Elara funds failed to provide shareholder details despite repeated Sebi requests

India’s markets regulator has threatened two Mauritus-based funds with investments in the Adani Group that they could face penalties and cancellation of licences for not sharing shareholding details despite repeated requests over two years, according to a document reviewed by Reuters. The Adani Group and its 13 offshore investors have been facing an investigation by the Securities and Exchange Board of India (Sebi) since Hindenburg Research in 2023 alleged improper use of tax havens by the group, triggering a stock sell-off. The group has repeatedly denied wrongdoing, and its shares have since recovered. Indian regulations require that at least 25% of the shares of listed companies be held by public shareholders, but Hindenburg alleged the Adani Group breached those rules since some offshore funds with Adani company holdings were related to the conglomerate. The two Mauritius-based Elara funds – Elara India Opportunities Fund and Vespera Fund – had been asked since 2023 to provide “granular disclosures” of all their shareholders since they had “concentrated positions” in the Adani Group, according to a Sebi document dated March 28, which was reviewed by Reuters. “To date, this has not been provided by these FPIs (foreign portfolio investors) to SebiThey have also not provided any reasons,” the document said, adding that such delays had “impeded the investigation into the Adani Group’s compliance with minimum public shareholding norms.”
Myntra took down Trendyol and other Turkish products

Myntra, which is owned by Flipkart, had exclusive rights to sell Trendyol in India. Trendyol is a Turkish brand known for women’s western wear and is also backed by Chinese company Alibaba. Last weekend, as tensions between the countries increased, Myntra quietly began removing Turkish products from its site. By Thursday, all Turkish items were taken down, according to two industry executives. One of the executives told Economic Times that Myntra is reviewing its brand partnerships and will decide on the next steps based on future developments. As of now, there is no confirmation of whether these Turkish brands will be brought back. AJIO REMOVES TURKISH BRANDS INCLUDING KOTON AND MAVI Reliance-owned Ajio has also stopped selling Turkish fashion labels like Koton, LC Waikiki, and Mavi. All of these products are now marked ‘out of stock’ on the platform. A Reliance spokesperson said the company is reviewing its product list to make sure it matches the “values and sentiments of the country.” Reliance has also closed its office in Turkey and confirmed that it will remove all Turkish brands from Ajio. An official involved in the matter said the process began earlier in the week and was fully completed on Friday. The company also clarified that an earlier partnership with Turkish textile company Kvanc Tekstil ended long before the current issue. “They are now just one of many global suppliers. There is no special treatment anymore,” the spokesperson added. On Friday, the Confederation of All India Traders (CAIT), which represents more than 125 trade leaders, passed a resolution asking all Indian businesses to stop trade with Turkey and Azerbaijan. The group also called for a ban on imports, exports, and tourism with both countries. CAIT said Turkey and Azerbaijan have let India down, especially since India has supported them in the past through humanitarian and diplomatic efforts. The traders’ group also warned exporters and importers not to do business with Turkish and Azerbaijani companies. It plans to send a letter to the Ministry of Commerce and Industry and the Ministry of External Affairs asking for a review of India’s commercial relations with the two countries. CAIT also said it would boycott Indian films that are shot in Turkey or Azerbaijan. It has asked film production companies not to shoot promotional content in these countries either.
ঢাকা বিমানবন্দর থেকে আটক নুসরত ফারিয়া

বাংলাদেশের অভিনেত্রী নুসরত ফারিয়া। অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রবিবার সকালে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে নুসরতকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালে অভিনয়ের সফর শুরু নুসরতের।বাংলাদেশের পাশাপাশি এপার বাংলাতেও পরিচিত মুখ তিনি। এদেশের টলিপাড়াতেও কাজ করেছেন নুসরত। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চরিত্রেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। গত বছর জুলাই মাসে গণ-অভ্যুত্থানের সময় নুসরতের বিরুদ্ধে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। তাঁর বিরুদ্ধে ঢাকা শহরের ভাটারা থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার ভিত্তিতেই তাঁকে আটক করা হয়েছে। রবিবার থাইল্যান্ড যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন নুসরত ফারিয়া। সেইসময় ঢাকা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট থেকে আটক করা হয় তাঁকে। এরপর থানায় নিয়ে যাওয়া হয় নুসরতকে।
নিরাপত্তারক্ষীর ওপর গুলি চালানের অভিযোগ, গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

নিরাপত্তা রক্ষীর উপর গুলি চালানোর অভিযোগ করিমপুর ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি তথা তৃণমূল নেতা শাজিজুল হক শাহ ওরফে মিঠুর বিরুদ্ধে। যদিও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় গুলি। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ গ্রেফতার করে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে। জানা গিয়েছে, গুলি চালানোর ঘটনা রবিবারের। নিজের নিরাপত্তারক্ষী রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল জাহাঙ্গির আলমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যান জাহাঙ্গির। খবর পেয়ে থানারপাড়া থানার পুলিশ গ্রেফতার করে শাহকে। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় তিনটি বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র ও আট রাউন্ড গুলি। সূত্রের খবর, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী নদিয়ার থানারপাড়া থানা এলাকার দাপুটে নেতা মিঠু। তাঁর বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই তৃণমূল নেতা রবিবার মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। রাতভর মদ্যপ অবস্থায় গালিগালাজ করছিলেন। সেইসময় বারবার তাঁকে নিষেধ করছিলেন তাঁর নিরাপত্তারক্ষী জাহাঙ্গির আলম। অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থাতেই ওই নিরাপত্তারক্ষী জাহাঙ্গিরকে লক্ষ্য করে গুলি চালান তৃণমূল নেতা। যদিও গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় প্রাণে বাঁচেন তাঁর দেহরক্ষী। এরপরই থানারপাড়া থানায় খবর দিলে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। পাশাপাশি তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় তিনটে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র এছাড়াও আট রাউন্ড গুলি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল নেতা, পাল্টা থানারপাড়া থানার ওসির বিরুদ্ধে ফাঁসানোর অভিযোগ তোলেন তিনি। তিনি বলেন, মাটি মাফিয়াদের নিয়ে অবৈধভাবে মাটি কারবার করার প্রতিবাদ করেছিলেন তিনি। সেই কারণেই মাটি মাফিয়াদের সঙ্গে যোগসাজশ করে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। তবে একথা মানতে নারাজ পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা ও অস্ত্র মামলায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সোমবার পুলিশ হেফাজত চেয়ে তেহট্ট মহকুমা আদালতে তোলা হয় মিঠুকে। তবে এত আগ্নেয়াস্ত্র কোথায় পেলেন তিনি, কেনই বা এত অস্ত্র ঘরে মজুত করেছিলেন তৃণমূল নেতা, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর গোটা বিষয় জানা যাবে।
চাকরিহারাদের বিরাট বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

বৃহস্পতিবার থেকে বিকাশ ভবনে আন্দোলন করছেন সুপ্রিম কোর্টের রায়ে চাকরিহারা শিক্ষকরা। তাঁর আর পরীক্ষা না দিয়ে পুনরায় চাকরি ফেরতের দাবি করেন। বিকাশভবনের মূল গেট ভেঙে ঢুকে পড়েছিলেন। ওই বিক্ষোভের জেরে বিকাশভবনের কর্মীরা বাইরে বেরোতে পারেননি দীর্ঘ সময়। পুলিস বিক্ষোভ (Agitation) অবস্থান তুলতে গেলে পুলিসের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। পুলিস লাঠি চালায়। উভয় পক্ষই আহত হয়। উত্তরবঙ্গ যাওয়ার আগে সোমবার কলকাতা বিমানবন্দর থেকে চাকরিহারা শিক্ষকদের (Teachers) উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ওই শিক্ষকদের মানবিক হতে বললেন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, আপনারা এখানে না আন্দোলন করে আইনে লড়াই করুন। আমরা সম্পূর্ণ সাহায্য করব। আমরা ওঁদের বিপক্ষে নই। কিন্তু যদি কোনও রাজনৈতিক দল যদি মনে করে, জলঘোলা করবে। তাহলে সেই রাজনৈতিক দলকে আমার প্রশ্ন থাকবে কোর্টে গিয়ে কেস তো আপনারা করেছিলেন। এটা করা কি উচিত ছিল? আমার যথেষ্ট সহানুভূতি ওদের প্রতি আছে ও থাকবে। আমাদের দিক থেকে আমরা রিভিউ পিটিশন করেছি। খুব খারাপ লাগাছে। যাঁরা উস্কাচ্ছে তাঁরাই ওঁদের বিরুদ্ধ মামলা করেছে। আদালত কোনও সিদ্ধান্ত নিলে আমরা তা মানতে বাধ্য। এখনও কারও মাইনে বন্ধ হয়নি। রাজ্য সরকারকে বিশ্বাস করা উচিত ছিল। আমি নিজে ওদের সঙ্গে কথা বলেছি। শিক্ষকদর সম্মান, প্রত্যাশা করি। শিক্ষকের সংখ্যা কম। বাইরেরে লোকের সংখ্যা বেশি। অন্তঃসত্ত্বা মাকে বাড়ি যেতে দিচ্ছে না। অফিসে কাজ করছেন তাঁকে ১৪, ১৮, ২০ ঘণ্টা আটকে রেখে দেওয়া হয়েছে। এক মহিলা পরীক্ষার্থীকে বাড়ি যেতে দেওয়া হয়নি। তিনি ভয়ে লাফ দিয়েছেন। তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আমি আন্দোলনের বিপক্ষে নই। তবে আন্দোলন করারও একটি লক্ষণ রেখা আছে। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কথায় উঠে আসে মানবিকতার প্রসঙ্গ।
ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী

কলকাতা: অবশেষে তীব্র তাপপ্রবাহের থেকে স্বস্তি মিলতে চলেছে। গরমে হাঁসফাঁস করছে রাজ্যবাসী (Weather Update)। ভ্যাপসা গরম থেকে মুক্তির সুখবর শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আগামী ২৩ মে পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে এভাবেই বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ভ্যাপসা গরম কিছুটা হলেও কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও শমিবার রাতের দিকে রাজ্যের কয়েকটি অংশে হালকা বৃষ্টি হলেও ফের সকাল থেকে ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস করছে দক্ষিণবঙ্গ। তবে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শনিবার থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণের সব জেলাতেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি (Rain Forecast) হতে পারে। সঙ্গে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। তবে জেলার সর্বত্র বৃষ্টি হবে না। এই ঝড়বৃষ্টির ফলে রবিবার থেকে তাপমাত্রা কমতে পারে বলেও পূর্বাভাস রয়েছে। রবিবার সকাল থেকে ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস করছে শহরবাসী। সকালে রোদের দেখা মেলেনি। মেঘলা ওয়েদার। তার সঙ্গে অস্বস্তিকর গরম অনুভূত হচ্ছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কালবৈশাখীর (Kalbaisakhi Storm) পূর্বাভাসও রয়েছে। রবিবার কলকাতা (Rain Forecast Kolkata)-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে। কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়ায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। রাজ্যের সব জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ঝড়বৃষ্টির জন্য এই সতর্কতা আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত জারি থাকবে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শনিবার কলকাতার সবত্র বৃষ্টির দেখা না মিলেও। রবিবার শহরে বেশি ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইবে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া। আগামী ২৪ ঘণ্টা দক্ষিণে তাপমাত্রার হেরফের হবে না। রবিবার থেকে পরের তিন দিন তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। আগামী বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সমস্ত জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। রবিবার থেকে সোমবারের মধ্যে তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহেও বৃষ্টির সম্ভাবনা। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা খুব একটা পরিবর্তন না হলেও সোমবারের মধ্যে তা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরের আট জেলাতেই ঝড়বৃষ্টির জন্য জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা।
উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

সোমবার উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনদিনের এই সফরে থাকছে একগুচ্ছ কর্মসূচী। সফরের প্রথমদিনেই তিনি শিল্পপতিদের সঙ্গে বিজনেস মিট করবেন। ২০ তারিখ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা তুলে দেবেন উপভোক্তাদের হাতে। ২১ তারিখ রয়েছে প্রশাসনিক বৈঠক। সূত্রের খবর, জোরকদমে প্রস্তুতি চলছে উত্তরবঙ্গের জেলায় জেলায়। ১৯ মে প্রথমে শিলিগুড়ি পৌঁছবেন মুখ্যমন্ত্রী। বিকেলে বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামবেন বলে জানা গিয়েছে। সেখান থেকে সড়কপথে সরাসরি শিলিগুড়ির দীনবন্ধু মঞ্চে পৌঁছে একটি সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দেবেন মমতা। এখন থেকে ওই এলাকার সর্বত্র আঁটোসাঁটো নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এবারের উত্তরবঙ্গ সফরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন কয়েকজন নেতা-মন্ত্রীও। যে কারণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় চলছে পুলিশের জোরদার টহল। শনিবার দীনবন্ধু মঞ্চের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আসছেন দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল ও অন্যান্য প্রশাসনিক অফিসাররা।
DragonPass loses access to lounges at Adani-managed airports

A newly minted partnership between Adani Airport Holdings and Chinese travel platform DragonPass has been dropped barely a week after take-off. The move, triggered by rising national security concerns, has ended DragonPass’s access to Adani-managed airport lounges across the country. “DragonPass customers will no longer have access to lounges at Adani-managed airports,” the company said in a statement, adding that regular travellers will see no disruption in lounge or travel services. At the heart of the pullback lies India’s sharpened scrutiny of foreign entities operating in critical infrastructure. Following the Pahalgam terror attack and rising cross-border tensions with Pakistan, authorities have stepped up their review of Chinese and Turkish firms in aviation and other sensitive sectors. DragonPass, headquartered in Guangzhou, offers global airport lounge access and travel privileges via credit cards and corporate programs. In India, the company had quietly built a vast footprint—partnering with Adani lounges in Mumbai, Ahmedabad, Lucknow, Jaipur, and Guwahati, as well as securing access to multiple terminals at Delhi’s Indira Gandhi International Airport. Beyond Delhi, DragonPass had been active in over 30 Indian cities, including Bengaluru, Hyderabad, Kolkata, Chennai, Pune, and Srinagar, making it one of the widest-spread foreign players in India’s lounge ecosystem. But that very scale raised red flags. Concerns reportedly emerged over data privacy, passenger information access, and potential surveillance risks. With lounge operations integrated into airport networks, regulators were wary of giving a Chinese platform backend visibility into passenger movement and behavioural data.
বিকাশ ভবনে স্বয়ম রবীন্দ্রনাথ!

ওয়েবডেস্ক: পরনে জোব্বা। মুখে সাদা দাঁড়ি। যেন সামনে দাঁড়িয়ে আছেন স্বয়ং কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore) ! হ্যাঁ এক ঝলক দেখলে সেটাই মনে হতে পারে সাধারণ মানুষের। আজ চাকরিহারাদের মাঝখানে স্বয়ং আবির্ভূত হলে ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর’, শুধু এলেনই না, পুলিশদের হাতে গোলাপ ফুল তুলে দিলেন তিনি। এদিকে বিকাশ ভবনের (Bikas Bhavan) সামনে চাকরিহারাদের অবস্থান অব্যাহত। চাকরি ফিরে পেতে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবিতে অনড় তারা। আজ ফের করুণাময়ী থেকে বিকাশ ভবন পর্যন্ত মিছিল। সেখানে মিছিলে দেখা গেল ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর’কে ! বৃহস্পতিবারেও চাকরিহারাদের (Jobless) বিকাশ ভবন অভিযানকে ঘিরে ধন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। আন্দোলনকারী ও তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তের অনুগামীদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অবস্থা সামলাতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। ওইদিন বিকেলেই তারা সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দেন, নতুন করে তারা আর কোনও পরীক্ষা দেবেন না। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা নাগাদ বিকাশ ভবন ঘেরাও অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন যোগ্য শিক্ষক–শিক্ষিকা অধিকার মঞ্চের সদস্যরা। সেই মতো সসম্মানে চাকরি ফেরানো সহ সাত দফা দাবিতে এ দিন বেলার অনড় রয়েছেন তারা। মুখ্যমন্ত্রী বা শিক্ষামন্ত্রীকে এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে তা জানাতে হবে। আর তা না হলে বিকাশ ভবনের অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন । তাঁদের দাবি তাঁরা আর কোনও পরীক্ষা দেবেন না। আর পরীক্ষা দিতেই হলে আগে মুখ্যমন্ত্রী সহ সব জনপ্রতিনিধিদের ভোটে নতুন করে জিততে হবে। তাঁদেরও যোগ্যতার পরিচয় দিতে হবে। গত ৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট নিয়োগ দুর্নীতি ও একাধিক অনিময়ের অভিযোগে ২৫ হাজার ৭৩৫ বাতিল করে দেয়। ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিল করে দেওয়া হয়। শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, সঠিক তথ্য না থাকায় যোগ্য ও অযোগ্যদের পৃথক করা যায়নি, তাই পুরো প্যানেল বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বের দরবারে ভারতের ৭ কূটনৈতিক প্রতিনিধি

ওয়েব ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) মুখোশ খুলতে এবার দেশে দেশে যাবে ভারতের (India) সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল। এই দলের নেতৃত্ব দেবেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর (Shashi Tharoor)। বাকি ছয় সদস্যেরা হলেন— রবিশঙ্কর প্রসাদ (বিজেপি), সঞ্জয় কুমার ঝাঁ (জেডিইউ), বৈজয়ন্ত পাণ্ডা (বিজেপি), কানিমোঝি করুণানিধি (ডিএমকে), সুপ্রিয়া সুলে (এনসিপি) এবং শ্রীকান্ত একনাথ শিন্ডে (শিবসেনা)। কাশ্মীরের পহেলগামে (Pahalgam) নিরীহ পর্যটকদের উপর জঙ্গি হামলার কড়া জবাব দিয়েছে ভারত। অপারেশন সিঁদুর পাকিস্তানের অভ্যন্তরে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস তো করেছেই, পাকিস্তানের বায়ুসেনা ঘাঁটিতেও আঘাত হেনেছে। নরেন্দ্র মোদির সরকারের এই পদক্ষেপের প্রশংসা করেছিলেন থারুর। ভারতের সামরিক প্রতিক্রিয়াকে তাঁর সমর্থন জানানো কংগ্রেসের কয়েকজন নেতার হালো লাগেনি। সাত সদস্যের নাম এদিন ঘোষণা করেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। তিনি জানান, এই প্রতিনিধি দল ভারতের সহযোগী দলগুলিতে সফর করবে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারতের জিরো-টলারেন্স নীতির কথা জানানো হবে। এই বিষয়ে ভারত রাজনীতির ঊর্ধ্বে গিয়ে জাতীয় ঐক্যে বিশ্বাস করে, তার প্রতিফলন হল এই সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল। কিরেন রিজিজুর ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় থারুর জানান, সরকারের কাছ থেকে আমন্ত্রণ পেয়ে তিনি সম্মানিত। তিনি আরও বলেন, “যখন জাতীয় স্বার্থ জড়িত থাকে এবং আমার পরিষেবা প্রয়োজন হয়, তখন আমি পিছিয়ে যাব না।” এদিকে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ জানিয়েছেন, মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) সঙ্গে কথা বলেছিলেন রিজিজু। তাঁদের চারজনের নাম প্রস্তাব করতে বলেছিলেন তিনি। কিন্তু কংগ্রেসের দেওয়া চারজনের নামের তালিকায় ছিলেন শশী থারুর। অথচ তাঁকেই বাছা হল।




