বাংলায় শীতের শুরু?

জাঁকিয়ে শীত বাংলায়। ১১ থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দফায় দফায় পারা পতনের আভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ১৫ ডিসেম্বর থেকে হাড় কাঁপানি শীত পড়ার সম্ভবনা। আগামী কয়েকদিন জেলায় জেলায় কেমন থাকবে আবহাওয়া? জেনে নিন আপডেট। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আজ থেকেই শীতের আমেজ টের পাবে রাজ্যবাসী। আগামী সপ্তাহে আরও নামবে পারদ। বৃহস্পতিবার থেকে রাজ্যে রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উইকএন্ডে শহর কলকাতায় তাপমাত্রা নামতে পারে ১৫ ডিগ্রি বা তারও নীচে। জাঁকিয়ে শীত পড়বে উত্তরবঙ্গে। সেখানকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হতে পারে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী সপ্তাহ থেকে শীতের আমেজ টের পাবে রাজ্যবাসী। তিন-চার দিন বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা নেই। কেমন থাকবে কলকাতার আবহাওয়া ? রাজ্য জুড়ে শীতের আমেজ। কলকাতায় জাঁকিয়ে শীত পড়ার আভাস। আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.২ ডিগ্রি। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.৪ ডিগ্রি। কলকাতায় দুই ডিগ্রি নেমে গেল রাতের তাপমাত্রা। সকালে থেকেই কুয়াশা ধোঁয়াশা। রাত ও দিনের দুই তাপমাত্রাই স্বাভাবিকের নিচে। ৪ জেলায় ঘন কুয়াশার দাপট ঘন কুয়াশার জন্য চারটি জেলায় জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা। দাপট থাকবে মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমে। দৃশ্যমানতা ২০০ মিটারের মধ্যে থাকতে পারে। নদিয়া বাঁকুড়া পুরুলিয়া পশ্চিম মেদিনীপুর পূর্ব বর্ধমান হুগলি জেলাতেও দু-এক জায়গায় মাঝারি কুয়াশা। কলকাতাতেও সকালের দিকে হালকা কুয়াশা ধোঁয়াশা। ঘন কুয়াশার দাপট উত্তরবঙ্গের চার জেলাতে। দার্জিলিং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলাতে কুয়াশার সতর্কবার্তা।

বোল্ড অবতারে উর্বশী

উর্বশীর হটনেসের মিটার ঊর্ধ্বমুখী। বলিউডের সুন্দরী অভিনেত্রী উর্বশী তাঁর লুকে ঘুম কেড়েছেন পুরুষদের। সম্প্রতি আন্ধেরিতে ক্যামেরা বন্দি হলেন উর্বশী রাউতেলা। বোল্ড অবতারে দেখা গেল অভিনেত্রীকে। নিজের ফ্যানবেস ধরে রাখতে একের পর এক হটনেস ভিডিও পোস্ট করছেন উর্বশী। কখনও কালো বিকিনিতে, কখনও আবার কালো পোশাকে কিংবা পিঠ খোলা হট অবতারে ভক্তদের জন্য নয়া নয়া ছবি পোস্ট করেই বাজিমাত করছেন উর্বশী রাউতোলা। সম্প্রতি আন্ধেরিতে ক্যামেরা বন্দি হলেন উর্বশী রাউতেলা। সিলভার সিমারিং ওয়ান পিসে উষ্ণতা বাড়ালেন অভিনেত্রী। উন্মুক্ত ক্লিভেজে উষ্ণতার পারদকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। খোলাচুল ও সঙ্গে মানানসই মেকআপ। পাপারাৎজিদের সামনে হাসি মুখে পোজও দিলেন অভিনেত্রী।

জিতল লিভারপুল

তারকারা ঝলমল করলেন, আটালান্টার মাঠ থেকে তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে নিল রিয়াল মাদ্রিদ। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে চড়াই-উৎরাইয়ের ম্যাচে ৩-২ জিতল কার্লো আন্সেলোত্তির দল। গোল করলেন কিলিয়ান এমবাপে, ভিনিসিয়াস জুনিয়র এবং জুড বেলিংহ্যাম। তিনটি গোল তিনজনেই দিলেন ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে। ৬ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে লিগ ফেজে ২৪ থেকে ১৮ নম্বরে উঠে এল মাদ্রিদের ক্লাব। শাখতার ডোনেৎস্ককে তাদের ঘরের মাঠে পাঁচ গোলের মালা পরাল হ্যারি কেন-হীন বায়ার্ন মিউনিখ। কেনের জায়গায় এদিন স্ট্রাইকার হিসেবে খেলেন বর্ষীয়ান টমাস মুলার। গোল পেয়েছেন তিনি। জোড়া গোল করেন মাইকেল ওলিসে। একটি করে গোল জামাল মুসিয়ালা এবং কনরাড লাইমারের। ম্যাচের পাঁচ মিনিটে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল শাখতার, কিন্তু তারপর তাদের ম্যাচ থেকে বের করে দেয় বায়ার্ন। প্রিমিয়ার লিগে তেমন ফর্মে না থাকলেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে চমকের পর চমক দিয়ে চলেছে অ্যাস্টন ভিলা। বায়ার্নকে হারিয়ে সবাইকে অবাক করে দিয়েছিল উনাই এমেরির দল, এবার আরবি লাইপজিগকে তাদের ঘরের মাঠে ৩-২ হারাল ইংলিশ ক্লাব। গোল করেন জন ম্যাকগিন, জন ডুরান এবং রস বার্কলে। এই জয়ে ৬ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে ভিলা। আর এক ম্যাচ জিতলেই সরাসরি নক আউটে যাবে তারা।

রাজ্যসভায় তৃণমূল প্রার্থীর জয়লাভ শুধুই সময়ের অপেক্ষা!

রাজ্যসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করা হল। আজ সচিবালযয়ে তাঁর মনোনয়নপত্র পরীক্ষা হয়। অর্থাৎ, রাজ্যসভায় তাঁর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ এখন শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। আগামী শুক্রবার ঋতব্রতকে বিজয়ী সার্টিফিকেট দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। শনিবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করে ঘাসফুল শিবির। এদিন সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে একথা জানানো হয় তৃণমূলের তরফ থেকে। এই পোস্টে লেখা হয়, “আসন্ন রাজ্যসভার উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণা করা হচ্ছে। ওঁকে আমরা আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আশা করব, উনি রাজ্যসভায় তৃণমূলের যোগ্য উত্তরাধিকার বহন করবেন এবং প্রত্যেক ভারতীয়ের অধিকারের কথা বলে যাবেন।” প্রসঙ্গত, আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদে গত সেপ্টেম্বর মাসে রাজ্যসভার সদস্যের পদ থেকে ইস্তফা দেন জহর সরকার। একইসঙ্গে তিনি রাজনীতি ছাড়ার কথাও ঘোষণা করে দেন। তিলোত্তমার বিচারের দাবিতে যখন উত্তাল ছিল বাংলা, সেই আবহে জহর সরকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি চিঠি লিখে পদত্যাগের কথা জানান। সেই চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, “গত এক মাস ধৈর্য ধরে আরজি কর হাসপাতালের ঘৃণ্য ঘটনার বিরুদ্ধে সবার প্রতিক্রিয়া দেখেছি আর ভেবেছি, আপনি কেন সেই পুরনো মমতা ব্যানার্জির মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে সরাসরি জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলছেন না। এখন সরকার যে সব শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে, তা এককথায় অতি অল্প এবং অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে।”