূপ নিতে পারে। আবহাওয়া দফতর পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। তিন থেকে চারদিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস এ বছর দেশে আগাম বর্ষা। মঙ্গলবার দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর, দক্ষিণ আন্দামান সাগর, নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং উত্তর আন্দামান সাগরের কিছু অংশে প্রবেশ করেছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে যে গত দুই দিনে নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। মৌসুমি বায়ু কেরালায় সাধারণত ১ জুন প্রবেশ করে তবে চলতি বছর ২৭ মে কেরলে বর্ষা প্রবেশ করার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলার জন্য আশার বাণী শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। গোটা রাজ্যেই আগামী কয়েকদিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে। চাঁদিফাটা রোদে গলদঘর্ম দশা রাজ্যবাসীর। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহ (Heatwave South Bengal) পরিস্থিতি। এই পরিস্থিতি থেকে কবে স্বস্তি মিলবে এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্যবাসীর মনে। সোমবার সন্ধ্যায় ঝড়বৃষ্টির (Rain Strom Forecast) ফলে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়েছিল। তবে মঙ্গলবার থেকে আবার সেই পুরনো ফর্মে ব্যাট করছে গরম। বুধ সন্ধ্যা কি আদৌ হাওয়া বদল হবে? হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, বুধবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা। তবে জারি রয়েছে অস্বস্তিকর গরম। দিনভর প্যাচপ্যাচে ঘাম নিয়েই কাটবে। তবে সন্ধ্যার পর বদল আসতে পারে আবহাওয়ায়। কোনও কোনও বৃষ্টি হলেও হতে পারে। কলকাতায় না হলেও বুধে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায়। হাল্কা হাওয়া বদলের সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টির সঙ্গে তাপপ্রবাহও বজায় থাকবে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে বৃহস্পতিবার থেকে ঝড়বৃষ্টি বাড়তে পারে।

খাদ্যপণ্য থেকে জ্বালানি, মূল্যবৃদ্ধির হার কত?

এপ্রিলে পাইকারি মূল্যবৃদ্ধির (Wholesale Price Increase) হার দাঁড়িয়েছে ০.৮৫ শতাংশ। ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে এই হার ছিল ২.৪৫ ও ২.০৫ শতাংশ। এপ্রিলে খাদ্যপণ্যের (Food products) দাম বেড়েছে ২.৫৫ শতাংশ, শিল্পজাত পণ্যের দাম বেড়েছে ২.৬২ শতাংশ হারে। তবে জ্বালানি (Fuel) ও বিদ্যুতের দাম (Electricity Price) কমেছে ২.১৮ শতাংশ হারে। খাদ্যের মধ্যে শস্য, মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের দাম বৃদ্ধি এক্ষেত্রে বেশি অবদান রেখেছে, বিপরীতে দাম কমেছে চিনি ও ভেজিটেবল অয়েলের। এপ্রিল মাসে এফএও-এর গড় খাদ্য মূল্যসূচক এসে দাঁড়িয়েছে ১২৮ দশমিক ৩ পয়েন্টে। যা মার্চের ১২৭ দশমিক ১ পয়েন্টের তুলনায় এক শতাংশ ঊর্ধে। এপ্রিলের এই সূচক এক বছর আগের একই মাসের তুলনায় ৭ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। তবে অন্যদিক দিয়ে দেখতে গেলে রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের শুরুর পর, সর্বোচ্চ থেকে ১৯ দশমিক ৯ শতাংশ কম। গমে রফতানি বেড়েছে কারণ রাশিয়া থেকে রফতানি কমেছে। বেড়েছে চালের দাম বেড়েছে তার চাহিদার কারণে। ব্রিটেন ভূট্টার মজুদ করারে কারণ এপ্রিলে খাদ্যসূচক বেড়েছে। এফএও বলছে, মুদ্রার ওঠানামা বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের বাজারকে প্রভাবিত করেছে। সেই সঙ্গে শুল্ক নীতির সমন্বয় বাজারের অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি করেছে। সর্বভারতীয় পাইকারি মূল্য সূচক (WPI) সংখ্যার উপর ভিত্তি করে মুদ্রাস্ফীতির বার্ষিক হার ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসের জন্য (এপ্রিল, ২০২৪ এর তুলনায়) ০.৮৫% (অস্থায়ী)। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে মুদ্রাস্ফীতির ইতিবাচক হার মূলত খাদ্য পণ্য, অন্যান্য উৎপাদন, রাসায়নিক ও রাসায়নিক পণ্য, অন্যান্য পরিবহন সরঞ্জামের উৎপাদন এবং যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের উৎপাদন ইত্যাদির দাম বৃদ্ধির কারণে।

Food and fuel prices mainly drove the slowdown in inflation

Wholesale inflation in India cooled down to a 13-month low of 0.85% in April 2025, thanks to lower prices of food, fuel, and some manufactured items. This is a drop from 2.05% in March and 1.19% in April last year, according to government data released on Tuesday. WHY ARE PRICES FALLING? The fall in wholesale prices is mostly because food and fuel costs have come down. Even though there’s still a slight rise in prices overall, the increase is much slower. The government explained that some price hikes in manufactured food products, chemicals, machinery, and transport equipment kept inflation in positive territory. MANUFACTURED GOODS AND FUEL SEE A SHIFT Manufactured products, which make up the biggest chunk of the wholesale price index, saw a price rise of 2.62% in April. Prices of primary articles rose more slowly at 1.44%, while the fuel and power segment actually got cheaper, falling by 2.18% after seeing a small rise the month before. FOOD PRICES SHOW BIG CHANGES The biggest relief was seen in everyday kitchen items. Vegetables became a lot cheaper, with prices dropping over 18% in April. Onion inflation almost vanished, going from a steep 26.65% in March to just 0.20%. Potatoes, too, became cheaper, with prices falling over 6%.

Unit to be set up by HCL and Foxconn joint venture

This marks another critical milestone in India’s push to build a vibrant domestic semiconductor ecosystem, reduce reliance on imports, and position itself as a key player in the global chip supply chain. With five semiconductor facilities already in advanced stages of construction, the new unit will be the sixth under the Mission, further strengthening the country’s high-tech manufacturing base. The HCL-Foxconn plant will be set up in the Yamuna Expressway Industrial Development Authority (YEIDA) region and is designed to produce display driver chips used in mobile phones, laptops, automobiles, personal computers and other electronic devices with visual displays. The facility is expected to handle a monthly capacity of 20,000 wafers, with an output of up to 36 million units per month. The Cabinet noted that the project will draw an investment of Rs 3,700 crore, signalling strong private sector participation in this strategic sector. HCL brings decades of hardware development experience, while Foxconn is one of the world’s largest electronics manufacturers, giving the partnership both technical depth and global scale. The broader semiconductor ecosystem in India is also rapidly taking shape. In addition to manufacturing facilities, world-class chip design clusters have emerged across multiple states, with over 70 startups and students from 270 academic institutions already working on cutting-edge design technologies. Twenty new chip products developed by students have been taped out by the Semiconductor Laboratory (SCL) in Mohali. Global semiconductor equipment and material suppliers are also ramping up their presence in India. Companies like Applied Materials and Lam Research, among the world’s largest chip fabrication equipment makers, have established operations in the country.

চাকরিহারা গ্রুপ C ও D-র জন্য মাসিক বিশেষ অনুদান

সুপ্রিম নির্দেশে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC Recruitment Scam ) চাকরিহারা ২৬ হাজার শিক্ষক ও অশিক্ষাকর্মী। নতুন করে নিয়োগ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বেতন পাচ্ছেন চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকারা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee) আগেই জানিয়েছিলেন তিনি চাকরিহারা গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মীদের ভাতা দেবেন। বুধবার নবান্ন সভাগৃহে সেই ঘোষণায় সিলমোহর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এপ্রিল মাসের হিসাব অনুযায়ী গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি কর্মীরা যথাক্রমে ২৫ ও ২০ হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা পাবেন। যতদিন না পর্যন্ত আদালতের পরবর্তী রায় আসছে, ততদিন তাঁরা এই ভাতা পাবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন,”চাকরিহারা গ্রুপ সি (C) এবং গ্রুপ ডি (D)-কে ভাতার জন্য স্কিম তৈরি করেছি আমরা জানিয়েছিলাম। সংসার চালানোর জন্য লেবার দফতরের অধীনে ওয়েস্ট বেঙ্গল লাইভলিহুড এবং সোশ্যাল সিকিউরিটি ১ এপ্রিল থেকে মাসে গ্রুপ সি (Group C) ২৫ হাজার এবং গ্রুপ ডি ( Group D) ২০ হাজার করে বেতন পাবে।” যতদিন না সুপ্রিম কোর্টের (Suprem Court) পরবর্তী রায় আসছে, ততদিন পর্যন্ত এই ভাতা দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, চাকরি বাতিলের মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। আমরা রিভিউ পিটিশন ফাইল করেছি। আদালতের নির্দেশেই চলব। মমতা জানিয়েছেন, চাকরিহারাদের জন্য প্রকল্প তৈরি করছে রাজ্য সরকার। তাঁদের মাসিক অনুদান দেওয়া হবে। গ্রুপ সি ও ডি কর্মীদের যাঁদের বেতন বন্ধের জন্য তাঁদের পরিবারের সদস্যরা সমস্যায় পড়েছেন। সেই কথা মাথায় রেখে একটি প্রকল্প তৈরি করেছি। তার অধীনে গ্রুপ সি ও ডি কর্মীদের আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে।” মমতা বলেন, “আমরা বলেছিলাম, গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি-র যারা রয়েছেন তারা মাইনে পাচ্ছে না। সংসার চালাতে বেশ অসুবিধা হচ্ছে। আদালতে যেহেতু মামলাটি বিচারাধীন আছে, আমরা রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করেছি। আদালত যা নির্দেশ দেবে, তা মেনে চলব। কিন্তু ততদিন এই সমসারগুলি কী করে চলবে? তাই আমরা একটা মিটিংয়ে যেমন জানিয়েছিলাম আমরা। আমরা একটা প্রকল্প তৈরি করেছি।”মমতা বলেন, রাজ্য মন্ত্রিসভার অনুমতিক্রমে, পশ্চিমবঙ্গ শ্রমবিভাগের অধীনে, ওয়েস্ট বেঙ্গল লাইভলিহুড অ্যান্ড সোশ্যাল সিকিওরিটি নামে একটি প্রকল্প তৈরি করেছি। এর মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়েছে, গ্রুপ সি ও ডি কর্মীদের, ২০২৫ সালের ১ এপ্রিল থেকে মাসে যথাক্রমে ২৫ হাজার এবং ২০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে। এপ্রিল থেকে ওরা পাচ্ছিল বেতনটা।