১০ বছর পর ইংল্যান্ডে টেস্ট জিতল শ্রীলঙ্কা

১০ বছর পর ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট জিতল শ্রীলঙ্কা। সেই মানরক্ষাও হলো। চতুর্থ ইনিংসে জেতার জন্য ২১৯ রান দরকার ছিল শ্রীলঙ্কার। দিমুথ করুণারত্নেকে (৮) হারালেও ক্রিজ়ে ছিলেন নিশঙ্ক এবং কুশল মেন্ডিস। সোমবার তারাই ইনিংস শুরু করেন। মেন্ডিস ৩৯ রানে আউট হয়ে গেলেও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথেউস অঘটন হতে দেননি। নিশঙ্ক শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ১২৭ রান করে। ১৩টি চার এবং ২টি ছয়ের সাহায্যে ১২৩ বলে ইনিংস সাজিয়েছেন তিনি। ইংল্যান্ডের মতোই আগ্রাসী ক্রিকেট খেলেছেন। তুলনায় ম্যাথেউস টেস্টের মতোই খেলেছেন। তাঁর কাজ ছিল নিশঙ্ককে সঙ্গ দেওয়ার। সেই দায়িত্ব ভালভাবেই পালন করেন। অপরাজিত থাকেন ৬১ বলে ৩২ রান করে। আর সোমবার ম্যাচের পঞ্চম দিনে জয়ের জন্য শ্রীলঙ্কার দরকার ছিল ১২৫ রান। ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ৯ উইকেট। এ দিন একটির বেশি উইকেট ফেলতে পারেনি ইংল্যান্ড। পাথুম নিসঙ্ক শতরান করে শেষ পর্যন্ত থেকে জিতিয়ে দেন শ্রীলঙ্কাকে। আট উইকেটে জেতে শ্রীলঙ্কা।
ছাড়পত্র মিলল ‘ইমার্জেন্সি’র

৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল কঙ্গনা পরিচালিত ছবির। কিন্তু ছবিমুক্তির উপর স্থগিতাদেশ দেয় আদালত। অবশেষে ছাড়পত্র মিলল। স্থির হল, নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে কঙ্গনার ‘ইমার্জেন্সি’ মুক্তি পাবে। তিনটি দৃশ্য বাদ দেওয়া ও কিছু সম্পাদনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে ছাড়পত্রে। ছবিটিকে ‘ইউ/এ’ তকমা দেওয়া হয়েছে। এই ছবিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে দেখা যাবে কঙ্গনাকে। তাঁর আমলে ভারতে যে একুশ মাস জরুরি অবস্থা জারি ছিল, সেই সময়কেই তুলে ধরা হয়েছে। এই ছবিতে চিত্রনাট্য ও পরিচালনা ও অভিনয়, তিনটিরই দায়িত্ব পালন করেছেন কঙ্গনা। ৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল এই ছবির কিন্তু, এ বার ১৮ সেপ্টেম্বরের পরবর্তী শুনানির পরে মুক্তির তারিখ জানানো হবে বলেই খবর।
উৎসবে ফেরার কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সোমবার এক মাস হল আরজি কর-কাণ্ডে নির্যাতিতার মৃত্যুর। সেই দিনেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) আহ্বান, ‘‘এক মাস তো হয়ে গেল। আমি অনুরোধ করব, পুজোয় ফিরে আসুন, উৎসবে ফিরে আসুন।’’ এরই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আরও অনেক কথা বললেও বিরোধী দলের নেতারা আপাতত মমতার ওই বক্তব্যের সমালোচনায় সরব। প্রসঙ্গত, সোমবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার শুনানি শেষ হওয়ার পরে পরেই নবান্নে শুরু হয় মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক। সুপ্রিম কোর্ট সাধারণ আন্দোলনকারীদের কোনও নির্দেশ না দিলেও জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে যোগ দিতে বলেন মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই। দিনের পর দিন জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলন ও কর্মবিরতির ফলে রাজ্য যে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে সমস্যায়, তা সুপ্রিম কোর্টেও সোমবার জানায় রাজ্য। এর পরেই প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ কর্মবিরতি শেষ করতে বলে।
মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে কাজে যোগ দিতে হবে, সুপ্রিম নির্দেশ

নয়াদিল্লি: আন্দোলনরত চিকিৎসকদের কাজে যোগ দেওয়ার সময় বেঁধে দিল প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের ডিভিশন বেঞ্চ। বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিল, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার মধ্যে কাজে যোগ দিতে হবে। শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে যোগ দিতে হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ হবে না, আমরা তো বলেছি। আগামিকাল বিকেল ৫টার মধ্যে কাজে যোগ দিতে হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না রাজ্য।’’ তিনি আরও বলেছেন, ‘‘এর পরেও যদি কোনও চিকিৎসক কাজে যোগ না দেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে রাজ্য কোনও পদক্ষেপ করলে আমরা বাধা দিতে পারব না।’’ পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণে এ-ও জানায়, আন্দোলনরত চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় সুযোগসুবিধা জেনে, তবেই পদক্ষেপ করতে হবে রাজ্যকে।




